1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে পবিত্র রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন বোয়ালখালীতে প্রাইভেট পড়ানোর আড়ালে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার আলোকিত সমাজগঠনের এক নীরব স্থপতি- হযরত আবু মোহাম্মদ মোস্তাক বিল্লাহ (রহ) -সৈয়দ মিয়া হাসান রেডিসন ব্লু-তে আসক ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম বিভাগের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ইফতার মাহফিলের প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ৪ এপ্রিল পরিদর্শনে উর্ধতন কর্মকর্তারা সীতাকুণ্ডে জিপিএইচ ইস্পাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার দীপেন দেওয়ান চন্দনাইশে গৃহবধূ মুক্তার হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে হলে বিভেদ নয়, সম্মিলিত প্রচেষ্টা হতে হবে – এরশাদ উল্লাহ এমপি ইদের আগে সরকারি বেতন দ্রুত দেওয়ার ঘোষণা দুবাইয়ের ক্রাউন প্রিন্সের

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ৯০১ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট