1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Admin Admin : Admin Admin
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৭:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চকবাজারে দিনে দুপুরে তালা কেটে সাংবাদিকের বাসায় দুধর্ষ চুরি। ইতিহাসবেত্তা সোহেল ফখরুদ-দীনের বাসভূমি পুরস্কার লাভ “মুক্ত পাঠাগার” এর চট্টগ্রাম জেলা শাখার ১ম লেখক আড্ডা বাকলিয়ায় ২২ নং বিট পুলিশ ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত সৈয়্যদা মাদিহা আল বাতুল গোল্ডেন A+ পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সফলতা আ জ ম নাছিরের অগ্নিপরীক্ষা চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী শ্রমিক কর্মচারী লীগের প্রস্তুতি সমাবেশে আ জ ম নাছির উদ্দীন। চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার জনসভায় শ্রমিক কর্মচারীদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে -আবুল হোসেন আবু নুসরাত জাহান (ঝুমুর) এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেলো। জঙ্গল সলিমপু’রে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ওসমান গনি।

জানি তবু মানিনা! এইডস প্রতিরোধে করণীয়ঃ লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২১
  • ১৩১ পঠিত

এইডস এক আতঙ্কের নাম। সারা বিশ্বেই আজ এই রোগের ছড়াছড়ি। এমনকি মহামারি। তবে খুব কম মানুষই এই রোগের সঠিক তথ্য সম্পর্কে অবগত রয়েছেন। সত্যিকার অর্থে রোগটি ভীতিকর হলেও প্রতিরোধযোগ্য। হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েনসি ভাইরাস (এইচআইভি) এই রোগের জীবাণু।

এইডস প্রতিরোধে করণীয়ঃ এইচআইভির প্রতিরোধের মূল উপাদান হলো শিক্ষা, সচেতনতা, ঝুঁকির মাত্রা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান ও ধারণা। মানুষের চিন্তায় ও আচরণের ইতিবাচক পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরি।
ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা এইডস প্রতিরোধের অন্যতম উপায়। যৌন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন মেনে চলতে হবে। বিবাহপূর্ব যৌন সম্পর্ক এড়িয়ে চলতে হবে। একাধিক যৌন সঙ্গী পরিহার করতে হবে।
নিরাপদ যৌনক্রিয়ার অভ্যাসের মাধ্যমে অসংক্রামিত মানুষ এইচআইভি সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকতে পারে। নিয়মিত ও সঠিকভাবে কনডম ছাড়া যৌন মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। অবাধ ও অবৈধ যৌন ক্রিয়া থেকে বিরত থাকাই হলো এইচআইভি সংক্রমণ থেকে মুক্ত থাকার সর্বোৎকৃষ্ট উপায়।
যারা শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে ড্রাগ নেয়, তাদের বেলায় উৎকৃষ্ট উপায় হলো ইনজেকশনের মাধ্যমে ড্রাগ না নেওয়া। যদি তা সম্ভব না হয়, তবে এইচআইভি সংক্রমিত রোগীর সঙ্গে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য সুচ, সিরিঞ্জ, ব্লেড বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
একবার ব্যবহার করা যায় এমন জীবাণুমুক্ত সুচ ও সিরিঞ্জ ব্যবহার করতে হবে।
শরীরে রক্ত বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গ্রহণের প্রয়োজন হলে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে যে সে রক্ত বা অঙ্গ- প্রত্যঙ্গে এইচআইভি রয়েছে কি না।
যৌনরোগ বা প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণ থাকলে এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই কারো যৌনরোগ বা প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে।
এইচআইভি আক্রান্ত মায়ের থেকে সন্তানের আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকখানি। তবে যেসব মায়েরা প্রয়োজনীয় থেরাপি গ্রহণ করেন, তাদের ক্ষেত্রে গর্ভস্থ সন্তান আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা শতকরা ৮৫ ভাগ।
জনসচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমের সাহায্যে প্রতিরোধমূলক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট