1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামের ৬৮ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিল হতে চলছে শ্রীপুরে এসএসসি ব্যাচ ৯৪ বন্ধুদের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত। আব্দুল মাবুদ সওঃ রোড দোকান মালিক সমবায় সমিতি লিঃ কার্যকরী পরিষদের সাধারণ সভা সম্পন্ন পটিয়ায় হাজী আবদুস সাত্তার ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। চট্টগ্রামে মৌসুমি ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চাটগাঁইয়া নওজোয়ান-এর জমকালো ‘ফ্যামিলি নাইট’ অনুষ্ঠিত ঢাকায় CLUB 94 BD এর উদ্যোগে আরিফ জামানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত রিহ্যাব সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারম্যান হলেন গাফ্ফার মিয়াজী প্রান্তিক ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের নতুন কার্যকরী কমিটি গঠিত চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. কনক, সেক্রেটারি দেবাশীষ ‘বাংলাদেশ সিআইপি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন ইউএই’-এর আত্মপ্রকাশ; ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন, সরকারের কাছে বিনিয়োগ প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৯৯১ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট