1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া রসুলবাগ ‘চাক্তাই ডাইভারশন খালটি’ সংস্কার জরুরী এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ও দারুসসালাম ইউনিভার্সিটির মধ্যে ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ২০ নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কমিশনার পদপ্রার্থী হাজী হৃদয় খান নয়ন আগামীর নিরাপদ বাংলাদেশ ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার কি হতে পারে দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার নতুন দিগন্ত – ড. মোহাম্মদ ফয়েজ উদ্দিন বিশ্ববন্ধু ৯৪ পরিবারের উদ্যোগে ঈদ পুর্ণমিলনী অনুষ্ঠিত গাটিয়াডেঙ্গা আলহাজ্ব সফিয়া-মমতাজুল হক স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা চসিকের ‘স্বাধীনতা পদক’ পাচ্ছেন ৮ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান, ‘সাহিত্য সম্মাননা’ পাচ্ছেন ৫ জন পটিয়া পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে চান সমাজসেবক শাহাজাদা মৌলানা কুতুব উদ্দিন শাহনুরী। চাহিদা-সরবরাহে বড় ঘাটতি, উৎপাদন ব্যাহত চট্টগ্রামে বিদ্যুৎ সংকট গভীরতর, দুর্ভোগে নাভিশ্বাস পূর্ব পাড়া বায়তুল রফিক জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

লাইনে নয়, লগইনে ভোট: তরুণদের চোখে আগামীর নির্বাচন – সৈয়দ মিয়া হাসান

  • সময় শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৬২ পঠিত

 

বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় তরুণদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু বাস্তবতা হলো—এই তরুণদের একটি বড় অংশ জাতীয় নির্বাচনে সরাসরি ভোট দিতে পারে না। চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা কিংবা প্রবাসজীবনের কারণে ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। ফলে ভোটাধিকার থাকা সত্ত্বেও মত প্রকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন বহু নাগরিক।
এই প্রেক্ষাপটে এবারের নির্বাচনে পোস্টাল ভোটের আয়োজন ভোটারদের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বিশেষ করে প্রবাসী ভোটার ও নির্বাচনের দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য এটি ইতিবাচক উদ্যোগ। তবে এই ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট। সময়, প্রক্রিয়াগত জটিলতা এবং পৌঁছানোর নিশ্চয়তা—সব মিলিয়ে পোস্টাল ভোট এখনও ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারছে না।
এখানেই সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে অনলাইন ও অ্যাপভিত্তিক ভোটিং ব্যবস্থা। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দেশে ও বিদেশে কর্মরত চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, প্রবাসী বাংলাদেশি—সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ ঘরে বসেই ভোট দিতে পারবেন। এতে জাতীয় নির্বাচনে নাগরিকদের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং মতামতের প্রতিফলন হবে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক।
তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তিনির্ভর জীবনে অভ্যস্ত। মোবাইল ব্যাংকিং, অনলাইন শিক্ষা কিংবা ডিজিটাল সরকারি সেবা যখন স্বাভাবিক বাস্তবতা, তখন ভোট দিতে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানো বা কেন্দ্রে যেতে না পারার কারণে ভোটাধিকার হারানো অযৌক্তিক বলেই মনে হয়। জাতীয় পরিচয়পত্রভিত্তিক যাচাই, বায়োমেট্রিক সুরক্ষা ও শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে পারে।
এই পদ্ধতিতে ভোট দেওয়া সহজ হলে তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়বে, ভোটকেন্দ্রকেন্দ্রিক সংঘাত ও অনিয়মের ঝুঁকিও কমবে। একই সঙ্গে নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে।
তবে অনলাইন ভোটিং কোনো হঠাৎ সিদ্ধান্ত হতে পারে না। প্রয়োজন আইনি সংস্কার, প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক ঐকমত্য। পরীক্ষামূলক প্রয়োগের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এগোনোই হতে পারে বাস্তবসম্মত পথ।
আগামীর জাতীয় নির্বাচন শুধু একটি দিনের আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। তরুণদের সেই আকাঙ্ক্ষা স্পষ্ট—লাইনে দাঁড়িয়ে নয়, লগইন করেই ভোট দিতে চাই।

লেখক ও কলামিস্ট

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট