1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Admin Admin : Admin Admin
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর আগমনে স্মরণকালের সমাবেশে গনজোয়ার ও জনসমুদ্রে পরিণত চট্টগ্রাম প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে ২৯ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে প্রতিবন্ধীদের উপর অতর্কিত হামলা বিএফএসএফ প্রতিষ্ঠাতা আবু জাফরকে হত্যার হুমকির ঘটনায় থানায় জিডি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ফাউন্ডেশনের জরুরী সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ক্ষুদি রামের জন্মদিনে বিনম্র চিত্রে স্মরণ করি এই মহান বীরকে। মেহেদী হাসান রাফি SSC তে গোল্ডেন A+ পেয়েছে ফটিকছড়ির শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি পেল এস এম সি আদর্শ সংঘ। প্রধানমন্ত্রী’র জনসভা সফল করার লক্ষ্যে চন্দনাইশ উপজেলা ছাত্রলীগের প্রস্তুতি সভা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে পটিয়ায় বদিউল আলমের নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা

দেশের সংকট মোকাবেলায় দুর্নীতিবাজদের চিহ্নিত করে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা সরকারের জন্য ফরয- মুহাম্মদ আলী

  • সময় মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০২২
  • ৭১ পঠিত

দেশ এই চরম সংকটে পতিত হওয়ার জন্য দেশের দুর্নীতিবাজদের ভূমিকা অন‍্যতম।

বাংলাদেশের অসংখ্য রাজনীতিবিদ, আমলারা দুর্নীতির সাথে জড়িত। এই দুর্নীতিবাজরা দেশের কোটি কোটি টাকা দেশ থেকে বিদেশে পাচার করছে। ফলে আজকে দেশের এই ভয়াবহ অবস্থার জন্য সেই ধরনের দুর্নীতিবাজদের ভুমিকা অন‍্যতম।
দেখা যায় দেশের অধিকাংশ আমলা, রাজনীতিবিদ, এমন কি সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা দেশের টাকা পাচার করে বিদেশে বিশাল অট্টালিকা গড়ে তুলছে।
এই ধরনের দুর্নীতিবাজদের কে চিহ্নিত করে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা এখন ফরজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরকারি যদি এখনিই এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব‍্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে আগামীতে দেশের এক বেহাল অবস্থার মধ্যে পড়বে,তখন সেই অবস্থা মোকাবেলা করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে। সত্যি বলতে আজ সারা দেশে সরকারি বে সরকারি সকল সেক্টরে দুর্নীতির এক মহা উৎসব চলছে। এর সাথে আছে সব চেয়ে বেশি সরকারি চাকরিজীবী,রাজনীতিবিদ ও দেশের আমলারা। লক্ষ করে দেখা যায় কোন সরকারি কর্মকর্তা ঠিক ঠাক মতো তাদের কর্ম সম্পাদন করছেন না কিন্তু তাদের মেধা সর্বোচ্চ খাটিয়ে জাতির বা দেশের সম্পদ লুটপাট করার কাজে নিয়োজিত রাখছে। ফলে সরকার কে বেকায়দায় ফেলছে এই ধরনের ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীরা।
সরকারি – বে সরকারি আধা সরকারি সকল প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি ছেয়ে গেছে।
এর সাথে আবার যোগ হয়েছে দেশের কিছু সনামধন‍্য শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব‍্যবসায়ীরাও।
বর্তমানে শিক্ষিত বা আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান পারদর্শী রাজনীতিবিদ না থাকার কারণই বড় সমস্যা। আমাদের দেশে দেখা যায় যেই ছেলেটি বেকার, বখাটে, লেখাপড়া ভালো না সেই ছেলেটাই রাজনীতিতে চলে আসে। অথচ রাজনীতি হলো কঠিন এবং দর্শনের বিষয়। কিন্তু
দেশে দিনদিন সেই ধরনের রাজনীতিবিদদের সংখ‍্যা বেড়েই চলছে।
২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫ সালে জাতীয় সংসদে প্রদত্ত এক ভাষণে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, করাপশন আমার মজদুর করে না। করাপশন করি আমরা শিক্ষিত সমাজ, যারা আজকে ওদের টাকা দিয়ে লেখা পড়া করেছি। আজ যেখানে যাবেন করাপশন দেখবেন। আমাদের রাস্তা খুড়তে যান করাপশন। খাদ‍্য কিনতে যান করাপশন, জিনিস কিনতে যান করাপশন,বিদেশ গেলে টাকার উপর করাপশন। তারা কারা? আমরা ৫ পার্সেন্ট শিক্ষিত সমাজ, আর আমরাই করি বক্তৃতা। আমরা লিখি খবরের কাগজে, আমরাই বড়াই করি। আজ আত্মাসমালোচনার দিন এসেছে। এসব চলতে পারে না।মানুষ কে একদিন মরতে হবে। কবরে যেতে হবে।কিছুই সে নিয়ে যেতে পারবে না। তবু মানুষ ভুলে যায় কি করে এই অন‍্যায় কাজ করতে পারে। আর এই দুঃখি মানুষ যে রক্ত দিয়েছে, স্বাধীনতা এনেছে, তাদের রক্তে বিদেশ থেকে খাবার আনিয়ে সেই খাবার চুরি করে খাবে,অর্থ আনবো চুরি করে খাবে, টাকা আনবো তা বিদেশে চালান দিবে। বাংলার মাটি থেকে এদের উৎখাত করতে হবে। আজ দুর্নীতিবাজ ঘুষখোর, কালোবাজারি নতুন পয়সাওয়ালা – এদের কাছে আমার আত্মবিক্রি করতে হবে, এদের অধিকারের নামে আমাদের এদেরকে ফ্রি- স্টাইলে ছেড়ে দিতে হবে। কখনো না। কোন দেশ কোন যুগে তা দেয় নাই। দিতে পারে না। যারা আজকে আমার মাল বিদেশে চালান দেয়, চোরাকারবারি করে যারা দুর্নীতি করে এদের বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করতে হবে। মানুষ কে যারা পয়সা দেয়, তোমার মাইনে দেয়, তোমার সংসার চালানোর জন্য ট‍্যাক্স দেয়, তার কাছে আবার তুমি পয়সা খাও! মেন্টালিটি চেইঞ্জ করতে হবে। সরকারি কর্মচারী, মন্ত্রী প্রেসিডেন্ট আমরা জনগণের সেবক, আমরা জনগণের মাস্টার নই। মেন্টালিটি আমাদের চেইঞ্জ করতে হবে।য যাদের পয়সায় আমাদের সংসার চলে, যাদের পয়সায় আমরা গাড়ি চড়ি, যাদের পয়সায় আমরা পেট্রল খরচ করি, আমরা কার্পেট ব‍্যবহার করি, তাদের জন্য আমরা কি করলাম? সেটাই আজ বড় জিনিস। এত বড় দুর্ধর্ষ, এত বড় শক্তিমান, এত বড় বন্দুক,এত কামান, এত মেশিনগান, এত পাকিস্তানি সৈন‍্য, এত বড় তথাকথিত শক্তিশালী আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান, ইসকান্দার মির্জা, চৌধুরী মোহাম্মদ আলী বাংলার মানুষ কে অত‍্যাচার করতে চেষ্টা করেছে বন্দুক দিয়ে, তার বিরুদ্ধে বিনা অস্ত্রে আপনাদের নিয়ে সংগ্রাম করে শেষ পর্যন্ত যদি উৎখাত করতে পারি, কিছু দুর্নীতিবাজ, কিছু ঘুষখোর, কিছু শোষক,কিছু ব্ল‍্যাক মার্কেটিয়ার্স বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করতে পারবো না – এ কথা আমি বিশ্বাস করি না।
বঙ্গবন্ধু ঐ ভাষণে বাংলাদেশ কে যারা ভালবাসে না, তাদের উদ্দেশ্যে আক্ষেপ করে বলেছিলেন, ‘যার যা ইচ্ছা লেখে, কেউ এ নামে বাংলাদেশ কে ডাকে, কেউ ও নামে বাংলাদেশ কে ডাকে, বাংলাদেশের নাম পর্যন্ত বলতে তারা লজ্জা বোধ করে। তাদের অধিকার নাই বাংলার মাটিতে থাকার- যেমন নাই চোরাকারবারি, ঘুষখোর,মুনাফাখোরদের, যেমন নাই দুর্নীতিবাজদের।

বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের মাধ্যমে পরিষ্কার বুঝা যায় এই দুর্নীতিবাজদের আধিপত্য শুধু এখনি নয়, স্বাধীনতার সময়কাল থেকেও।
বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলো দেশকে সোনার দেশ বানাতে কিন্তু দেশের দুর্নীতিবাজ এবং দেশবিরোধীদের জন্য তা হয়ে উঠে নি।
সুতরাং দেশকে বাঁচাতে এখনি এই বাংলার মাটি থেকে দুর্নীতিবাজদের উৎখাত করে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করাই হলো সরকারের জন্য বিরাট চ‍্যালেঞ্জ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট