1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রজভীয়া নুরীয়া কমিটি বাংলাদেশ পটিয়া উপজেলা পূর্ব পরিষদ গঠিত হাটহাজারীতে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সেঞ্চুরিয়ানের বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, ৬৮০ জন রোগীকে চিকিৎসা প্রদান পটিয়ায় জিরিতে মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী সচেতনতামূলক র‍্যালি আয়ান শর্মা একা নন, পাশে শত শত সাংবাদিক দেশ সেবায় ১৮ বছর ধরে সেবা দিয়ে যাচ্ছে প্রয়াস, প্রয়াসের খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে লায়ন জি কে লালা এমজেএফ ফটিকছড়ির প্রবীণ সাংবাদিক আহমদ আলী চৌধুরীর জন্য দেশে ও প্রবাসীর কাছে দোয়ার প্রার্থনা নিষিদ্ধ সংগঠন চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২১ আগস্টের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের নবনির্বাচিত ২৩তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: জাতির প্রত্যাশা -মহিউদ্দীন কাদের নিষিদ্ধ সংগঠন দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ২১ আগষ্টের বীর শহীদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভোক্তা অধিকারের অভিযান পটিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ ডায়াপার নতুন তারিখ বসিয়ে বাজারজাত, জরিমানা ২ লাখ ৫০ হাজার

অনাথ শিশুদের পাশে ঈদ: চট্টগ্রাম ডিসির ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ

  • সময় রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬
  • ৩১৪ পঠিত

 

মোঃ কায়সার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে ভিন্ন এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। নগরীর রউফাবাদ এলাকার সরকারি ছোটমনি নিবাসে গিয়ে অনাথ শিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন তিনি।
শনিবার (২১ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে একেবারে স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে শিশুদের মাঝে মিশে যান। সঙ্গে ছিল নতুন জামা, ফলমূল ও ঈদের সালামি হিসেবে নতুন নোট। শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় থাকলেও ধীরে ধীরে শিশুরা তার কাছে এগিয়ে আসে এবং উপহার গ্রহণ করে।
এসময় সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয় যখন তিনি দুটি শিশুকে কোলে তুলে নেন। এর মধ্যে একটি শিশু ইশা আক্তার, যাকে মানব পাচার মামলার ভিকটিমের সন্তান হিসেবে আদালতের মাধ্যমে এখানে রাখা হয়েছে। অন্য শিশু ইয়াসীন, মাত্র দুই মাস বয়সে উদ্ধার হয়ে এই নিবাসে আশ্রয় পেয়েছে। দুই শিশুকে বুকে আগলে রাখার দৃশ্য উপস্থিত সবার মনে গভীর আবেগের সৃষ্টি করে।
ছোটমনি নিবাসের অফিস সহকারী নূর জাহান জানান, অনেকেই এখানে এলেও এভাবে সময় নিয়ে শিশুদের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঘটনা বিরল। বিশেষ করে ঈদের দিন পরিবার ছেড়ে এসে শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
বর্তমানে এই নিবাসে ১৬ জন শিশু বসবাস করছে। তাদের অধিকাংশই পরিবারবিচ্ছিন্ন এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছে। তবে এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবনে নতুন আশার সঞ্চার করে।
ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা খাবারে সীমাবদ্ধ নয়—এদিনের সবচেয়ে বড় উপহার ছিল ভালোবাসা ও স্নেহের স্পর্শ। জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, মানবিকতা এখনও সমাজে বেঁচে আছে এবং সেটিই সবচেয়ে বড় শক্তি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট