1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
 HSC এর পর দ্বিধাদ্বন্দ্ব: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নাকি Study Abroad? চট্টগ্রামে ‘Talent Hunt 2026’:১০০-এর অধিক যুবকের কারিগরি প্রশিক্ষণে এনরোলমেন্ট ও প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির উদ্যোগ শিমুল বড়ুয়ার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন পটিয়ার সন্তান সাজ্জাদ হোসেন মৃত্যুঞ্জয়ী মৌলভী সৈয়দ শুধু বীরের নাম নয় ইতিহাস- তসলিম উদ্দীন রানা জাতীয় পর্যায়ের মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চিটাগং চকরিয়ায় পাহরচাঁদা মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় শতভাগ পাসের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ, জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই শিক্ষার্থী ‘ভূজপুর ট্রাজেডি’র মামলা প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছে ভূজপুর মজলুম ঐক্য পরিষদ পটিয়ায় শাহ্ আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা আমিনুল হক তালুকদারের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জামেয়া মহিলা কামিল মাদরাসার দাখিল-২৬ পরীক্ষায় ঈর্ষনীয় সাফল্য অব্যাহত ৬১ জন A+

সঙ্গদোষে তৈরি হচ্ছে কিশোর গ্যাং। বাঁচাও কিশোর, বাচাঁও দেশ ! -নেছার আহমেদ খান

  • সময় সোমবার, ৭ জুন, ২০২১
  • ১০৫৭ পঠিত

উপসম্পাদকীয়ঃ

১৬-২৩ বয়স কে বলে কিশোর গ্যাং। এক আতঙ্কের নাম। এই সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কোমলমতি শিশু-কিশোরদের একটি অংশ।

মহামারি করোনার চেয়ে তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর সব অপরাধ। সম্প্রতি পাবজিসহ বেশ কিছু গেম খেলায় প্রতিক্রিয়ায় হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে। মাদকের সহজলভাতাও অনেকাংশে দায়ী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপব্যবহারের ধ্বংস করে দিচ্ছে আগামী প্রজন্ম। এর এর পিছনে রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা বড় সমস্যা। প্রভাবশালীদের মদদ, মাদক, দুর্বল পারিবারিক বন্ধন। প্রযুক্তির অপব্যবহার, হিরোইজম প্রবণতা, ও প্রবণতা অর্থের লোভ। আমি মনে করি প্রশাসনিক আইন দিয়ে কিশোর গ্যাং দমন করা সম্ভব না, যতক্ষণ পর্যন্ত রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা থেকে কিশোর গ্যাং বাঁচতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত যে ভাবে কিশোর গ্যাং দেশে বাড়তে থাকবে। রাজনীতি কোন্দল আধিপত্য বিস্তার গুলি কিশোর গ্যাং নিয়ে প্রতিষ্ঠা করে।
কিশোরদের কর্মকাণ্ড নিয়ে সবাই উদাসীন মা-বাবা উদাসীন। এই উদাসীনতা সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে কিশোর গ্যাং। অথচ এসব নিয়ে অভিভাবক এলাকার লোকজন প্রশাসন ও
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীসহ সবাই যদি সিরিয়াস হয় তাহলে এই গুলো দমন করা কোন ব্যাপার না।
গ্যাং তো বন্ধ করাই যায়। গ্রামে এবং শহরের কোন এলাকায় কে বা কারা গ্যাং তৈরি করছে তাদেরকে খুঁজে বের করা, তাদেরকে কাউন্সেলিং করা কোন ব্যাপার না। যদি পরিবার পরিজন অভিভাবক, সমাজের জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিধি, ও প্রশাসনসহ আন্তরিক ভাবে উদাসীনতার উর্ধে উঠে তাহলে কিশোর গ্যাং অতিদ্রুত বন্ধ করা সম্ভব।
আসুন সবাই এক মিলেমিশে এক সাথে সামাজিক আন্দোলন গাড়ে তুলি।
লেখকঃ সমাজকর্মী ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট