1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অনাথ শিশুদের পাশে ঈদ: চট্টগ্রাম ডিসির ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি: সমস্যার কারণ ও উত্তরণের পথ চন্দনাইশ প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈকত দাশ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেও চট্টগ্রাম বন্দরে ২২ জ্বালানিবাহী জাহাজ ঈদুল ফিতরকে ঘিরে সম্প্রীতির বার্তা: ৩৯ নং ওয়ার্ডে সৌজন্য সাক্ষাৎ রক্তঝরা পথ পেরিয়ে: বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের অবিনাশী যাত্রা – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া সীতাকুণ্ডে ঈদ জামায়াতে সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের সর্তক করলেন এম পি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদের জামাতে দল-মতের মানুষের ঢল শোক সংবাদ মির্জাখীলসহ চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদ উদযাপন

অনাথ শিশুদের পাশে ঈদ: চট্টগ্রাম ডিসির ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ

  • সময় রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৮ পঠিত

 

মোঃ কায়সার চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনে ভিন্ন এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা। নগরীর রউফাবাদ এলাকার সরকারি ছোটমনি নিবাসে গিয়ে অনাথ শিশুদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন তিনি।
শনিবার (২১ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসক আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে একেবারে স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে শিশুদের মাঝে মিশে যান। সঙ্গে ছিল নতুন জামা, ফলমূল ও ঈদের সালামি হিসেবে নতুন নোট। শুরুতে কিছুটা দ্বিধায় থাকলেও ধীরে ধীরে শিশুরা তার কাছে এগিয়ে আসে এবং উপহার গ্রহণ করে।
এসময় সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয় যখন তিনি দুটি শিশুকে কোলে তুলে নেন। এর মধ্যে একটি শিশু ইশা আক্তার, যাকে মানব পাচার মামলার ভিকটিমের সন্তান হিসেবে আদালতের মাধ্যমে এখানে রাখা হয়েছে। অন্য শিশু ইয়াসীন, মাত্র দুই মাস বয়সে উদ্ধার হয়ে এই নিবাসে আশ্রয় পেয়েছে। দুই শিশুকে বুকে আগলে রাখার দৃশ্য উপস্থিত সবার মনে গভীর আবেগের সৃষ্টি করে।
ছোটমনি নিবাসের অফিস সহকারী নূর জাহান জানান, অনেকেই এখানে এলেও এভাবে সময় নিয়ে শিশুদের সঙ্গে মিশে যাওয়ার ঘটনা বিরল। বিশেষ করে ঈদের দিন পরিবার ছেড়ে এসে শিশুদের পাশে দাঁড়ানো এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
বর্তমানে এই নিবাসে ১৬ জন শিশু বসবাস করছে। তাদের অধিকাংশই পরিবারবিচ্ছিন্ন এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছে। তবে এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ তাদের জীবনে নতুন আশার সঞ্চার করে।
ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা খাবারে সীমাবদ্ধ নয়—এদিনের সবচেয়ে বড় উপহার ছিল ভালোবাসা ও স্নেহের স্পর্শ। জেলা প্রশাসকের এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, মানবিকতা এখনও সমাজে বেঁচে আছে এবং সেটিই সবচেয়ে বড় শক্তি।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট