1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রবারণায় আত্মশুদ্ধির শিক্ষা ও কঠিন চীবরের দানমহিমা -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া ইসলামের সোনালী ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে কানাডা ও আমেরিকায় ইসলামি স্কলার প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার সৈয়দ আহমদ মাইজভান্ডারির দ্বিশত বেলাদত বার্ষিকীতে চরণদ্বীপে মাহফিল ডিজেবিলিটি কেয়ার ফাউন্ডেশন ও লিবার্টি ক্লাবের দুইদিনব্যাপী ৩০ শিশুর বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালু কাটা সার্জারি ক্যাম্প। পটিয়ায় নির্যাতনে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ চট্টগ্রামে CREATIVE IT INSTITUTE-এ ভিডিও এডিটিং কোর্স ব্যাচ-২৬০২ এর সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটি গঠনকল্পে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন, চট্টগ্রামের সাংগঠনিক দায়িত্বে এ এস এম সুজা উদ্দিন পটিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরীর উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজার উপহার সামগ্রী বিতরণ বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ১২০০ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট