1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সাম্প্রতিক প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মিরসরাই ট্র্যাজেডিতে নিহতদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৩৯ : চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায়১০ লাখ মানুষ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে নিরলস মানবিক মানুষ নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান। সাতকানিয়ায় চারদিকে বন্যার পানি,কবর দেওয়ার মত জায়গা নেই, কলাগাছের ভেলায় ভাসিয়ে দাফন! ভয়াবহ বন্যায় ভেসে যাচ্ছে দক্ষিণ চট্টগ্রাম: মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী প্রাকৃতিক দূর্যোগ বন্যা মোকাবেলায় করণীয় ও সচেতনতা -মহিউদ্দীন কাদের বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে মানবিক সহায়তার হাত বাড়ালেন এস. এম. আহসানুল কবির চৌধুরী (টিটু) পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাংলাদেশসহ ৭ দেশকে সুখবর দিল সৌদি, মিলবে ৪৮ ঘণ্টায় সুবিধা

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ১০১১ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট