1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এক হাত-এক পা হারিয়ে লড়াই,মৃত্যুর পর চার কন্যাসন্তান নিয়ে অসহায় পরিবার। জায়ান হত্যার বিচার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন, আবেগঘন বক্তব্যে কাঁদালেন মা। নজরুল বর্ষ’ জাতীয় কবির পুনরাবিষ্কারের রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া মহররম-আশুরার ফযিলত এবং আহলে বাইতের মর্যাদা ও তাঁদের প্রতি ভালোবাসা” – মাওলানা মুহাম্মদ বোরহান উদ্দীন কাদেরী চট্টগ্রামে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা ও অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধে অ্যাডভোকেসি সংলাপ অনুষ্ঠিত মানুষের কল্যাণে নীরব সেবার আলোকবর্তিকা: পটিয়ার হাজী আবদুস সাত্তার ফাউন্ডেশন। সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও আলোচনা সভা চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত চকবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াস-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামে র‍্যাবের অভিযানে পরিত্যক্ত বিদেশি রাইফেল উদ্ধার সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় রাজনীতিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান

এক হাত-এক পা হারিয়ে লড়াই,মৃত্যুর পর চার কন্যাসন্তান নিয়ে অসহায় পরিবার।

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬
  • ২৫ পঠিত

আলমগীর আলম,পটিয়া।

পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও আশ্রয়ন প্রকল্পে চার কন্যাসন্তান নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও মানবিক সংকটে দিন কাটছে আরজু আক্তারের। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি স্বামী ইসরাফিলের আকস্মিক মৃত্যুর পর যেন থমকে গেছে তাদের জীবনের চাকা।
জানা গেছে, গত ১১ জুন স্ট্রোক করে মারা যান ইসরাফিল। জীবদ্দশায় তিনি পল্লী বিদ্যুতের কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। কর্মস্থলে ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইনে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে একটি হাত ও একটি পা হারান। সেই দুর্ঘটনার পর আর স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে না পারায় দীর্ঘদিন ধরে ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে কোনো রকমে স্ত্রী-সন্তানদের ভরণপোষণ চালিয়ে আসছিলেন।
ইসরাফিলের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। ফলে স্ত্রী আরজু আক্তার ও চার কন্যাসন্তানকে নিয়ে পরিবারটি এখন চরম আর্থিক সংকটের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৫ বছর আগে চাকরির সুবাদে পটিয়ায় আসেন ইসরাফিল। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও চার কন্যাসন্তান রেখে গেছেন। বড় মেয়ে ইয়াছমিনের বিয়ের জন্য একটি এনজিও থেকে ৭০ হাজার টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। এর কিছু অংশ পরিশোধ করা হলেও এখনও অধিকাংশ ঋণ বকেয়া রয়েছে।
মেজ মেয়ে ইয়ানুর স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। অপর দুই কন্যাসন্তান এখনও ছোট। সংসারে উপার্জনের কোনো পথ না থাকায় সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের মায়ের।
স্থানীয়রা জানান, ইসরাফিলের মৃত্যুর পর পরিবারটি একেবারেই অসহায় হয়ে পড়েছে। আশ্রয়ন প্রকল্পের ছোট্ট ঘরটিতে এখন অভাব, অনিশ্চয়তা আর হতাশাই যেন নিত্যসঙ্গী। এখন পর্যন্ত সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো সহায়তা পরিবারটির কাছে পৌঁছেনি বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, “পরিবারটির অবস্থা পর্যালোচনা করে সরকারি সহায়তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের ভাষ্য, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সঙ্গে লড়াই করে পরিবারের জন্য সংগ্রাম করেছেন ইসরাফিল। তার মৃত্যুর পর স্ত্রী ও চার কন্যাসন্তানের জীবন এখন অনিশ্চয়তার মুখে। পরিবারটির পাশে সরকার, সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও মানবিক সংগঠনগুলো এগিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করছেন এলাকাবাসী।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট