1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রবারণায় আত্মশুদ্ধির শিক্ষা ও কঠিন চীবরের দানমহিমা -লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া ইসলামের সোনালী ইতিহাস ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে কানাডা ও আমেরিকায় ইসলামি স্কলার প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দিন তালুকদার সৈয়দ আহমদ মাইজভান্ডারির দ্বিশত বেলাদত বার্ষিকীতে চরণদ্বীপে মাহফিল ডিজেবিলিটি কেয়ার ফাউন্ডেশন ও লিবার্টি ক্লাবের দুইদিনব্যাপী ৩০ শিশুর বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালু কাটা সার্জারি ক্যাম্প। পটিয়ায় নির্যাতনে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ চট্টগ্রামে CREATIVE IT INSTITUTE-এ ভিডিও এডিটিং কোর্স ব্যাচ-২৬০২ এর সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কমিটি গঠনকল্পে জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠন, চট্টগ্রামের সাংগঠনিক দায়িত্বে এ এস এম সুজা উদ্দিন পটিয়ায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের মাঝে ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরীর উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজার উপহার সামগ্রী বিতরণ বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

পটিয়ায় সবজির দাম  কমলেও মাছের বাজার চড়া

  • সময় বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৩৫ পঠিত

 

আলমগীর আলম,পটিয়া।

 

পটিয়ায় কয়েকটি সবজির দাম কিছুটা কমলেও মাছসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার এখনো চড়া।
এতে স্বস্তি ফিরছে না সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে।
বাজার মনিটরিং জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পটিয়া থানার হাট, কামাল বাজার, মুন্সেফ বাজার, কমল মুন্সির হাট ও অলির হাটসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা ও শিম ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় কয়েকটি সবজির দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।
তবে মাছের বাজারে এখনো চড়া দাম বিরাজ করছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২৫০ টাকা, রুই ৪০০ টাকা, কাতল ৫০০ টাকা এবং ইলিশ সর্বোচ্চ ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের উচ্চমূল্যের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অনেক ক্রেতা মাছ কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন।
বাজার করতে আসা চাকরিজীবী আলী কদর জীবন বলেন, সবজির কয়েকটি পণ্যের দাম কমলেও মাছের দাম অনেক বেশি। রুই ৪০০ ও কাতল ৫০০ টাকা কেজি হলে সীমিত আয়ের মানুষের নিয়মিত মাছ কেনা কঠিন।
বাজারে নিয়মিত মনিটরিং হলে ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।
ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোসেন রনী ও এনায়েত সওদাগর  বলেন, পাইকারি বাজারের দাম, পরিবহন খরচসহ বিভিন্ন কারণে খুচরা বাজারে পণ্যের দাম বাড়ে।
মাছের ক্ষেত্রেও সরবরাহ ও আড়ত পর্যায়ের দামের প্রভাব রয়েছে।
তবে ক্রেতাদের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে যৌক্তিক দামে পণ্য বিক্রি করা উচিত।
ক্রেতাদের অভিযোগ, মাছের পাশাপাশি চাল, ডাল, তেল, ডিম ও মসলাসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও তুলনামূলক বেশি।
দোকানভেদে একই পণ্যের দামে পার্থক্য থাকায় প্রকৃত বাজারদর নিয়েও বিভ্রান্তিতে পড়তে হয় তাদের।
বাজারে নিয়মিত মূল্যতালিকা প্রদর্শন ও তদারকি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান বলেন, “বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম যাতে অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি না পায়, সে বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি রয়েছে।
বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা হবে। অতিরিক্ত দামে পণ্য বিক্রি বা কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের দাবি, শুধু বিশেষ সময়ে নয়, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করতে হবে। পাশাপাশি পাইকারি ও খুচরা বাজারের দামের পার্থক্য এবং মূল্যতালিকা প্রদর্শনের বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করা হলে বাজারে শৃঙ্খলা ফিরবে এবং সাধারণ ক্রেতাদের ওপর দ্রব্যমূল্যের চাপ কিছুটা কমবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট