1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এপেক্স বাংলাদেশের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ ফাউন্ডেশন রাঙ্গামাটি জেলার আয়োজনে শাহাদাত বার্ষিকী আলোচনা মিলাদ অনুষ্ঠিত বাঘাইছড়িতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সম্মেলন অনুষ্ঠিত প্রতিকূলতা মোকাবেলা সক্ষমতা প্রমাণের পর আমিরাতে শিক্ষার্থীরা সশরীরে ক্লাস শুরু করেছে: দুবাই শাসক শেখ মোহাম্মদ চট্টগ্রাম জামেয়া কমিল মাদ্রাসায় ‘আরবি ভাষা চর্চায় দক্ষতা নির্ণয় সূচক অনুষ্ঠান- ২০২৬ অনুষ্ঠিত পটিয়ায় হামলায় গুরুতর আহত ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের মৃত্যু, থানায় মামলা। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে হজ ফ্লাইট উদ্বোধন ১৬ ফ্লাইটে ৬ হাজার হজযাত্রী সৌদি আরবের জেদ্দা যাবেন বাঘাইছড়ি উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে পরিক্ষা উপকরণ বিতরণ চট্টগ্রামে হাম-রুবেলার জরুরি টিকাদান শুরু ২০ মে ৭ লাখ ৬৭ হাজার শিশুকে টিকার লক্ষ্যমাত্রা চট্টগ্রামে বিশ্ব হিমোফিলিয়া দিবস পালিত

মাঠে ধান, মনে ত্রাণ—বাম্পার ফলনেও চিন্তায় নাইক্ষ্যংছড়ির কৃষক: সর্বনাশের শঙ্কা

  • সময় সোমবার, ৫ মে, ২০২৫
  • ৩৩৩ পঠিত

আনোয়ার হোছাইন,(নাইক্ষ্যংছড়ি) প্রতিনিধিঃ

বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কিন্তু ধান কাটার ঠিক সময়টাতে বৈরী আবহাওয়া, হঠাৎ বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে ধান ঘরে তোলার প্রক্রিয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। অনেক জায়গায় কাটা ধান শুকাতে না পেরে মাঠেই পড়ে থাকছে। এতে ধানের মান ও পরিমাণ—দু’টোই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সোমবার (৫ মে) সরেজমিনে উপজেলার বাইশারী, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর, দৌছড়ি, ঘুমধুমসহ কয়েকটি ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা ও আধাপাকা ধান গাছ ঝড়ের কারণে ঢলে পড়েছে। ধান কেটে রাখলেও রোদ না থাকায় শুকানো যাচ্ছে না, আবার বৃষ্টিতে ভিজে তা পঁচে যাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

বাইশারী’র করলিয়ামুরা এলাকার কৃষক মো. ছৈয়দ আলম কারবারি বলেন, “এবার জমিতে ধান অনেক হইছে, এমন ফলন বহু বছর পর দেখছি। কিন্তু ধান কাটা শুরু করতেই ঝড়-বৃষ্টি। শুকাইতে পারতেছি না, ঘরেও তুলতে পারতেছি না। সারাদিন ধান পাহারা দিয়া রাতেও টেনশনে ঘুমাইতে পারি না।”

দৌছড়ির এক কৃষক বলেন, “বৃষ্টির সময়টা শেষ মনে কইরা কাটা শুরু করছি। কিন্তু আচানক বৃষ্টি শুরু হইয়া গ্যাছে। যেই ধান শুকাইতে পারি নাই, সেগুলা মাঠেই পঁচতেছে।”

ঘুমধুম এলাকার আরেক কৃষক বলেন, “আমাগো পরিশ্রমের ফসল মাঠেই যদি নষ্ট হয়, তাহলেতো সর্বনাশ হয়ে যাবে। সরকার যদি সহায়তা করে, তাইলে আমরা কিছুটা বাঁচতে পারি।”

এবিষয়ে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.ইনামুল হক বলেন, “চলতি মৌসুমে উপজেলায় বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে। তবে শেষ সময়ে আবহাওয়ার যে আচরণ দেখা দিচ্ছে, তাতে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আমরা কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার ও নিরাপদে সংরক্ষণের পরামর্শ দিয়েছি। প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।”

এদিকে, নাইক্ষ্যংছড়িতে ধানের ফলন এবছর আশা জাগালেও আবহাওয়ার প্রতিকূলতা কৃষকদের সামনে এক নতুন সংকট তৈরি করেছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই বাম্পার ফলনও শেষ পর্যন্ত কৃষকের লাভে পরিণত না হয়ে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কা স্থানীয়দের।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট