1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রাম বন্দরের ৪৫ শতাংশ কনটেইনারের নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব যাচ্ছে “দুবাইয়ের DP World” এর হাতে! পটিয়ায় বেড়েছে সবুজ দেশি মাল্টার চাহিদা চায়না মাল্টার চড়া দামে স্বস্তি খুঁজছেন নিম্নআয়ের ক্রেতারা সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ফ্রি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান। ৪১ ওয়ার্ড ও ৮ উপজেলার মানুষের মতামত নিয়ে তৈরি হবে অংশগ্রহণমূলক ও বাস্তবসম্মত মাস্টারপ্ল্যান তৃণমূল পর্যায়ে এনসিপিকে সংগঠিত করতে কাজ করছি: সাজ্জাদ হোসাইন ডাক জীবন বীমা, চট্টগ্রামের ইনহাউজ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে পার্কভিউ হাসপাতালে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি বোয়ালখালীতে আগুনে পুড়ল ঘরবাড়ি, রক্ষা পেল না টাকা-স্বর্ণ পটিয়ায় আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের ৭৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত পটিয়ার মহাজন হাটে সিএনজি শ্রমিকদের অবস্থান ধর্মঘট যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ১১৫১ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট