
আলমগীর আলম,পটিয়া।
পটিয়া উপজেলার খরনা এলাকার বাসিন্দা ও পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতের জুনিয়র আইনজীবী এ এম আজিজ শখের বসে বাড়ির ছাদে আঙ্গুর, ডালিমসহ বিভিন্ন ফলের চাষ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
কৃষি বিষয়ে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ না থাকলেও দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে নিজ উদ্যোগে ছাদবাগান করে তিনি সফলতা অর্জন করেছেন।
জানা যায়, পটিয়ার খরনা ফকিরপাড়ার বাসিন্দা আবদুল হাকিম ও মরিয়ম বেগমের ছেলে এ এম আজিজ ছোটবেলা থেকেই গাছ পালার প্রতি আগ্রহী ছিলেন।
সেই আগ্রহ থেকেই তিনি বাড়ির ছাদে টবে বিভিন্ন জাতের ফলগাছ রোপণ শুরু করেন।
বর্তমানে তার ছাদবাগানে আঙ্গুর, ডালিম, পেয়ারা, আম, পেঁপেসহ নানা জাতের ফলের গাছ রয়েছে।
তিনি দেশের উত্তরাঞ্চল ও বাঁশখালীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে উন্নত জাতের ফলগাছ সংগ্রহ করে টবের মাধ্যমে রোপণ করেন এবং নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে ফল উৎপাদনে সফলতা অর্জন করেন।
তার ছাদবাগানে উৎপাদিত আঙ্গুর ও ডালিম স্থানীয়দেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।
এ এম আজিজ বলেন, “শখের বসেই আমি বাড়ির ছাদে ফলের বাগান করেছি। নিয়মিত পরিচর্যা ও আগ্রহ থাকলে ছাদবাগান থেকে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব। ফল চাষ করতে খুব বেশি কষ্ট হয় না।
প্রতিদিন বিভিন্ন ফলের গাছ ও ফল দেখে আমি আনন্দ পাই। কেউ ছাদবাগান করতে চাইলে আমি সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।”
তিনি আরও বলেন, ছাদবাগান শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সীমিত জায়গা ব্যবহার করে নিরাপদ ও তাজা ফল উৎপাদনের এটি একটি কার্যকর উপায়।
আইনজীবী এডভোকেট নুরুল ইসলাম জানান, আইন পেশায় কাজের পাশাপাশি এ এম আজিজের ছাদবাগান অনেকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছে।
তার সফলতা দেখে এলাকার অনেকেই এখন নিজেদের বাড়ির ছাদে ফল ও সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন নগর ও আধা-নগর এলাকায় ছাদবাগান পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আর এ ক্ষেত্রে পটিয়ার এ এম আজিজের উদ্যোগ অন্যদের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ।
Leave a Reply