1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মারকাযুল কুরআন ওয়াসসুন্নাহ একাডেমির কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন আইফোনের লোভেই খুন কুবি শিক্ষকের একমাত্র ছেলে! লালমাই পাহাড়ে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘাতক আটক। মহামুনি তরুণ সংঘের ২০২৬-২৭ কার্যকরী পরিষদের অভিষেক সম্পন্ন চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রকৌশলী এ এম কামাল উদ্দিন চৌধুরী দেশকে এগিয়ে নিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে প্রয়াস ব্রিকসের উত্থান, বিশ্বব্যবস্থার পরিবর্তন ও বাংলাদেশের অবস্থান -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া নতুন কর্মসূচি ঘোষনা পটিয়ায় মানবতার বন্ধনের সভা অনুষ্ঠিত মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করছেন আসক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি লায়ন ফরহাদুল হাসান মোস্তফা বোয়ালখালীতে জটিল রোগে আক্রান্ত রোমানের পাশে জ্যৈষ্ঠপুরা প্রবাসী ঐক্য পরিষদ ডেঙ্গু প্রতিরোধে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কে আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের পরিচ্ছন্নতা অভিযান। ফটিকছড়িতে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ভূজপুর আস্সুফ্ফাহ মাদ্রাসার সাফল্য

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ১১০৯ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট