
এম এস শ্রাবণ মাহমুদ
২৫ মিনিটের টানটান উত্তেজনায় প্রতিপক্ষ রাশেদ বলিকে হারিয়ে তিনি তার জয়লাভ করেন! সত্যিই এমন একটা উৎসবমুখর আয়োজনের জন্য পুরো চট্টগ্রামের মানুষ বছর ধরেই অপেক্ষা করে বসে থাকে।
গোটা চট্টগ্রাম থেকে তো বটেই, অনেক দূর-দূরান্ত থেকেও মানুষ এই খেলা দেখতে ভীড় জমিয়েছেন কয়েক কিলোমিটারজুড়ে।
হাজার হাজার মানুষের হাসি-আড্ডা আর আনন্দের আসর হয়েছে পুরো লালদিঘীর আশপাশ। দেশের অন্য কোনো জেলায় এতো বড় মেলা আর বলিখেলার আয়োজন হয় না বলেই চট্টগ্রাম এদিক দিয়ে সেরা।
১৯০৯ সালে বদরপাতি এলাকার ব্যবসায়ী আবদুল জব্বার সওদাগরের শুরু করা এই বলীখেলার আসর আজও মুখরিত।
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের তরুণদের শক্তি ও সাহস জাগিয়ে তুলতেই শুরু হয়েছিল এই আয়োজন।
তবে ধীরে ধীরে তা চট্টগ্রামের মানুষের অন্যতম বড় ও প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।তাই চট্টগ্রামকে আজও বলা হয় বলীর দেশ।
প্রতিবছর ১২ বৈশাখ লালদীঘি মাঠে বসে এই বলীখেলা।
একে ঘিরে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে জমে ওঠে বৈশাখী মেলা। কেনাবেচা, আড্ডা আর মানুষের ভিড়ে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
Leave a Reply