1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রামের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে উচ্চ গতির প্রাইভেট কার দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল কলেজ শিক্ষার্থীর। চাম্বল ইউনিয়নে কিশোর গ্যাং ও মাদক আতঙ্ক: অবশেষে গ্রেফতার ‘তারেক’, স্বস্তি এলাকাবাসীর নানিয়ারচর জোন কমান্ডার কর্তৃক বিদায়ী সংবর্ধনা ও ক্রীড়া পুরুস্কার বিতরণ অনু‌ষ্ঠিত অকটেন বিক্রিতে অনিয়ম, বোয়ালখালীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বোয়ালখালী বৈদ্যুতিক শট সার্কিটের আগুনে দোকান পুড়ে ছাই পটিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সেলিমের পাশে প্রবাসী নাজিম উদ্দিন সিআইপি, নির্মাণ হচ্ছে সেমিপাকা ঘর। চোখের দৃষ্টিতে প্রভাব: মোবাইল ফোনে শিশুদের আসক্তি এক নীরব সংকট -আলমগীর আলম আরব আমিরাতে নিহত শাহ আলমের মরদেহ দেশে আসছে বৃহস্পতিবার পটিয়া স্টেশন রোড ব্যবসায়ী সমিতির ঈদ পূর্ণমিলনী সভা অনুষ্ঠিত। চট্টগ্রামে ভোজ্যতেলের কালোবাজারি দমনে র‍্যাব-৭ এর সাঁড়াশি অভিযান

চট্টগ্রামে বিরল প্রজাতির এক জোড়া গোরখাদক উদ্ধার,আটক ২

  • সময় মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ৪৮৪ পঠিত

মোঃ মনিরুল ইসলাম রিয়াদ
চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতুর এলাকা দিয়ে বিরল প্রজাতির দুটি গোরখদক পাচারের সময় উদ্ধার করা হয়েছে।একই সাথে দুই পাচারকারীকেও আটক করেছে বাকলিয়া থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন- আমজাদ হোসেন ওরফে আমজু (২৬) ও মো. শাকিব (২২)।

বাকলিয়া থানার ওসি আব্দুর রহিম বলেন, বিরল প্রজাতির কোনো প্রাণী পাচার হচ্ছে বলে তথ্য পেয়েছিল পুলিশ। সেই তথ্যের ভিত্তিতে বাকলিয়া থানা পুলিশের একটি দল শহরের দিকে আসা একটি অটোরিকশায় তল্লাশি চালায়। সেখানেই গোরখোদক দুটি পাওয়া যায়।

গ্রেপ্তার আমজু বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের সদস্য। সে বলেছে, টেকনাফ এলাকা থেকে গোরখোদক দুটি চট্টগ্রামে নিয়ে আসেন এক ব্যক্তি। মইজ্জ্যার টেক এলাকায় সেগুলো হাতবদল হয়।”

গ্রেপ্তার দুজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে ওসি রহিম বলেন, গোরখোদক দুটি খুলনায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেখান থেকে বিদেশে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল।

“প্রাণী দুটো পাওয়ার পর আমরা সেগুলো চিনতে পারিনি। পরে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ইউনিটকে খবর দিলে তারা এসে জানায়, সেগুলো গোরখাোদক।”

ইংরেজিতে স্তন্যপায়ী প্রাণী এ প্রাণীর নাম হগ ব্যাজার, বৈজ্ঞানিক নাম Arctonyx collaris। নিজেই মাটি খুঁড়ে নিজের বাসা তৈরি করে। জীবজন্তুর পচাগলা মরদেহ খেয়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখে। সে কারণে বাংলায় নাম হয়েছে গোরখাোদক, অনেকে ঘরখুদিনি বা ঘরখোন্দকও বলেন।

আগে দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এদের দেখা মিলত। ক্রমান্বয়ে বনভূমি ধ্বংসের কারণে এদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে।

প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার’ বা আইইউসিএন এর করা লাল তালিকায় এ প্রাণীকে রাখা হয়েছে প্রকৃতিতে ‘সংকটাপন্ন’ প্রজাতির তালিকায়।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট