1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাঘাইছড়ি উপজেলা এডমিনিস্ট্রেশন স্কুল এন্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত বান্দরবানের কৃষি উন্নয়নে এখনই সমন্বিত উদ্যোগ দরকার -সৈয়দ মিয়া হাসান জোয়ারা ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসা’র বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত বৃহত্তর সুন্নী জোটের প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহারে মাও. সোলাইমান ফারুকী মধ্যমপাড়ায় উঠান বৈঠকে ধানের শীষে ভোটের আহ্বান,আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পক্ষে গণসংযোগ জোরদার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: চট্টগ্রাম-১১ আসনে ট্রাক প্রতীকে গনঅধিকার পরিষদের প্রার্থী ইঞ্জিঃ নেজাম উদ্দীন (আকাশ) চট্টগ্রাম বন্দর সচল রাখতে হার্ডলাইনে সরকার দক্ষিণ হালিশহরে ধানের শীষের সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন,নির্বাচনী মাঠে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক চন্দনাইশে হাশিমপুর ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জসীম উদ্দীনের সমর্থনে উঠান বৈঠক চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে আন্দোলন থামছেই না সংকট উত্তরণে কোন পথে সমাধান? -আলমগীর আলম।

বিনা দোষে কয়েদ খেটে চলেছে জনগণ- আফজাল হোসেন

  • সময় বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৪০৮ পঠিত

বিশিষ্ট নাট্যকার ও অভিনেতা আফজাল হোসেন তাঁর ফেইসবুকে একটি পোস্ট করেছেন যা পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

বিনা দোষে কয়েদ খেটে চলেছে জনগণ। সেই কবে থেকে। একাত্তরে রক্ত অশ্রুর বিনিময়ে দেশটা স্বাধীন হলো। দেশবাসী খুশিতে কেঁদে ফেলে- পেয়েছি প্রাণের দেশ। দিন যায়- খুশির কাঁন্দন আপনাআপনিই শুকিয়ে যায় আপন আপন গালে।

নিজের দেশ হয়েছে ভেবেছিলো যারা, তারা পদে পদে হোঁচট খেয়ে বুঝতে পারে, দেশটা নিজের বলে ভেবেছিলো কিন্তু নিজের হয়নি। অনেক বছর ধরে জনগণ বা দেশবাসী দেখেছে, বুঝেছে। দেশবাসী চাইলেই দেশ নিজের হয়ে যায়না।

দেশবাসী বারবার দেখেছে, দেশ তাঁদের- এটা শুধু মুখের কথা, কেবলই মুখে মুখে মালিকানা। স্বান্তনা পুরস্কারের মতো। দেশকে পুরস্কার হিসাবে অন্যেরা নিয়ে নেয়। অন্যরা মানে দলের নামে বিভিন্ন গোষ্ঠী। দেশ দলের হয়ে যায়, হয়ে যায় যে যখন সিংহাসনের দখল পায়- তাদের আর দলীয় কর্মীদের।

কেউই কখনও দেশকে দেশের প্রকৃত মালিক জনগণের হতে দেয়নি। একদল চোখ কান বুঁজে জীবনেও নামবেনা ভেবে সিংহাসনে গ্যাট হয়ে বসে থেকেছে- অন্যেরা ক্রমাগত ঠ্যালা গুঁতো মেরেই চলেছে- নামরে তোরা, আর কতদিন!

একেকটা দল বা গোষ্ঠী দেশটাকে নিজের করে পেতে জনগণ, দেশবাসীর দোহাই দিয়ে গেছে চিরকাল। জনগণের দেশ জনগণের হাতে আমরাই ফিরিয়ে দেবো বলেছে- তা কথার কথা হয়েই থেকেছে শেষ পর্যন্ত।

দেশবাসী বা জনগণ একবার নয় বহুবার দেখেছে- যখন সময় বদলে গেছে, একদল নেমেছে, আর একদল জনগণের জয় হয়েছে বলে চড়ে বসেছে সিংহাসনে। নতুন মালিক এসে শাসন শুরু করেছে পুরাতনদের জেলে পাঠিয়ে।

দেশবাসী ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে দ্যাখে একদল চোখ মুছতে মুছতে জেলে গেলো। তারপর ফিরলো একদিন। তারা ফেরে হাসতে হাসতে বীরের বেশে। ততদিনে ক্ষমতায় থাকাদের নাট বল্টু ঢিলা হয়ে গেছে। জেলে যাওয়ারা ফিরে এসে হালুম হুলুম করে- সর তোর, জনগণের দেশ জনগণের হাতে ফেরৎ দিতে এসেছি। সিংহাসন উল্টে গেলে হাজারটা কারণে পুরাতনদের যেতে হয় জেলে, জেলখানায়।

এই সিংহাসন টু জেলখানা, জেলখানা টু সিংহাসন চলছে পঞ্চাশ বছরেরও বেশি সময় ধরে। দেশের এই মহাজনদের জেলখাটা বোধহয় খুব কষ্টের হয়না, কারণ জেলযাপন শেষ হলে কপালে আবার ফিরে আসবে সিংহাসন- এই মূলাখানা নাকের ডগায় ঝুলতে থাকে।

এ আমল যায়, সে আমল আসে- আমলের মানুষ যারা, তারাই দেশের মালিকানা পায়। দেশ পাওয়ার আনন্দ ভোগ করতে পারে। কোনও দলের না হওয়া জনগণের কাছে সারাজীবন দেশটা কারাগার, জেলখানা হয়েই থাকে। আমল থেকে আমলে তাদের জেলখাটা চলে- চলছেই। মুক্তি নেই তাদের। মুক্তি মেলেনা।জেনেছে, সিংহাসন, দেশ কোনোদিনই তাদের হওয়ার নয়। এই যাবজ্জীবন কয়েদবাস সবচেয়ে মর্মান্তিক।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট