বাংলাদেশ প্রকৃতিগতভাবে নদী, খাল ও জলাভূমির দেশ। একসময় দেশের গ্রামাঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিল অসংখ্য খাল, যা কৃষি উৎপাদন, সেচব্যবস্থা, নৌযাতায়াত এবং পানি নিষ্কাশনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু দীর্ঘদিনের
চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নে আধ্যাত্মিক সাধক, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সমাজ সংস্কারক হযরত আবু মোহাম্মদ মোস্তাক বিল্লাহ সুলতানপুরী (রহ.)–এর স্মরণে আয়োজিত স্মরণসভা দীর্ঘদিন পর ইউনিয়নের মানুষদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধ পরিবেশ
বাংলার গ্রামীণ সমাজ একসময় ছিল নানা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও লোকাচারের সমৃদ্ধ ভাণ্ডার। বিয়ে ছিল সেই সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক আয়োজন। গ্রামে বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লেই যেন পুরো জনপদে উৎসবের
আরবি হিজরী বছরের নবম মাস মাহে রমজান। অন্যান্য মাসের চেয়ে এ মাসের গুরুত্ব ও ফযিলত অত্যধিক। কেননা এ মাস কুরআন নাজিলের মাস, এ মাস লাইলাতুল কদরের মাস, রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের পবিত্র মাস। শয়তানকে
আত্মশুদ্ধির বসন্তকাল, ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস হলো পবিত্র মাহে রমাদান। এটি কেবল একটি মাস নয়, বরং মুসলিম উম্মাহর জন্য এক অনন্য আধ্যাত্মিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমান এই মাসে
দক্ষিণ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী জনপদ পটিয়া দীর্ঘদিন ধরেই প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। জাতীয়ভাবেও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে বীর পটিয়ার। এক সময় এটি ছিল সাবেক
২০২৬ সালে বাংলাদেশের জন্য একটি গৌরবময় বছর, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পূর্তি। এই সময়কাল কেবল একটি সংখ্যা নয়; এটি আমাদের সংগ্রামের ইতিহাস, আত্মত্যাগের গল্প এবং দেশের অগ্রগতির প্রতিফলন। ১৯৭১ সালের
শব্দ চয়ন বঙ্গবন্ধুর ছিলেন একজন প্রাজ্ঞ রাজনীতিক। তিনি জনগণ ও শাসকশ্রেণির নাড়ি বুঝতেন। ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে আসা বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য ভাষণ, বক্তৃতা, সভা-সমাবেশ ও সেমিনারে অংশগ্রহণ
বাংলাদেশের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক ইতিহাসে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকেও নীরবে সমাজকে বদলে দিয়েছেন। হযরত আবু মোহাম্মদ মোস্তাক বিল্লাহ সুলতানপুরী (রঃ) ছিলেন তেমনই এক
বিশ্ব রাজনীতি যখন এক অনিশ্চিত সময় অতিক্রম করছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে আবারও যুদ্ধের মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। আঞ্চলিক শক্তির দ্বন্দ্ব, পরাশক্তির কূটনৈতিক চাপ এবং চলমান সামরিক প্রস্তুতি মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমেই