1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সিডিএ কর্ণফুলী আবাসিক প্রকল্পে জামে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর শনিবার শুভেচ্ছা-ভালোবাসায় চট্টগ্রাম জার্নালের ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পটিয়ায় স্কুলের আইসিটি ল্যাবের গ্রিল কেটে ১৫ ল্যাপটপ চুরি বোয়ালখালীতে সাবেক মেয়র হাজী আবুল কালাম আবুর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া বিশ্ব শিক্ষক দিবস পটিয়া আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী আয়োজনে ভালোবাসায় সিক্ত শিক্ষকরা বোয়ালখালীতে স্যার আশুতোষ কলেজে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন শারজাহতে জমকালো আয়োজনে কলম একাডেমি লন্ডনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বাংলা ভাষা ও সাহিত্যচর্চায় প্রবাসীদের এগিয়ে আসার আহ্বান বিশ্ব শিক্ষক দিবস আজ জ্ঞান বিতরণকারী শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সভাপতি মাহফুজুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলম চন্দনাইশ সাতবাড়ীয়া নাজিরহাট ব্যবসায়ী উন্নয়ন সমিতির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত “চট্টগ্রাম ক্ল্যাসিক্যাল মিউজিক ইন্সটিটিউট” আয়োজিত – শ্রোতার আসরে।

দুই বোন তৃষা ও তিস্তা সঙ্গীত নিয়ে যেতে চান অনেক দুর

  • সময় শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৫৭ পঠিত

রতন বড়ুয়া,চট্টগ্রাম
সংগীতের সুবাসে মুখরিত বাংলা গান এবং সাংস্কৃতিক আঙিনায় প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে নতুন সব মুখ ও প্রতিভা। এই উদীয়মান ধারার এক উজ্জ্বল ও প্রতিশ্রুতিশীল সংযোজন হলো দুই বোন তৃষা ধর ও তিস্তা ধর। তৃষা বর্তমানে ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ও তিস্তা কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন বালিকা বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী।

সংগীতকে জীবনের ব্রত হিসেবে বেছে নেওয়া এই দুই তরুণী তাঁদের সুমধুর কণ্ঠ ও নিরলস সাধনার মাধ্যমে খুব অল্প সময়েই শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থান করে নিচ্ছেন। আর এই যাত্রার পেছনের সবচেয়ে বড় শক্তি ও প্রেরণা হিসেবে সবসময় ছায়ার মতো পাশে রয়েছেন তাঁদের মা-বাবা।

যে কোনো শিল্পীর বেড়ে ওঠার পেছনে থাকে একটি অনুকূল পরিবেশ। তৃষা ও তিস্তার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। শৈশব থেকেই পরিবারের সাংস্কৃতিক আবহ ও সংগীতানুরাগী বাবা-মায়ের উৎসাহে তাঁদের সংগীতে হাতেখড়ি হয়। ঘরের চারপাশেই যেন সুরের জোয়ার বইত।

বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল তাঁদের সন্তানেরা সুরের সাধনায় নিজেদের জীবনকে সমৃদ্ধ করবে। সেই স্বপ্নকে বুকে ধারণ করেই দুই বোন সুরের ভুবনে পথচলা শুরু করেন। প্রাতিষ্ঠানিক তালিম এবং কঠোর অনুশীলনের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের কণ্ঠকে শাণিত করতে শুরু করেন।

তৃষা ও তিস্তার আজকের এই অবস্থানের পেছনে রয়েছে বাবা-মায়ের আজীবন ত্যাগ, ভালোবাসা ও সঠিক দিকনির্দেশনা। একটি সাধারণ পরিবারে দুই সন্তানকে সংগীতের মতো সাধনার বিষয়টিতে নিয়মিত রাখা, তালিমের জন্য বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া এবং মানসিক মনোবল জোগানো সহজ কথা নয়।
তবে এই দুই বোনের বাবা-মা সব বাধা অতিক্রম করে তাঁদের পরম যত্নে আগলে রেখেছেন। সন্তানেরা যখনই ক্লান্তি বোধ করেছেন, তখনই তাঁরা জুগিয়েছেন নতুন উৎসাহ। বাবা-মায়ের এই নিরলস সমর্থন ও বিশ্বাসই দুই বোনকে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সংগীতের পথে অবিচল থাকতে শক্তি জুগিয়েছে।

তৃষা ও তিস্তা ধর কেবল দুই বোনই নন, তাঁরা একে অপরের সবচেয়ে বড় সমালোচক এবং সহযাত্রী। শাস্ত্রীয় সংগীতের পাশাপাশি আধুনিক ও লোকসংগীতেও তাঁদের সাবলীল উপস্থিতি মুগ্ধ করে। তাঁদের পরিবেশনায় এক অদ্ভুত মেলবন্ধন ও পরিপক্বতা লক্ষ্য করা যায়, যা এই বয়সের শিল্পীদের ক্ষেত্রে বিরল। বাবা-মায়ের চোখে যে স্বপ্ন রয়েছে, তাকে বাস্তবে রূপ দিতে তাঁরা প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন। তাঁরা কেবল নিজেদের জন্য নয়, বরং দেশের সংগীত জগতকে সমৃদ্ধ করতে এবং বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে বদ্ধপরিকর।

পরিশেষে বলা যায়, তৃষা ও তিস্তা ধরের সংগীত যাত্রা কেবল দুটি প্রতিভার বিকাশ নয়; এটি একটি পরিবারের স্বপ্নপূরণেরও গল্প। বাবা-মায়ের অকৃত্রিম ভালোবাসা, প্রেরণা এবং দুই বোনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তাঁরা একদিন বাংলা সংগীতের আকাশ জয় করবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সংগীতপ্রেমীদের। সুরের এই দুই আলোর ছটা বাংলা গানকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে, এটাই সবার ঐকান্তিক কামনা ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট