1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জননেতা জহুর আহমেদ চৌধুরী ছিলেন বাঙালী ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ- তসলিম উদ্দীন রানা পটিয়ায় শিশু জায়ান হত্যা মামলার প্রধান আসামি নিহার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি। লায়ন্স জেলা গভর্নরের শুভ যাত্রায় কর্ণফুলী এলিটের সেবার অঙ্গীকার বোয়ালখালী পৌরসভার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা চিঠি পত্র: মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমদ (চট্টগ্রাম ১৪) এর প্রতি আকুল আবেদন। অবৈধ ও নকশাবহির্ভূত নির্মাণের অভিযোগে চট্টগ্রামের বাকলিয়া কল্পলোক আবাসিকে ৭টি ভবন সিলগালা চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় মোঃ নুরুল ইসলামকে সংবর্ধনা রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব চিটাগং সেন্ট্রালের ২০২৬-২৭ বর্ষের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত সাবেক বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্মকর্তা মরহুম আমিন শরীফ বাড়ী রাস্তা উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন সমাজসেবক আবদুস সালামের মায়ের ইন্তেকাল বিভিন্ন মহলের শোক প্রকাশ

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৯৯৪ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট