1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং প্রগ্রেসিভ ওয়েস্ট’র ২০২৬-২৭ সেবাবর্ষের কমিটি গঠন কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ (সিআরবি)-এর কেন্দ্রীয় জাতীয় প্রোগ্রাম সমন্বয়ক হলেন সংগঠক মোহাম্মদ আলী শিশু মৃত্যুতে আমাদের কোনো দায় নেই:- সাজিনাজ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পটিয়ার মানবিক চিকিৎসক ডা. পুলক আইচের পরলোকগমন। গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ১৪ বছরে নাগরিক ঐক্য: মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী সামাজিক মাধ্যমে অভিযোগ, কনস্যুলেট বলছে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ পটিয়া আমির ভান্ডার দরবার শরীফে হাজী মোহাম্মদ আবুল বশর সি,আই,পির পক্ষে অনুদান প্রদান আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের উদ্যোগে চট্টগ্রামে বাবা দিবস ও ফল উৎসব অনুষ্ঠিত। এক হাত-এক পা হারিয়ে লড়াই,মৃত্যুর পর চার কন্যাসন্তান নিয়ে অসহায় পরিবার। জায়ান হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন, আবেগঘন বক্তব্যে কাঁদালেন মা।

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৯৮৯ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট