1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়া আলমদার পাড়ায় মাইজভান্ডারী হক কমিটির উদ্যোগে তিন কন্যার বিয়েতে আর্থিক অনুদান। ২৫ বছর ধরে কলা বিক্রি করে পরিবারের হাল ধরেছেন পটিয়ার প্রতিবন্ধি নাছির। আনোয়ারার চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি পটিয়ায় গ্রেফতার। পটিয়ার খরনায় বাড়ির ছাদে আঙ্গুর ও ডালিম চাষে সফলতা এম আজিজের। পাওনা টাকার লিখিত স্ট্যাম্প হাতিয়ে নিতেই আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যাঃ অভিযোগ গৃহকর্তার আমরা কি সত্যিই আমাদের ঘরে থাকি? -মুনিরা ইউসুফ মেমী পানিতে ডুবে মৃত্যু কারও কাম্য নয় -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ রেমিট্যান্সের প্রশংসা দেশের অর্থনীতির নীরব নায়ক প্রবাসীরা আজ কতটা নিরাপদ? মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী এডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন: সমাজ পরিবর্তনের এক কৃতি পুরুষ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় পটিয়া পৌরসভায় ১০০০ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন।

২৫ বছর ধরে কলা বিক্রি করে পরিবারের হাল ধরেছেন পটিয়ার প্রতিবন্ধি নাছির।

  • সময় সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৩৬ পঠিত

 

আলমগীর আলম, পটিয়া।

পটিয়া পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বারেক মিস্ত্রি বাড়ীর বাসিন্দা মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন (৫০)। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, দারিদ্র্য এবং নানা রোগব্যাধির সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করেও থেমে যাননি তিনি।
ভিক্ষাবৃত্তির পথ বেছে না নিয়ে গত ২৫ বছর ধরে কলা বিক্রি করে সততার সঙ্গে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন।
মৃত আবদুল হাকিম ও মৃত আলমাস খাতুনের একমাত্র সন্তান নাছির উদ্দীন। একসময় তিনি হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন এলাকায় কলা বিক্রি করতেন। কিন্তু একটি দুর্ঘটনায় পায়ে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এরপর থেকে তিনি এক জায়গায় বসেই ক্ষুদ্র পরিসরে কলা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন।
বর্তমানে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে তার সংসার। অল্প আয়ের এই ব্যবসা দিয়ে সংসারের খরচ চালানো, সন্তানদের লেখাপড়ার ব্যয় বহন করা এবং নিজের চিকিৎসার খরচ মেটানো তার জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে উঠেছে।
তবুও জীবনের কঠিন বাস্তবতার কাছে হার না মেনে প্রতিদিন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, “আমার দুই সন্তান ও স্ত্রী রয়েছে।
সংসারের খরচ এবং ছেলেদের পড়ালেখার ব্যয় বহন করতে খুব কষ্ট হয়। পরিবারের উপার্জনের আর কেউ নেই।
আমি প্রতিবন্ধী হয়েও কারও কাছে হাত পাতিনি। হালাল উপার্জনের জন্য ২৫ বছর ধরে কলা বিক্রি করে আসছি।
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন এবং যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।”
পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আকতার হোসেন বলেন নাছির উদ্দীন একজন পরিশ্রমী ও আত্মমর্যাদা বোধ সম্পন্ন মানুষ।
শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও তিনি কখনও ভিক্ষাবৃত্তিকে বেছে নেননি। বরং সততা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবারকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন।
তবে বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে তার মতো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবনযাপন আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি এবং মানবিক সংগঠনগুলোর সহায়তা পেলে নাছির উদ্দীনের পরিবার কিছুটা স্বস্তি পাবে বলে মনে করছেন তিনি। সংগ্রামী এই মানুষটির পাশে দাঁড়ানো সমাজের মানবিক দায়িত্ব বলেও তারা মন্তব্য করেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট