1. bappy.ador@yahoo.com : admin :
  2. chattogramerkhobor@gmail.com : Admin Admin : Admin Admin
রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দীন। আনোয়ারার শিব ঠাকুর ও শীতলা মায়ের মন্দিরের বাৎসরিক মহোৎসব সম্পন্ন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বনভোজন দৈনিক সকালের সময়ের প্রীতি সম্মিলনী এশিয়ান আবাসিক স্কুলের সাফল্য ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে রাকিব বাকলিয়ায় মাদকাসক্ত মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের আঘাতে নৈশ প্রহরী খুন বরইতলী সমাজ উন্নয়ন ফোরাম’র আয়োজনে সাধারণ জ্ঞান, কোরআন প্রতিযোগিতা ও ইসলামী সম্মেলন সম্পন্ন আনোয়ারায় মাটি কাটার দায়ে দেড় লাখ টাকা জরিমানা গ্রীন বাডস স্কুল এন্ড কলেজে প্রশিক্ষণ কর্মশালা মাতামুহুরি স্পোর্টিং ক্লাব আয়োজিত ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনালে আবির স্পোর্টিং ক্লাব

১০ বছরের শিশুর হাতে বিদ্যুৎ খেকো অটোরিকশা

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ আগস্ট, ২০২২
  • ৪৯ পঠিত

মনিরুল ইসলাম রিয়াদঃ

১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু কিশোর‘রা প্রকাশ্যে শহর এবং আশেপাশের এলাকায় বেপরোয়া গতিতে চালাচ্ছে অটোরিকশা।অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও অদক্ষ শিশুরা যান্ত্রিক যান চালনায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ার পাশপাশি শিশুশ্রম আইনও লঙ্ঘিত হচ্ছে।জানা গেছে, ৮০ শতাংশ গ্যারেজেই নিষিদ্ধ এসব অটো বাইকের ব্যাটারি চার্জ করতে ব্যবহার করা হচ্ছে অবৈধ বিদ্যুৎ লাইন।সাধারণত একটি ইজিবাইকের জন্য চার থেকে পাঁচটি ১২ ভোল্টের ব্যাটারি প্রয়োজন।আর প্রতি সেট ব্যাটারি চার্জের জন্য গড়ে ৯০০ থেকে ১১০০ ওয়াট হিসেবে পাঁচ থেকে ছয় ইউনিট (দিনে বা রাতে কমপক্ষে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা) বিদ্যুৎ খরচ হয়।সে হিসেবে জেলার প্রায় ৫০ হাজার ইজি বাইক বা ব্যাটারিচালিত রিকশা চার্জের জন্য জাতীয় গ্রিড থেকে প্রতিদিন অন্তত ৫৫ মেগাওয়াট এবং মাসে ১ হাজার ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হওয়ার কথা।কিন্তু ৮০ ভাগ গ্যারেজে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এ সব ব্যাটারি রিচার্জ করায় সরকার প্রায় ১ হাজার ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।তবে ভাড়া অন্যান্য যানের চেয়ে তুলনামূলক কম হওয়ার কারণে মূল শহরে এবং তার বাইরে এখন যাত্রীদের প্রধান বাহনে পরিণত হয়েছে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও রিকশা।আর এগুলোর বেশির ভাগ চালকই সামান্য অর্থের বিনিময়ে অবৈধভাবে বৈদ্যুতিক লাইন থেকে গাড়িগুলোতে চার্জ করিয়ে নিচ্ছেন।তারা এই গাড়িগুলো যে গ্যারেজে রাখছেন সে জায়গা থেকেই রাতভর একটি গাড়ির শুধু চার্জের জন্য গ্যারেজ মালিককে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে দিচ্ছেন।এসব গ্যারেজে ব্যাটারি চার্জ দিতে গিয়ে অনেক বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়।যে কারণে গ্যারেজ মালিকরা খরচ কমিয়ে বাড়তি টাকা আয়ের জন্য অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে থাকে।ব্যাটারি চালিত এক রিকশা চালক মনিরুল ইসলাম জানায়, সকাল হলেই রিকশা নিয়ে মহাসড়কে বের হতে হয়। তিনি বলেন, আমিত আর অন্য কোন কাজ জানি না তাই রিকশা নিয়েই বের হতে হয়। মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত রিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে সে জানায়, সেটা আমরা যারা রিকশা চালাই তারা সকলেই জানি। তবে মাঝে মধ্যে ট্রাফিক পুলিশ ধরে ফেলে।তখন বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে ছাড়াতে হয়। কত টাকা দিতে হয় এমন প্রশ্নের জবাবে মনিরুল জানায়, কখনও দুই হাজার, আবার কখনও এক হাজার টাকা দিলেই ছাড়াতে হয়।এই বিষয়ে বাকলিয়া ট্রাফিক বিভাগের টিএ মুকিত এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন আমদের অভিযান চলমান।