
অরুণ নাথ :
সমাজ হিতৈষী , জন বান্ধব সফল শিক্ষাবিদ প্রকৃতি রঞ্জন দত্ত ছিলেন একাধারে একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, সফল ক্রীড়াবিদ এবং সমাজ সংস্কারক ছিলেন উল্লেখ করে চট্টগ্রাম-১৩ সংসদ সদস্য সরওয়ার নিজাম বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; তিনি কেবল পাঠদানেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। তাঁর নিরহংকারী স্বভাব ও দেশপ্রেমিক চেতনা তাঁকে সবার কাছে শ্রদ্ধেয় করে তুলেছিল।
সোমবার (৪ মে) বিকালে নগরের থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষাবিদ প্রকৃতি রঞ্জন দত্তের নাগরিক শোকসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষাবিদ প্রকৃতি রঞ্জন দত্তের নাগরিক শোকসভা কমিটি আয়োজিত সভায় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলি চৌধুরী, লতিফা সিদ্দিকী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শিমুল বড়ুয়া, সিংহরা রামকানাই উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আনন্দ মোহন চৌধুরী, প্রকৌশলী ইমন দত্ত।
নাগরিক শোকসভা কমিটির আহ্বায়ক তাপস হোড়ের সভাপতিত্বে সাংবাদিক সরোজ আহমেদের সঞ্চালনায় শোক সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্য সচিব জামাল উদ্দিন, শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন ছাবের আহমদ চৌধুরী।
বক্তারা বলেন, প্রকৃতি রঞ্জন শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন তা নয়, তিনি একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি শারীরিক ও মানসিক বিকাশের গুরুত্ব বুঝতেন এবং তরুণদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতেন। পাশাপাশি সমাজ সংস্কারক হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা দূরীকরণে সচেতনতা সৃষ্টি করেন এবং সমাজকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে অবদান রাখেন। সব মিলিয়ে, প্রকৃতি রঞ্জন দত্ত ছিলেন একজন বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব, যাঁর জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য অনুকরণীয় ও প্রেরণার উৎস।
শিক্ষাবিদ প্রকৃতি রঞ্জন দত্ত ছিলেন একাধারে একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক, সফল ক্রীড়াবিদ এবং সমাজ সংস্কারক ছিলেন উল্লেখ করে চট্টগ্রাম-১৩ সংসদ সদস্য সরওয়ার নিজাম বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ; তিনি কেবল পাঠদানেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। তাঁর নিরহংকারী স্বভাব ও দেশপ্রেমিক চেতনা তাঁকে সবার কাছে শ্রদ্ধেয় করে তুলেছিল।শিক্ষাবিদ প্রকৃতি রঞ্জন দত্তের নাগরিক শোকসভা কমিটি আয়োজিত সভায় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ বন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলি চৌধুরী, লতিফা সিদ্দিকী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শিমুল বড়ুয়া, সিংহরা রামকানাই উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আনন্দ মোহন চৌধুরী, প্রকৌশলী ইমন দত্ত।
নাগরিক শোকসভা কমিটির আহ্বায়ক তাপস হোড়ের সভাপতিত্বে সাংবাদিক সরোজ আহমেদের সঞ্চালনায় শোক সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিটির সদস্য সচিব জামাল উদ্দিন, শোকপ্রস্তাব পাঠ করেন ছাবের আহমদ চৌধুরী।
বক্তারা বলেন, প্রকৃতি রঞ্জন শুধু একজন শিক্ষক ছিলেন তা নয়, তিনি একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি শারীরিক ও মানসিক বিকাশের গুরুত্ব বুঝতেন এবং তরুণদের খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতেন। পাশাপাশি সমাজ সংস্কারক হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা দূরীকরণে সচেতনতা সৃষ্টি করেন এবং সমাজকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে অবদান রাখেন। সব মিলিয়ে, প্রকৃতি রঞ্জন দত্ত ছিলেন একজন বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব, যাঁর জীবন ও কর্ম আমাদের জন্য অনুকরণীয় ও প্রেরণার উৎস।
তাঁর হাতে গড়া ছাত্ররা আজ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি – বেসরকারি দপ্তরে কর্মরত, শিক্ষকের প্রতি ভালোবাসা কর্তব্যবোধ তারই বহি:প্রকাশ।
Leave a Reply