1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
২৫ বছর ধরে কলা বিক্রি করে পরিবারের হাল ধরেছেন পটিয়ার প্রতিবন্ধি নাছির। আনোয়ারার চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি পটিয়ায় গ্রেফতার। পটিয়ার খরনায় বাড়ির ছাদে আঙ্গুর ও ডালিম চাষে সফলতা এম আজিজের। পাওনা টাকার লিখিত স্ট্যাম্প হাতিয়ে নিতেই আনোয়ারায় মা-মেয়ে হত্যাঃ অভিযোগ গৃহকর্তার আমরা কি সত্যিই আমাদের ঘরে থাকি? -মুনিরা ইউসুফ মেমী পানিতে ডুবে মৃত্যু কারও কাম্য নয় -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ রেমিট্যান্সের প্রশংসা দেশের অর্থনীতির নীরব নায়ক প্রবাসীরা আজ কতটা নিরাপদ? মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী এডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন: সমাজ পরিবর্তনের এক কৃতি পুরুষ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় পটিয়া পৌরসভায় ১০০০ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন। বিশ্ব রক্তদাতা দিবসে মানবতার বন্ধন পটিয়ার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।

আনোয়ারার চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি পটিয়ায় গ্রেফতার।

  • সময় সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ২৫ পঠিত

পটিয়া প্রতিনিধি।

 

আনোয়ারা উপজেলার পড়ৈকোড়া ইউনিয়নের চেনামতি এলাকায় সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মা-মেয়ে হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় প্রধান আসামি রিমন বড়ুয়া ওরফে তেজু বড়ুয়া (পিতা: বেশান্ত বড়ুয়া, সাং- চেনামতি, আনোয়ারা, চট্টগ্রাম) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও ভিকটিমের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও আনোয়ারা থানা পুলিশের সমন্বয়ে একাধিক বিশেষ টিম গঠন করা হয়। মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে তদন্তকারীরা দিন-রাত তথ্য সংগ্রহ, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ, সন্দেহভাজনদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন।
তদন্তে জানা যায়, ঘটনার পর আসামি দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে আত্মগোপনের চেষ্টা করে। তাকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়। দীর্ঘ অনুসন্ধান, গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় গত রাতে পটিয়া থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ডিবি ও আনোয়ারা থানা পুলিশের যৌথ দল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। তার ভাষ্যমতে, ভিকটিমের বাড়িতে সংরক্ষিত সুজন বড়ুয়ার ঋণসংক্রান্ত স্ট্যাম্প চুরির উদ্দেশ্যে সে একটি ছুরি নিয়ে বাড়ির পেছনের দরজার বাইরে ওঁৎ পেতে ছিল। এ সময় এনি বড়ুয়া ঘর থেকে বের হয়ে তাকে দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আসামি তাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে মায়ের চিৎকার শুনে মেয়ে প্রিয়ন্তী বড়ুয়া ঘটনাস্থলে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়।
হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল ত্যাগের সময় আসামি ভিকটিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভিকটিমের বাড়ির পেছনের একটি খাল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পটিয়া রেললাইনের পাশের একটি ডোবা থেকে এনি বড়ুয়ার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, দুর্গম এলাকায় আত্মগোপন, আলামত গোপনের চেষ্টা এবং নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও পেশাদার তদন্ত, গোয়েন্দা নজরদারি ও সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই মামলার রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামিকে গ্রেফতার এবং গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার সম্ভব হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে তারা সর্বদা বদ্ধপরিকর। এ মামলার তদন্ত কার্যক্রম এখনও চলমান রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট