1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঘাসিয়ার পাড়া মডেল মহল্লা কমিটির কার্যকরী পরিষদের শপথ গ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন বিশ্ববন্ধু ৯৪ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা এস এম তোফাজ্জল হোসেনের জন্মদিন পালিত হালদা, খাদ্যনিরাপত্তা ও আমাদের নৈতিক সংকট -মোহাম্মদ আনাস প্রতি শুক্রবার অসহায় দিনমুজুরদের একবেলা খাবার খাওয়ান পটিয়ার নুরুল আলম সওদাগর। বিএনপি পরিবারকে ফাঁসাতে যুবলীগ নেতার ‘বিষপান নাটক, ১৭ বছরের জমি দখল, ব্ল্যাকমেইল ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন চিরকুট লেখার আগেই হত্যা করা হয়েছিল শিশু জায়ানকে, ক্ষোভে খুনিদের বাড়ি ঘর ভাংচুর জনতার। বান্দরবানের নীলগিরি অনাথাশ্রমে এপেক্সের যৌথ সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত। পটিয়ায় প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির ১৬ পূর্তি অনুষ্ঠানে গুণীজনের মিলনমেলা পটিয়ার জান্নাতুল নাঈম কবরস্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন। ২০২৬-২৭ বাজেটে চামুদরিয়া ওয়াই টাইপ সেতু বরাদ্দের জোর দাবি, অন্যথায় আমরণ অনশনের ঘোষণা

মাঠে ধান, মনে ত্রাণ—বাম্পার ফলনেও চিন্তায় নাইক্ষ্যংছড়ির কৃষক: সর্বনাশের শঙ্কা

  • সময় সোমবার, ৫ মে, ২০২৫
  • ৩৫৮ পঠিত

আনোয়ার হোছাইন,(নাইক্ষ্যংছড়ি) প্রতিনিধিঃ

বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু ধান কাটার ঠিক সময়টাতে বৈরী আবহাওয়া, হঠাৎ বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ধান ঘরে তোলার প্রক্রিয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। অনেক জায়গায় কাটা ধান শুকাতে না পেরে মাঠেই পড়ে থাকছে। এতে ধানের মান ও পরিমাণ—দু’টোই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সোমবার (৫ মে) সরেজমিনে উপজেলার বাইশারী, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর, দৌছড়ি, ঘুমধুমসহ কয়েকটি ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা ও আধাপাকা ধান গাছ ঝড়ের কারণে ঢলে পড়েছে। ধান কেটে রাখলেও রোদ না থাকায় শুকানো যাচ্ছে না, আবার বৃষ্টিতে ভিজে তা পঁচে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

বাইশারী’র করলিয়ামুরা এলাকার কৃষক মো. ছৈয়দ আলম কারবারি বলেন, “এবার জমিতে ধান অনেক হইছে, এমন ফলন বহু বছর পর দেখছি। কিন্তু ধান কাটা শুরু করতেই ঝড়-বৃষ্টি। শুকাইতে পারতেছি না, ঘরেও তুলতে পারতেছি না। সারাদিন ধান পাহারা দিয়া রাতেও টেনশনে ঘুমাইতে পারি না।”

দৌছড়ির এক কৃষক বলেন, “বৃষ্টির সময়টা শেষ মনে কইরা কাটা শুরু করছি। কিন্তু আচানক বৃষ্টি শুরু হইয়া গ্যাছে। যেই ধান শুকাইতে পারি নাই, সেগুলা মাঠেই পঁচতেছে।”

ঘুমধুম এলাকার আরেক কৃষক বলেন, “আমাগো পরিশ্রমের ফসল মাঠেই যদি নষ্ট হয়, তাহলেতো সর্বনাশ হয়ে যাবে। সরকার যদি সহায়তা করে, তাইলে আমরা কিছুটা বাঁচতে পারি।”

এবিষয়ে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.ইনামুল হক বলেন, “চলতি মৌসুমে উপজেলায় বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে। তবে শেষ সময়ে আবহাওয়ার যে আচরণ দেখা দিচ্ছে, তাতে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমরা কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার ও নিরাপদে সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়েছি। প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে, নাইক্ষ্যংছড়িতে ধানের ফলন এবছর আশা জাগালেও আবহাওয়ার প্রতিকূলতা কৃষকদের সামনে এক নতুন সংকট তৈরি করেছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই বাম্পার ফলনও শেষ পর্যন্ত কৃষকের লাভে পরিণত না হয়ে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কা স্থানীয়দের।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট