1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্পে জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর শনিবার শুভেচ্ছা-ভালোবাসায় চট্টগ্রাম জার্নালের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পটিয়ায় স্কুলের আইসিটি ল্যাবের গ্রিল কেটে ১৫ ল্যাপটপ চুরি বোয়ালখালীতে সাবেক মেয়র হাজী আবুল কালাম আবুর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া বিশ্ব শিক্ষক দিবস পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী আয়োজনে ভালোবাসায় সিক্ত শিক্ষকরা বোয়ালখালীতে স্যার আশুতোষ কলেজে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন শারজাহতে জমকালো আয়োজনে কলম একাডেমি লন্ডনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চায় প্রবাসীদের এগিয়ে আসার আহ্বান বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ জ্ঞান বিতরণকারী শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সভাপতি মাহফুজুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম চন্দনাইশ সাতবাড়ীয়া নাজিরহাট ব্যবসায়ী উন্নয়ন সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত “চট্টগ্রাম ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিক ইন্সটিটিউট” আয়োজিত – শ্রোতার আসরে।

কারবালার যুদ্ধ  -মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব)

  • সময় বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪
  • ৩৬৮ পঠিত

কারবালার যুদ্ধ

মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব)

চতুর্দিকে শত্রুসেনা সজ্জিত
শুরু হল কারবালার যুদ্ধ
ইমাম পরিবার তৃষ্ণা কাতরে
সেনা দলসহ শ্বাসরুদ্ধ।

শত্রুপক্ষের সেনা ওমর বিন সাদ
তীর ছুঁড়ে করল যুদ্ধের সূচনা,
ইমাম পক্ষের ওহাব ইবনে আবদুল্লাহ্
তিন যুদ্ধাকে করল ফানা।

দ্বৈত যুদ্ধে ইমাম সৈন্যের সম্মুখে
শত্রু সেনা টিকল না,
ওমর বিন সাদ যৌথ ভাবে
অতর্কিতে দেয় হানা।

শাহাদাতের নেশায় ইমাম বাহিনী
উন্মাদ হয়ে দেয় হুংকার,
অসংখ্য শত্রু নিপাত করিল
মস্তক হল দ্বি-খণ্ডিত পদাকার।

শত্রু বাহিনীর চতুর্মুখী তীরের আঘাতে
ইমাম দল হলেন অসহায়,
সীমারের হুকুমে প্রচণ্ড যুদ্ধ
শুরু হল সত্য মিথ্যার লড়াই।

সেনাপতি হুর বীর বিক্রমে
সীমারের দলকে করিল অবরোধ,
তাহা দেখিয়া সীমারের
অন্তরে বাড়িল আরো ক্রোধ।

সেনাপতি হুর সিংহ বিক্রমে তরবারীর
আঘাতে অসংখ্য শত্রু করিলেন নিধন,
শত সহস্র সীমার যোদ্ধা তখন
পিছূ হটতে বাধ্য হন।

হঠাৎ এজিদ সেনার হাতে
হুর করলেন শাহাদাৎ বরণ,
সুযোগ পেয়ে এজিদ বাহিনী
ইমামের শিবিরে আগুন ধরালো তখন।

শহীদ মুসলিমের পুত্র জাফর ও আব্দুল্লাহ্
করলেন অস্ত্র ধারন,
অসাধারণ বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে
তারাও করলেন শাহাদাৎ বরণ।

হযরত জয়নব তাঁর দুই কিশোর পুত্র
মুহাম্মদ ও আওয়ালকে পড়ালেন রণের সাজ,
কিশোরদ্বয় শহীদ হয়ে প্রমাণ করলেন
তাঁরাও ছিলেন যুদ্ধবাজ।

প্রাণবায়ু দান করিলেন
ইমাম পক্ষের যুদ্ধে যে গেলেন সেই,
ইমাম দেখলেন কয়েকজন খাদেম আর নিজ সহোদর ছাড়া ধরাতে কেহ নেই।

ইমাম সাহেব যুদ্ধের ফলাফল শেষ করতে
চাইলেন নিজেই অস্ত্র ধরে,
খাদেম ও সহোদরগণ বললেন-আমরাই আগে যাই শাহাদতের পিয়ালা ভোগ করে।

আবু বকর, ওমর,ওসমান,আওয়াল,
জাফর এবং আব্দুল্লাহ্ একে একে হন শহীদ;
হযরত আলীর কনিষ্ঠা স্ত্রীর সন্তান
তাঁরা বীর শ্রেষ্ঠ মুজাহিদ।

ইমাম বাহিনীর পতাকা বাহক
মুসলিমের ভ্রাতা আব্বাস পানি আনিবার কারণ,
মশক নিয়ে ফুরাতের দিকে
শত্রুর হাতে করলেন শাহাদাৎ বরণ।

সৌজন্যেঃ মোজাদ্দেদীয়া দরবার শরীফ,মোজাদ্দেদপুর, জালালাবাদ,বায়েজিদ বোস্তামী, চট্টগ্রাম।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট