1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারে আউলিয়ায়ে কেরামের অবদান ও মাজার ভাঙার অশুভ প্রবণতা জয়পুরহাট সরকারি কলেজে অনার্স ফরম পূরণ ফি নিয়ে বৈষম্যের অভিযোগ, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের প্রতিবাদ স্বামীর মৃত্যুর ২৬ ঘণ্টার ব্যবধানে স্ত্রীরও মৃত্যু, শোকে স্তব্ধ রাঙ্গুনিয়ার পরিবার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ১৬৮ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা। জেলা গোয়েন্দা শাখা ও বিশেষ শাখার কর্মকর্তাদের সঙ্গে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নান্দনিক চট্টলা ” কর্তৃক আয়োজিত ‘মা দিবস ম্মরণে, আলোকিত মা সম্মাননা প্রদান, গুণীজন সংবর্ধনা, ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। ওমানে গাড়ির ভেতর চট্টগ্রামের ৪ প্রবাসী ভাইয়ের রহস্যজনক মৃত্যু এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দলের ঢাকাস্থ রাশিয়ান কালচারাল হাউস পরিদর্শন। প্রয়াস এর বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত রোটারিয়ান সৈয়দা কামরুন নাহার এমপিএইচএফ উপদেষ্টা নির্বাচিত কবিতা: হাম -মোঃ ওসমান হোসেন সাকিব

অনাথ শিশুদের পাশে ঈদ: চট্টগ্রাম ডিসির ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ

  • সময় রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৯ পঠিত

 

মোঃ কায়সার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে ভিন্ন এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। নগরীর রউফাবাদ এলাকার সরকারি ছোটমনি নিবাসে গিয়ে অনাথ শিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন তিনি।
শনিবার (২১ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে একেবারে স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে শিশুদের মাঝে মিশে যান। সঙ্গে ছিল নতুন জামা, ফলমূল ও ঈদের সালামি হিসেবে নতুন নোট। শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় থাকলেও ধীরে ধীরে শিশুরা তার কাছে এগিয়ে আসে এবং উপহার গ্রহণ করে।
এসময় সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয় যখন তিনি দুটি শিশুকে কোলে তুলে নেন। এর মধ্যে একটি শিশু ইশা আক্তার, যাকে মানব পাচার মামলার ভিকটিমের সন্তান হিসেবে আদালতের মাধ্যমে এখানে রাখা হয়েছে। অন্য শিশু ইয়াসীন, মাত্র দুই মাস বয়সে উদ্ধার হয়ে এই নিবাসে আশ্রয় পেয়েছে। দুই শিশুকে বুকে আগলে রাখার দৃশ্য উপস্থিত সবার মনে গভীর আবেগের সৃষ্টি করে।
ছোটমনি নিবাসের অফিস সহকারী নূর জাহান জানান, অনেকেই এখানে এলেও এভাবে সময় নিয়ে শিশুদের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঘটনা বিরল। বিশেষ করে ঈদের দিন পরিবার ছেড়ে এসে শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
বর্তমানে এই নিবাসে ১৬ জন শিশু বসবাস করছে। তাদের অধিকাংশই পরিবারবিচ্ছিন্ন এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছে। তবে এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবনে নতুন আশার সঞ্চার করে।
ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা খাবারে সীমাবদ্ধ নয়—এদিনের সবচেয়ে বড় উপহার ছিল ভালোবাসা ও স্নেহের স্পর্শ। জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, মানবিকতা এখনও সমাজে বেঁচে আছে এবং সেটিই সবচেয়ে বড় শক্তি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট