1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রজভীয়া নুরীয়া কমিটি বাংলাদেশ পটিয়া উপজেলা পূর্ব পরিষদ গঠিত হাটহাজারীতে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং সেঞ্চুরিয়ানের বিনামূল্যে চক্ষু শিবির, ৬৮০ জন রোগীকে চিকিৎসা প্রদান পটিয়ায় জিরিতে মাদক ও কিশোর গ্যাংবিরোধী সচেতনতামূলক র‍্যালি আয়ান শর্মা একা নন, পাশে শত শত সাংবাদিক দেশ সেবায় ১৮ বছর ধরে সেবা দিয়ে যাচ্ছে প্রয়াস, প্রয়াসের খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে লায়ন জি কে লালা এমজেএফ ফটিকছড়ির প্রবীণ সাংবাদিক আহমদ আলী চৌধুরীর জন্য দেশে ও প্রবাসীর কাছে দোয়ার প্রার্থনা নিষিদ্ধ সংগঠন চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে ২১ আগস্টের স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশের নবনির্বাচিত ২৩তম মহামান্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর: জাতির প্রত্যাশা -মহিউদ্দীন কাদের নিষিদ্ধ সংগঠন দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ২১ আগষ্টের বীর শহীদের স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ভোক্তা অধিকারের অভিযান পটিয়ায় মেয়াদোত্তীর্ণ ডায়াপার নতুন তারিখ বসিয়ে বাজারজাত, জরিমানা ২ লাখ ৫০ হাজার

জুয়েল শাহ আলমের দাপটে বায়েজিদে নিরাপত্তা সংকট, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

  • সময় শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭৫ পঠিত

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী শিল্প এলাকায় এমইবি কর্পোরেশন লিমিটেডের একটি শিল্প প্লটে অনধিকার প্রবেশ ও সাইনবোর্ড পরিবর্তনের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে নতুন করে নিরাপত্তা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে,স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র জোরপূর্বক প্লট দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে।এ ঘটনায় ভবিষ্যতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

জিডির আবেদন সূত্রে জানা যায়,এমইবি গ্রুপ অব কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান এমইবি কর্পোরেশন লিমিটেডের শিল্প প্লটটি বায়েজিদ বোস্তামী শিল্প এলাকার প্লট নম্বর ৩৪/এ তে অবস্থিত।১৯৮৫ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সেখানে স্ক্র্যাপ রিসাইক্লিংয়ের মাধ্যমে রডের কাঁচামাল ইনগট উৎপাদন করা হতো। পরবর্তীতে ব্যবসায়িক মন্দার কারণে ২০০৫ সাল থেকে ইনগট উৎপাদন বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানটি নতুন পণ্য উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। সেই সময় পুরোনো যন্ত্রপাতি সরিয়ে প্লটটি সমতল করা হলেও অফিসিয়াল কাজের জন্য নির্মিত ভবনটি এখনো সেখানে রয়েছে।পুরো প্লটটি চারদিকে সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রবেশপথে এমইবি কর্পোরেশন নামের সাইনবোর্ড টাঙানো রয়েছে। নিরাপত্তার জন্য সেখানে সার্বক্ষণিক দারোয়ানও নিয়োজিত রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়,৭ আগস্ট ২০১৭ বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে মোহাম্মদ শাহ আলম নামে এক ব্যক্তি আরও দুই অজ্ঞাত সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে অনুমতি ছাড়াই শিল্প প্লটের ভেতরে প্রবেশ করেন।তিনি আলী আহম্মেদের ছেলে এবং বারী হাজীর কলোনী, কুঞ্জছায়া, ৩ নম্বর সড়কের শেষ মাথা, দৌলত ভবনের সামনে একটি সেমিপাকা টিনশেড ঘরে বসবাস করেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্লটে প্রবেশ করে তারা এমইবি কর্পোরেশনের সাইনবোর্ডের ওপর অন্য একটি সাইনবোর্ড লাগানোর চেষ্টা করেন।

দায়িত্বরত দারোয়ান বাধা দিলে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ঘটনার পর দারোয়ানরা বিষয়টি খাতুনগঞ্জে অবস্থিত এমইবি গ্রুপের কর্পোরেট অফিসে মোবাইল ফোনে জানান। পরে সহকারী কর্মকর্তা প্রশাসন মোহাম্মদ আলাউদ্দীন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে ভবিষ্যতে অনধিকার প্রবেশ বা দখলচেষ্টার আশঙ্কায় ১৪ আগস্ট ২০১৭ তারিখে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় লিখিত আবেদন দিয়ে বিষয়টি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে লিপিবদ্ধ করার অনুরোধ জানান তিনি। একই সঙ্গে শিল্প প্লটটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ,শাহ আলম বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি,দখলবাজি, ছিনতাই ও রাহাজানির সঙ্গে জড়িত।তার বিরুদ্ধে বায়েজিদ বোস্তামী থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,শাহ আলমের পেছনে রয়েছে কথিত প্রভাবশালী নেতা জুয়েল নামে আরেক ব্যক্তি।অভিযোগ রয়েছে,জুয়েলের ছত্রছায়াতেই এলাকায় নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয় এবং শাহ আলমকে ব্যবহার করেই অধিকাংশ অপকর্ম বাস্তবায়ন করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, এক সময় অতি সাধারণ জীবনযাপন করা জুয়েল এখন হঠাৎ করেই বিপুল অর্থবিত্তের মালিক বনে গেছেন। এলাকায় ঘুরে বেড়ান দামি ব্র্যান্ডের গাড়িতে।তাদের দাবি, গত ১৮ মাসে চাঁদাবাজি ও দখলবাজির মাধ্যমে তিনি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।শাহ আলমকে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করে এলাকাবাসী বলেন, শিল্প এলাকা ও ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অভিযোগ,শিল্প কারখানাগুলোতেও নিয়মিত চাঁদাবাজির চাপ দেওয়া হয়।

এতে করে অনেক ব্যবসায়ী আতঙ্কের মধ্যে দিন পার করছেন।কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না বলেও দাবি করেন তারা। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে প্রতিবেদক একাধিকবার শাহ আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।অন্যদিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এদিকে এলাকাবাসীর প্রশ্ন,যদি অভিযোগ অনুযায়ী এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকে, তাহলে এখনো কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না। স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শিল্প এলাকা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলে দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়তে পারে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট