1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সেন্টার অব এক্সেলেন্স ইন বুড্ডিস্ট স্টাডিজ-এর নতুন কমিটি গঠন পটিয়ায় ৮ কোটি টাকার মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন,মাদক নির্মূলে খেলাধুলার বিকল্প নেই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- আমিনুল হক। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে পটিয়ায় মানবতার বন্ধনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং ক্লাসিকের ২০২৬-২৭ সেবা বর্ষের কমিটি গঠন  পটিয়ায় তালের পাইকারি বাজার প্রতিদিন বাড়ছে মানুষের ভিড়। পাহাড়তলীতে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় আদালতে জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে মাদক কারবারি আলমগীর রাতের খাবার খেয়ে একই পরিবারের ৬ জন গুরুতর অসুস্থ পটিয়ায় কাঠালের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি। লোকসংস্কৃতির এক জীবন্ত কিংবদন্তি ছিলেন পটিয়ার আবদুল গফুর হালী। সিলেটে বাংলাদেশ ক্বওমী ব্লাড ডোনার পরিষদের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাঁশখালীতে মাকে হত্যা: র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫-এর যৌথ অভিযানে ছেলে ও পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩৪ পঠিত

 

মোঃ শহীদুল ইসলাম
বিশেষ প্রতিবেদকঃ

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বহুল আলোচিত মাকে গলা কেটে হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি ছেলে মো. কাশেম (২৮) ও তাঁর স্ত্রী নারগিছ আক্তারকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র‍্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়।

র‍্যাব সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) বিকেলে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ঘটনাটির এজাহারনামীয় এই দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রেহেনা বেগম (৬২) চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব বৈলছড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বড় ছেলে প্রবাসে অবস্থান করে নিয়মিত মায়ের চিকিৎসা ও ওষুধের জন্য অর্থ পাঠাতেন। অভিযোগ রয়েছে, ছোট ছেলে কাশেম সেই অর্থ আত্মসাৎ করতেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পরিবারে বিরোধ চলছিল, যা ক্রমেই তীব্র রূপ নেয়।

এই বিরোধের জের ধরে গত বছরের ৫ জুন রাত থেকে ৬ জুন ভোরের মধ্যে কোনো এক সময়ে কাশেম ও তাঁর স্ত্রী নারগিছ আক্তার পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রেহেনা বেগমকে হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। হত্যার পর ঘটনাটি আড়াল করতে রক্তাক্ত কাপড় ঘরের এক কোণে লুকিয়ে রাখা হয়।

পরদিন সকালে স্বজনরা গুরুতর অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ড দ্রুতই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং জাতীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. মুক্তার আহমদ বাদী হয়ে ৮ জুন বাঁশখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১০)। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

র‍্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা গ্রেপ্তার এড়াতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন এলাকায় আত্মগোপনে ছিল। গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে তাঁদের অবস্থান নিশ্চিত করা হয় এবং পরিকল্পিত যৌথ অভিযানের মাধ্যমে অবশেষে তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট