1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
দুর্গাপূজায় কালিকা প্রসাদ স্মরণে রঙিনের কণ্ঠে ‘ঢাকের বোলে বাংলা দোলে’ মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান আলোকবর্তিকা মানব উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নাগরিক গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ১১ বছরে মাহফুজা, ৯ বছরে ইসরার-শৈশবেই পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন নেত্রকোনায় সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা, তৃণমূল প্রেস সোসাইটির নিন্দা মাল্টিপল ডিস্ট্রিক্টের জয়েন্ট ট্রেজারার নির্বাচিত হওয়ায় লিও অভি আলম তুহিনকে সংবর্ধনা সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে জে এম সেন হল পূজা মণ্ডপে সার্ক মানবাধিকার ফাউন্ডেশন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে লায়ন্স ও লিও ক্লাব ক্লাসিকের শিক্ষা, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ আহবায়ক, এডভোকেট আরমান আজাদ সদস্য সচিব; পটিয়া উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন পটিয়ায় কাজ করতে গিয়ে পড়ে আহত কিশোরের মৃত্যু, শোকের ছায়া পরিবারে শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় পরিবারগুলোর মুখে হাসি ফোটাতে পাশে দাঁড়িয়েছে সামাজিক সংগঠন প্রয়াস

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ১১৮৯ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট