1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
পাওনা টাকার লিখিত স্ট্যাম্প হাতিয়ে নিতেই আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যাঃ অভিযোগ গৃহকর্তার আমরা কি সত্যিই আমাদের ঘরে থাকি? -মুনিরা ইউসুফ মেমী পানিতে ডুবে মৃত্যু কারও কাম্য নয় -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ রেমিট্যান্সের প্রশংসা দেশের অর্থনীতির নীরব নায়ক প্রবাসীরা আজ কতটা নিরাপদ? মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী এডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন: সমাজ পরিবর্তনের এক কৃতি পুরুষ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় পটিয়া পৌরসভায় ১০০০ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন। বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে মানবতার বন্ধন পটিয়ার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশে বড় ধরনের রদবদল চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আয়োজিত দাওয়াতে খায়র ইজতিমা সম্পন্ন ভারত আর বাংলাদেশের আকাশ, মাটি এক না; এটা ১৯৪৭ সালে ফয়সালা হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম

আমরা কি সত্যিই আমাদের ঘরে থাকি? -মুনিরা ইউসুফ মেমী

  • সময় রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬
  • ১৯ পঠিত

আজ একটা প্রশ্ন বারবার মাথায় ঘুরছে—
আমরা কি সত্যিই আমাদের ঘরে থাকি?
নাকি শুধু রাত কাটাতে সেখানে ফিরে যাই?
একসময় মানুষ নিজের ঘরের প্রতিটি কোণ চিনত। কোথায় চাবি, কোথায় ওষুধ, কোথায় পুরোনো চিঠি, আর কোথায় বসলে মনটা একটু শান্ত হয়—সব জানা ছিল। ঘর তখন শুধু ইট-পাথরের কাঠামো ছিল না, ছিল জীবনের অংশ।
আজ আমরা অনেক বড় বাড়ি বানাই।
বড় ড্রয়িংরুম, বড় ডাইনিং, বড় বেডরুম।
কিন্তু প্রশ্ন হলো—এই বড় হওয়ার ভেতরে আমরা নিজের জন্য কতটুকু জায়গা রেখে দিয়েছি?
সারাদিন দৌড়।
আরও আয়।
আরও সাফল্য।
আরও সুবিধা।
আরও বড় কিছু পাওয়ার চেষ্টা।
কিন্তু যে ঘরটার জন্য এত পরিশ্রম, সেই ঘরটাতেই আমরা সবচেয়ে কম সময় কাটাই।
পুরুষেরা একসময় সংসারের খুঁটিনাটি জানতেন।
নারীরা ঘরের প্রতিটি জিনিসের সঙ্গে মায়া জড়িয়ে রাখতেন।
এখন দুজনেই ব্যস্ত।
দুজনেই ক্লান্ত।
দুজনেই ছুটছি।
ফলে ঘর আছে, কিন্তু ঘরজুড়ে উপস্থিতি নেই।
অথচ সুখের সংজ্ঞা হয়তো এত জটিল নয়।
সুখ হয়তো নিজের বিছানায় নিশ্চিন্ত ঘুম।
সুখ হয়তো বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টির শব্দ শোনা।
সুখ হয়তো পরিবারের মানুষের সঙ্গে নির্ভেজাল কিছু মুহূর্ত।
সুখ হয়তো নিজের ঘরের নীরবতায় নিজেকে খুঁজে পাওয়া।
আমরা প্রাসাদ বানাতে শিখেছি,
কিন্তু আশ্রয় বানাতে কি শিখেছি?
আমরা ঘর সাজাতে শিখেছি,
কিন্তু ঘরে থাকতে কি শিখেছি?
আমরা জীবনের জন্য বাড়ি বানাই,
নাকি বাড়ির জন্য জীবন কাটিয়ে দিই?
আজ একটু থামি।
একটু চারপাশে তাকাই।
যে ঘরটার জন্য জীবনের এতটা সময়, এতটা শ্রম, এতটা স্বপ্ন ব্যয় করেছি—সেই ঘরটাকে আজ একটু সময় দিই।
কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষ তার সম্পদের কাছে ফিরে যায় না,
ফিরে যায় তার আশ্রয়ের কাছে।
আর আশ্রয় মানে শুধু একটা বাড়ি নয়—
আশ্রয় মানে সেই জায়গা, যেখানে মন শান্তি খুঁজে পায়।

ফেইসবুক ভেরিফাইড পেইজ হতে সংকলিত

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট