
রবীন্দ্র বন্দনা, কবিতা, গান, নৃত্য ও কথামালার মধ্য দিয়ে গত ৮ মে, শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির পক্ষ থেকে উদযাপন করা হলো রবীন্দ্র জয়ন্তী।
প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ টি এম তোহা, সঙ্গীত শিল্পী ও প্রশিক্ষক মনজুর আহম্মেদ, মাবিলা এন্ড ছৈয়দ ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান এস এম হারুনুর রশীদ, এপেক্স ক্লাব অব পটিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফ খান, আবৃত্তি শিল্পী ও প্রশিক্ষক রনী চৌধুরী।
বক্তব্য রাখেন সঙ্গীত শিল্পী শিবু মল্লিক, অনির্বাণ পালিত, আবৃত্তি শিল্পী নীহারিকা পাল ও নৃত্য শিল্পী হৈমন্তী দে ও প্রাচী চৌধুরী।
প্রত্যয়য়ের সদস্য আয়েশা ছিদ্দিকা ইশা ও সৃষ্টি চক্রবর্তী সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কথামালার শুরুতেই শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির নির্বাহী পরিচালক আবদুল্লাহ ফারুক রবি। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ বাঙালি সাহিত্য ও সংস্কৃতির আলোকবর্তিকা। প্রত্যয় প্রতিবছর রবীন্দ্র জয়ন্তী আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর কর্ম ও সৃষ্টি তুলে ধরে।
বক্তারা বলেন, রবীন্দ্রনাথকে বিশ্বকবি বা মহাজ্ঞানী ভাবলে রবীন্দ্রনাথ আমাদের কাছে আপন হবে না। রবীন্দ্রনাথকে ভাবতে হবে বন্ধু হিসেবে, কাছের মানুষ হিসেবে। তবেই রবীন্দ্রনাথ আবেগ, ভালোবাসা ও চিরন্তন সত্য হিসেবে আমাদের কাছে থাকবে। বাঙালি ও বাংলা ভাষাকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি বাংলা গান, সাহিত্য ও শিল্পকর্মকে পৃথিবীর কাছে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। রবীন্দ্রনাথের চেতনা মানুষকে বরাবরই আলোর পথ দেখিয়ে যাবে।
কথামালার পর শুরু হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি গান, কবিতা ও নৃত্যের তালে আগত দর্শকদের বিমোহিত করেন শিল্পীরা।
অনুষ্ঠানে একে একে ১৩ জন শিল্পী রবীন্দ্রনাথের কবিতা আবৃত্তি করেন। ১২ জন শিল্পী রবীন্দ্র সঙ্গীত পরিবেশন করেন। সেই সাথে দলীয় আবৃত্তি, সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির শিক্ষার্থীরা। অতিথি সংগঠন হিসেবে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন ত্রিশূল নৃত্যায়নের শিল্পীরা। দ্বৈত নৃত্য পরিবেশন করেন নীহারিকা পাল ও হৈমন্তী দে।
Leave a Reply