1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিশ্ব বন্ধু ৯৪ এর কার্যকরী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদ’র পরিচিতি সভা ও দায়িত্ব গ্রহণ অনুস্ঠান সম্পন্ন ইউএই প্রবাসীদের নানা সংকট নিরসনে কনসাল জেনারেলকে স্মারকলিপি দিল এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে লোহাগাড়া সমিতি চট্টগ্রামের উদ্যোগে ২০০ বান ঢেউ টিন বিতরণ ফটিকছড়ি জনকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ভূজপুরের নিহত দুই কৃষক পরিবারের মাঝে মানবিক সহায়তা প্রদান। ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হওয়ার ঘটনায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী’র যৌথ সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত নতুনব্রিজে তল্লাশির মুখে গাড়ি ফেলে পালাল চক্র, উদ্ধার ১৫ লাখ টাকার বিদেশি মদ শিল্প ও সমাজসেবায় অবদানের স্বীকৃতি গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড পেলেন আলহাজ্ব আবুল বশর আবু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মাইক্রোপ্লাস্টিক: প্লাস্টিকের অদৃশ্য কণায় দৃশ্যমান স্বাস্থ্যঝুঁকি – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া রাজনীতিতে ট্যাগিং সংস্কৃতি: গণতন্ত্র চর্চার এক নীরব চ্যালেঞ্জ -মহিউদ্দীন কাদের

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ১০৩৯ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট