1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সিলেটে ঈদ উপহার দিলেন মনচন্দ্র সুশীলা, বিমান পটু ও রেনুপ্রভা প্রিয়রঞ্জন ফাউন্ডেশন বটতল ফাউন্ডেশন এর উপদেষ্টা ও কার্যকরী কমিটির পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা মাইজভান্ডারি সূর্যগিরি আশ্রম শাখার উদ্যোগে ঈদ বস্ত্র-সামগ্রী প্রদান “বাঁকা চাঁদের হাসি” রচনায়ঃ মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব ) পটিয়া বিভিন্ন ইউনিয়নে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা তসলিম উদ্দীন রানা সিলেটে ঈদ উপহার বিতরণ করেছেন সিলেট চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন “ঈদুল ফিতর” রচনায়ঃ মোহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব) পবিত্র ঈদ সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি – লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্ একীভূত হচ্ছে না কোন ইসলামী ব্যাংক, তালিকায় রয়েছে অন্য ৯টি “ফিতরা ও ঈদুল ফিতরের ফজিলত- সমাজে এর প্রভাব” মাওলানা মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন কাদেরী

খাতুনগঞ্জে পেয়াজের বাজার অস্থির।

  • সময় মঙ্গলবার, ২ মে, ২০২৩
  • ২২২ পঠিত

পলাশ সেন, চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধিঃ

দেশের ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। এর প্রভাব পড়েছে সারা দেশে।
খাতুনগঞ্জে মঙ্গলবার ভারতীয় নাসিক জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৫৫ টাকা কেজি দরে। কয়েক দিন আগে একই মানের পেঁয়াজের দাম ছিল কেজিপ্রতি ৪০ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ায় মিয়ানমার থেকে আমদানি হওয়া পেঁয়াজের কেজিপ্রতি দামও প্রায় ১০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৮ টাকায়। একদিনের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। খুচরা বাজারে আরও বেশি বেড়েছে। অপরদিকে আমদানি বন্ধ এ অজুহাতে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। দেশি পেঁয়াজের দাম প্রায় সমপরিমাণ বেড়ে ৫২ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাতুনগঞ্জের মেসার্স ইরা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের শেষে ভারতের বন্যার প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গেলে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যায়। ভারত সরকার পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য বাড়াতে বাড়াতে একপর্যায়ে রপ্তানিও বন্ধ করে দেয়।
বর্তমানে ভারতের দক্ষিণে প্রবল বন্যায় ফসলহানির কারণে পেঁয়াজের ক্রয়মূল্য ও পরিবহন খরচ বেড়ে গেছে। কয়েক দিন আগেও বর্ডার এলাকায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৪ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে সেটি ৫২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক গড় উৎপাদন ২৫ লাখ টন। তবে পচন ও মজুতসংকটে এর সিংহভাগই সময়মতো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে যায়। এ কারণে প্রতিবছর রবি মৌসুমের আগে দেশের বাজারে পেঁয়াজের সংকট তৈরি হয়। পাশাপাশি অতিমাত্রায় ভারত নির্ভরতাও কাজ করে।
দেশের চাহিদা মেটাতে প্রতিবছর প্রায় ১০ থেকে ১১ লাখ টন পেঁয়াজ ভারত ও বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, ভারতে দাম বাড়ায় এখন থেকে বিকল্প উৎস থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করা প্রয়োজন।
তা না হলে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম বিগত বছরের মতো বাড়বে বলে শঙ্কা জানিয়েছেন তারা। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ছিদ্দিক ট্রেডার্সের মালিক ওমর ফারুক জানান, প্রতি কেজি ভারতীয় নাসিক পেঁয়াজের ভারতীয় ক্রয়মূল্য পড়ছে ৩৫ রুপি। বাংলাদেশের সীমান্ত পর্যন্ত পরিবহন খরচ ৭ রুপি ও সীমান্তের স্থলবন্দরে কেজিপ্রতি ট্যাক্স ২ রুপিসহ মোট খরচ হয় ৪৪ রুপি। তিনি বলেন, ভারতীয় রুপির বিনিময়মূল্য ১ দশমিক ২৫ টাকার হিসাবে সীমান্ত পর্যন্ত ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি খরচ হয় ৫৫ টাকা। দেশের বিভিন্ন আড়তে তা পৌঁছাতে কেজিপ্রতি ২ থেকে ৩ টাকা খরচ যুক্ত হয়। কেজিপ্রতি ভারতীয় পেঁয়াজের কস্টিং ৫৮ টাকা পড়ে। ফলে আগের আমদানি হওয়া পেঁয়াজের মজুত শেষ হয়ে এলে আগামীতে দাম আরও বাড়তে পারে। খাতুনগঞ্জের আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের যে পরিমাণ পেঁয়াজের মজুত ছিল, তাতে ধরে নিয়েছিলাম দাম আর বাড়বে না। এখন সীমান্তের আড়তদাররা পেঁয়াজ সরবরাহ দিচ্ছে প্রয়োজনের তুলনায় কম। ফলে খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিয়েছে, দামও বাড়ছে। আমদানিকারকরা আগে থেকে কোল্ডস্টোরেজে পেঁয়াজ মজুত করে রেখেছেন। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন, যাতে পণ্যটির দাম বেড়ে যায়।ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে পেঁয়াজ উৎপাদন শুরু হবে আসন্ন রবি মৌসুম অর্থাৎ ১৫ অক্টোবর থেকে। পেঁয়াজের আবাদ হলে জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত তা তোলা হবে। এর আগে দেশের মজুত ও আমদানির ওপর নির্ভর করতে হবে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা দোষ দিচ্ছেন আমদানিকারকদের, আর আমদানিকারকরা ভারতের ব্যবসায়ীদের। আসলে পুরোটাই একটি চক্র। একজন আরেকজনের ঘাড়ে লোক দেখানো দোষ চাপিয়ে দুই পক্ষ মিলেই পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছে। এখনই উচিত হবে প্রশাসনের তদারকি শুরু করা। তা হলে আসল রহস্যটা বের হবে। তবে খাতুনগঞ্জ ঘুরে দেখা গেছে, আড়তগুলোতে ভারতীয় পেঁয়াজের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। বিভিন্ন আড়তে শত শত বস্তা পেঁয়াজ মজুতও আছে। ট্রাকে ট্রাকে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় পেঁয়াজ যাচ্ছে। তবে খুচরা পর্যায়ে দোকানগুলোতে পেঁয়াজের সরবরাহ কম দেখা গেছে। সূত্র বলছে, সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে। তবে ভোক্তারা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত মজুত আছে। ব্যবসায়ীরা কারসাজির মাধ্যমে দাম বৃদ্ধি করে মুনাফা লুটে নিচ্ছে।এতে সাধারণ ক্রেতারাই বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট