
অরুণ নাথ : বুদ্ধিজীবীদের হত্যার মাধ্যমে হানাদার বাহিনী বাঙালীর আত্ম পরিচয় বিলুপ্ত করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু বাঙালীর সৌর্য্য এবং ত্যাগের কাছে তারা পরাস্থ হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে যারা খাটো করতে চাই তারা মীর জাফরের বংশধর। তারা অর্বাচীন মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করার জন্য মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নিয়ে অহেতুক বির্তক সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। দেশের সকল বিবেকবান এবং স্বাধীনচেতা নাগরিকবৃন্দকে এই অপচেষ্টা রুখে দিতে হবে।
আজ ২৫ মার্চ বুধবার বিকেলে সঙ্গীত পরিষদের মাঠে পরিষদ আয়োজিত ‘কালরাত্রি’ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তাগণ উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। পরিষদের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান। মূখ্য আলোচক ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক সুভাষ দে। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পরিষদের সম্পাদক তাপস হোড়, সহ সভাপতি রোটা: মীর নাজমুল আহসান রবিন, সদস্য রোটা: ওমর আলী ফয়সাল, অধ্যক্ষ শিমুল বড়ুয়া, মুক্তিযোদ্ধা দেওয়ান মাকসুদ, মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিষদের সদস্য অধ্যাপক দেবাশিস্ রুদ্র। সঞ্চালনায় ছিলেন শিক্ষক প্রিয়ম কৃষ্ণ দে।
বক্তাগণ বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধ আমাদের প্রেরণা হিসেবে কাজ করে। সে আদর্শকে ধারণ করে সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে আজ সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে সভা শেষ হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে পরিষদের ছাত্র-ছাত্রীরা দেশাত্মবোধক ও মুক্তিযুদ্ধের গান পরিবেশন করে। সঙ্গীতানুষ্ঠান পরিচালনা করেন পরিষদের শিক্ষক অন্তরা দাশ, বনানী চক্রবর্তী, অধ্যাপক পিন্টু ঘোষ, দীপ্ত দত্ত, হ্যাপী ঘোষ, অভিষেক দাশ, সেতু ধর, পলাশ চক্রবর্তী, শিউলি মজুমদার, অধ্যাপক সুচিত্রা চৌধুরী, দেবাশীষ দাশ, মৌসুমী কর প্রমুখ।
Leave a Reply