শহিদুল ইসলাম, সিলেট:
ঈদ পরবর্তী টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে ঘরবন্ধি দিন মজুর কর্মহীদের মাঝে সিলেটের বিভিন্ন স্থানে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) এর ভারপ্রাপ্ত মেয়র তৌফিক বক্স লিপন সিসিক এর বিভিন্ন এলাকায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
সিলেটে টানা বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সিলেট শহরসহ আশপাশের উপজেলাগুলোতে ক্রমাগত পানি বাড়ছে। গত সোমবার বিকেল থেকে হঠাৎ করে সুরমা নদীর পানি বাড়ায় আতঙ্কের মধ্যে রাত পার করেছেন সিলেট নগরীর কয়েক হাজার মানুষ।
গত বুধবার সকালে নগরীর বেশ কয়েকটি এলাকার রাস্তাঘাট ইতোমধ্যে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। অনেক বাসাবাড়িতে পানি প্রবেশ করেছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীরা পানি মাড়িয়ে তাদের গন্তব্যস্থলে ছুটছেন। আজ ভোর থেকে দেখা গেল পানি আরো বেড়েছে উপশহর এলাকার বেশিরভাগ নিচতলায় বাসাগুলোতে পানি প্রবেশ করেছে। শেষ রক্ষা হচ্ছেনা ঘরের আসবাবপত্রসহ অনেক জিনিস। তিনি আরো জানান, রাস্তাঘাটে পানি বাড়ায় গন্তব্যস্থলে যেতে দেরি হচ্ছে।ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে অনেককে। অনেকে নির্ঘুম সারা রাত কাটাচ্ছেন।
সিলেট জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, সিলেটের নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এটি দুশ্চিন্তার কারণ। ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আর সেই পানি উজান বেয়ে বাংলাদেশে আসছে। যদি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে বৃষ্টি না কমে, তবে এই পানি কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।টানা বর্ষণ আর ঢলের কারণে সিলেটের সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ১.৫ মিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর ভারপ্রাপ্ত মেয়র তৌফিক বক্স লিপন বলেন, আমরা জনগনের পাশে আছি, থাকবো। ইতিমধ্যে সিলেট নগরীর যেসব এলাকাগুলো বন্যা প্রলাবিত হয়েছে আমরা সেসব এলাকাগুলোর গরীব অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছি। জনগনকে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ ধৈর্যের সাথে মোকাবিলা করার আহবান জানান।
Leave a Reply