কিছুক্ষন আগেও তিনটা অটোরিকশা ও বেশ কিছু গ্রাম সিএনজি ট্রু করেছি।আমরা চেষ্টা করেছি অচিরেই সুফল পাবে চট্টলাবাসী।বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার ট্রাফিক বিভাগের অক্সিজেন ট্রাফিক ইনচার্জ টিআই’র সাথে অবৈধ নিষিদ্ধ অটোরিকশা ও গ্রাম সিএনজি নিয়ে কথা বললে তিনি প্রথমে এড়িয়ে যেতে চান।একই সময় ফোনালাপে বাংলা বাজার লিং রোডে যখন একাধিক দুর্ঘটনা ও মৃত্যু নিয়ে টিআই’র সাথে ফোনালাপে বলেন মহামান্য আদালতের নিষিদ্ধ থাকা ও ১০ থেকে ১৫ বছরের কিশোরদের দিয়ে অটো রিকশা ও সিএনজি লাইসেন্সবিহীন তুলে দিচ্ছে টাকার বিনিময় টোকেন বাণিজ্য চাঁদাবাজরা ঠিক তখনই প্রতিনিয়ত হচ্ছে দুর্ঘটনা নেই কিশোর-কিশোরীদের কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স’ দুর্ঘটনায় মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রতিবেদককে জানান তিনি এলাকায় কর্মরত আছেন দীর্ঘ সাত মাস মাস।ব্যাটারি রিকশাগুলো প্রশাসনের পক্ষ থেকে জিরো টলারেন্সে এই নিয়ে তিনি উনার ভাষ্যমতে গাড়িগুলোকে আমরা মেইনরোড উঠতে দেই না।এই বৃহত্তর এলাকা কন্ট্রোল করার মত জনবল বা আমাদের কাছে অতিরিক্ত ফোর্স না থাকায় যা আমাদের সাধ্যের মধ্যে নেই।আমি এখানে জয়েন করার পর থেকে ৫০০ থেকে ৬০০ অবৈধ অটোরিকশা ও অবৈধ গ্রাম সিএনজি আটক করতে সক্ষম হই এবং এই অভিযান চলমান রয়েছে।ছিন্নমূল এলাকায় অটোরিকশার ব্যাপারে আমাদের বিশেষ নজর রয়েছে এবং ডেবার পাড়, জামতলা এবং লিংক রোডে রুটগুলোতে আমরা বিশেষ কোনো কাজে গেলে আমাদের চোখের সামনে অটোরিকশা পড়লে আমরা এই অটোরিকশার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করি।আমি প্রাক্তন টিআই মঞ্জুর ভাই এর পরে উক্ত ফাঁড়িতে জয়েন করি। এই বৃহৎ এরিয়া কাভার করতে গেলে আমাদের একজন সার্জেন্টের সাথে একজন বা দুইজন সহযোগিতা প্রয়োজন যেটা তুলনামূলকভাবে অনেক কম।তাই এই বৃহৎ এরিয়া যদি আমরা প্রতিনিয়ত ধরতে যাই তাহলে আমাদের পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ দরকার,বাকলিয়া থানা সচেতন নাগরিক মহলের সাবেক কারা পরিদর্শক হাজী আবদুল মন্নান বলেন অদক্ষ ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক লোকদের হাতে এই দ্রুত যানটি তুলে দেয়ার কারনেই প্রতিনিয়ত হচ্ছে দুর্ঘটনা।যারা এই অটোরিকশা পরিচালনা করছেন তাদের উচিত এই বিষয়টির উপর নজর দেয়া।চকবাজার থানা সচেতন নাগরিক লায়ন আবু সালেহ প্রতিবেদককে জানান, মহাসড়কে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।এরপরও মহাসড়কে অটোরিকশা উঠছে।এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয় না।এসব রিকশা অটোরিকশা ধরা হলেও চালকদের কাছ থেকে র‌্যাকার বিল রেখে আবার ছেড়েও দেয়া হয়।তিনি জানান, মহাসড়কে চলাচলরত নিষিদ্ধ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা ধরে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কিংবা তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করলে অনেকটাই কমে যেত।তারা মহাসড়কে উঠতে সাহস পেত না এমনটাই প্রশাসনের প্রতি সুপারিশ করেন তিনি।তবে এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার পেছনে রয়েছেন পিডিবি‘র অসাধু কর্মকর্তারা।তবে সাধারণ মানুষের মতে, যেখানে বিদ্যুতের ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে সেখানে এই যানগুলোতে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার বিদ্যুতের অপচয় ছাড়া আর কিছুই না। চট্টগ্রাম পিডিপির বিদ্যুৎ বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি জানান,ব্যাটারি রির্চাজের একটা আইন করা আছে।যদি গ্রাহক বৈধভাবে সংযোগ নিতে চাইলে তাতে কোন প্রকার বাধা নেই। অবৈধ লাইন কেউ যদি নিয়ে থাকে দ্রুত তিনি ব্যাবস্থা নিবেন বলেন আশা প্রধান করেন।তবে সাধারন জনগন বলছেন,বিদ্যুৎ বিভাগের উচিত স্পেশাল টাস্কফোর্সের মাধ্যমে এসব বিদ্যুৎ চুরি বন্ধ করা অথবা সরকারের বিশেষ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অটোরিকশার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট