1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
তারুণ্য সমাজ কল্যাণ ফাউন্ডেশন এর ২০২৬-২৮ সালের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন পার্কভিউ হাসপাতালে পেরিপার্টাম DIC ও মাল্টি-অর্গান ডিসফাংশন নিয়ে বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চট্টগ্রাম মহানগর জাসাসের শ্রদ্ধাঞ্জলি। বোয়ালখালীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ দুবাইয়ে চট্টগ্রামের দুই সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম ক্লাব ইউএইর নির্বাহী কমিটি ঘোষণা দুবাইয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৪১ সিআইপিকে সংবর্ধনা মিরসরাইয় উপজেলা শাখার আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজের ২০২৬-২০২৭ সালের প্রস্তাবিত কমিটি ঘোষণা। এনআরবি সিআইপি সম্মাননা পেলেন পটিয়ার হাজী মুহাম্মদ আবুল বশর লন্ডনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ ও গুণীজন সম্মাননা ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে সনদ পেলেন এম.এইচ.সোহেল

কর্নফুলীতে ‘ভাসমান গুদামে’ দুদকের অভিযান

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৬৬৩ পঠিত

 

মোঃ কায়সার , চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

রমজান মাসকে সামনে রেখে বঙ্গোপসাগরে ‘ভাসমান গুদাম’ তৈরি করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও মূল্য বাড়ানোর অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার চট্টগ্রাম বন্দরে দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন।
সমকালসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ‘সাগরে ভাসছে ৬০০ গুদাম, ছয় আমদানিকারকের জিম্মায় রোজার বাজার’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশের পর দুদক এ অভিযান পরিচালনা করে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রমজানকে সামনে রেখে ছয় বড় আমদানিকারকসহ একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট প্রায় ১০ লাখ টনের বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে অন্তত ৬০০টি লাইটার জাহাজ দেশের নদী ও সাগরে মাসের পর মাস ভাসিয়ে রেখেছে।
এসব জাহাজে গম, ভুট্টা, ছোলা, ডাল, সয়াবিন ও চিনির মতো খাদ্যপণ্য বহন করা হলেও সেগুলো ঘাটে খালাস না করে জাহাজেই আটকে রাখা হচ্ছে। এতে একদিকে লাইটার জাহাজের সংকট তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে বাজারে পণ্যের ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ জানান, রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি ও অসৎ উদ্দেশ্যে দাম বাড়ানোর অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। আমদানিকারকেরা ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘদিন লাইটার জাহাজ থেকে পণ্য খালাস না করে নদী ও সমুদ্রে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছেন।
অভিযানে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দপ্তরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করেন। স্বাভাবিক অবস্থায় একটি লাইটার জাহাজ যেখানে ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পরবর্তী ট্রিপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার কথা, সেখানে বর্তমানে অনেক জাহাজ ৩০ থেকে ৪০ দিন ধরে পণ্যবোঝাই অবস্থায় নদী ও সাগরে ভাসছে।
এ সময় নৌপরিবহন অধিদপ্তরের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনার বাস্তবায়ন নিয়েও অনুসন্ধান চালানো হয়। নৌ বাণিজ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে স্মারক নম্বর–৭১৩ মূলে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বরাবর একটি অফিসিয়াল পত্র জারি করেন। এতে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অনাপত্তি সনদ ছাড়া কোনো লোকাল এজেন্ট ও পণ্যের এজেন্টকে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করে পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
দুদক জানায়, ওই পত্রের আলোকে বর্তমানে নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে অনাপত্তি সনদ গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে মহাপরিচালক নিশ্চিত করেছেন। এরপরও বন্দর কর্তৃপক্ষ যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে কি না, তা যাচাই করতে ডেপুটি ট্রাফিক ম্যানেজার (অপারেশন), হারবার মাস্টার ও ডেপুটি কনজারভেটর দপ্তরের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে।
দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংগৃহীত সব তথ্য বিশ্লেষণ শেষে এনফোর্সমেন্ট টিম দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিশনের কাছে একটি প্রতিবেদন দাখিল করবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট