1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Admin Admin : Admin Admin
বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সৈয়্যদা মাদিহা আল বাতুল গোল্ডেন A+ পেয়েছে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার সফলতা আ জ ম নাছিরের অগ্নিপরীক্ষা চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারী শ্রমিক কর্মচারী লীগের প্রস্তুতি সমাবেশে আ জ ম নাছির উদ্দীন। চট্টগ্রামে শেখ হাসিনার জনসভায় শ্রমিক কর্মচারীদের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে -আবুল হোসেন আবু নুসরাত জাহান (ঝুমুর) এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেলো। জঙ্গল সলিমপু’রে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত ওসমান গনি। পটিয়া ৯৪ এর ফ্যামিলি মিলন মেলা ও মেজবান উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন গাউসে পাকের শিক্ষা পাঁচ ওয়াক্ত নামায যথাসময়ে আদায় করা- ফাতেহা-ই ইয়াজদাহুম মাহফিলে বক্তারা প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আগমন উপলক্ষে সর্বস্তরের মানুষের নিকট লিফলেট বিতরণ করেন ফয়সাল বাপ্পি। বিএমএসএফ নিজস্ব গঠনতন্ত্রে পরিচালিত ট্রাস্টিনামা দলিলের অন্তর্ভুক্ত নয় -সাধারণ সভায় নেতৃবৃন্দ

আগামী ৫ই আগস্টের পর থেকে নগরীর দোকানপাট, মার্কেট ও শপিংমল খুলে দেওয়ার দাবী বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি মহানগর শাখার

  • সময় বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭৩ পঠিত

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার নেতৃবৃন্ধ আগামী ৫ই আগস্টের পর থেকে নগরীর দোকানপাট,মার্কেট ও শপিংমল খুলে দিতে সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়েছে।আজ ৪ আগস্ট (বুধবার ) সকাল ১১ টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবী জানান। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি,চট্রগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব ছালামত আলীর সভাপতিত্বে উক্ত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ইউছুপ ।

তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, বৈশ্বিক মহামারীর এই ক্রান্তিকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা ও বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এজন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রেজিষ্ট্রেশনকৃত ব্যবসায়ী সংগঠন। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি,চট্টগ্রাম মহানগরের অধীনে প্রায় সাড়ে ৩লক্ষ দোকান মালিক ও সাড়ে ১০ লক্ষ শ্রমিক-কর্মচারী রয়েছে। বিগত ২০২০ইং সালের ৮ই মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ২৫শে মার্চ থেকে সারাদেশে লক ডাউন ঘোষণা করেন। জনগণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও সরকারী সিদ্ধান্তকে যথাযথ সম্মান করে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগরের আওতাধীন সকল মার্কেটের ব্যবসায়ী তাদের দোকান পাট বন্ধ রেখেছিল। তখন থেকে দফায় দফায় লকডাউনের প্রভাবে সারা দেশের ব্যবসায়ীদের ন্যায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির আওতাভূক্ত ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেমে আসে চরম দূর্দশা । এ চরম দূর্দশায় কিছু ক্ষতি পুষাতে রমজান, ঈদুল আযহা, পুজা, পহেলা বৈশাখ সহ বিভিন্ন মৌসুমে ব্যবসা করে করে থাকে। কিন্তু চলমান লকডাউনে তা করতে ব্যর্থ হয়ে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়ে।

নেতৃবৃন্ধরা বলেন, জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে, সে সময়ে চট্টগ্রামে তারাই সর্ব প্রথম তাদের আওতাভুক্ত দোকানপাট,মার্কেট ও শপিংমলের প্রবেশ পথে নিজ উদ্যেগে জীবাণুনাশক টানেল, স্প্রে মেশিন স্থাপন, সর্বদা মাস্ক পরিধান, শরীরের তাপমাত্রা মাপা সহ নানাবিধ কার্যক্রম হাতে নেন। টিকাদান কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর এ সমিতির মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষকে বিনামূল্যে ভ্যাক্সিনের নিবন্ধন কার্যক্রমও শুরু করেন। যাহা এখনো চলমান রয়েছে। কিন্তু সংক্রমন ও মৃত্যুহারের উর্ধ গতির কারণে সরকার আবার ২৩ই জুলাই থেকে ৫ই আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লক ডাউনের ঘোষনা করে। সরকার অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে শিল্প, কল-কারখানা, গার্মেন্টস, কাঁচা বাজার, ব্যাংকসহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এই কঠোর লক ডাউনেও খোলা রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন। শুধুমাত্র মার্কেটসমূহ, দোকানপাট ও গণ পরিবহন বন্ধ রেখে লক্ষ লক্ষ ব্যবসায়ী ও শ্রমিক কর্মচারীর জীবিকা নির্বাহের পথ বন্ধ রয়ে গেল।

সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্ধরা আরও অভিযোগ করেন, এই করোনা মহামারীর সময়ে দীর্ঘদিন ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ থাকা স্বত্বেও ব্যবসায়ীগণ সরকারী ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, ইনকাম ট্যাক্স সহ যাবতীয় সকল ফি প্রদান করে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে। অথছ এই লক ডাউনের কারণে যদি ব্যবসায়ীরা ব্যবসা পরিচালনা করতে না পারে,তাহলে তারা তাদের পূঁজি হারিয়ে দেউলিয়া হয়ে পড়বে। শুধু তাই নয়, সারা দেশের ব্যবসায়ীদের ন্যায় আমাদের সমিতির আওতাধীন লক্ষাধিক ক্ষুদ্র মাঝারি দোকানের ব্যবসায়ী শ্রমিক কর্মচারী ও তাদের পরিবার আজ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন। এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসায়ীগণ তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিবে, কর্মচারীরা তাদের চাকুরী হারাবে। দেশে বেকারত্ব বেড়ে গিয়ে শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবে বলে মনে করেন তারা। এই পরিস্থিতে তারা নিন্মোক্তদাবী বাস্তবায়নে সরকারের কাছে জোর দাবী জানা। চট্টগ্রামের লক্ষ লক্ষ ব্যবসায়ী ও শ্রমিক কর্মচারীদের জীবিকার স্বার্থে স্বাভাবিক নিয়মে আগামী ৫ই আগস্টের পর থেকে মার্কেটসমূহ খুলে দেওয়া, দোকান পরিচালনার সাথে সংশ্লিষ্ট খরচ ও কর্মচারী, শ্রমিক দের বেতন বোনাস বাবদ খরচ নির্বাহের জন্য ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে এসএমই ঋণের আওতায় আনার জন্য দাবী জানান। তাছাড়া ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির কথা বিবেচনা করে প্রনোদনার ব্যবস্থা ও শ্রমিক কর্মচারীদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান ও দোকান মালিক, শ্রমিক-কর্মচারীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাক্সিনেশনের আওতায় আনার দাবী জানান। এ ছাড়া বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি চট্টগ্রাম মহানগর শাখার আওতাভুক্ত ব্যবসায়ী,শ্রমিক-কর্মচারীদের জন্য টিকা দান বুথের ব্যবস্থা করা, করোনাকালীন ক্ষতির কথা বিবেচনা করে, সরকারী বিভিন্ন ফি যেমন ট্রেড লাইসেন্স, ভ্যাট, ট্যাক্স এক বছরের জন্য মওকুফ করার দাবী জানানো হয়।সাথে সাথে ব্যবসায়ীদের প্রণোদনার আওতায় এনে প্রণোদনা প্রদানের আবেদন জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট