1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রাতের খাবার খেয়ে একই পরিবারের ৬ জন গুরুতর অসুস্থ পটিয়ায় কাঠালের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি। লোকসংস্কৃতির এক জীবন্ত কিংবদন্তি ছিলেন পটিয়ার আবদুল গফুর হালী। সিলেটে বাংলাদেশ ক্বওমী ব্লাড ডোনার পরিষদের বিভাগীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময়ে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর সঙ্গে চেয়ারম্যান মন্নান কবিতাঃ জুয়া -মো: ওসমান হোসেন সাকিব বোয়ালখালীতে ইটের আঘাতে নারী আহত, তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিঁড়ি বিড়ম্বনা!  নারী-শিশু রোগীর অবস্থা কাহিল পটিয়ায় গীতল সাংস্কৃতিক একাডেমি’র আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন ইতিহাস চর্চায় অধ্যাপক ড. আবদুল করিমের অবদান অপরিসীম ও কালজয়ী

প্রাণঘাতী রোগ জরায়ুমুখ ক্যান্সার সামান্য সতর্কতায় রুখে দিন -লায়ন মোঃ আবু ছালেহ্

  • সময় বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২
  • ৭৬২ পঠিত

আমাদের দেশে নারীদের অনেক রোগকে চাপা দিয়ে রাখা হয়। যেন এই রোগটির সাথে জড়িত থাকে পুরো পরিবারের মান-সম্মান। নারীরাও কিছু রোগের কথা মুখ ফুটে বলতে পারেন না। মনে মনে ভেবে থাকেন এই ধরণের রোগের কথা জানানো পুরোপুরি অন্যায় কিছু। দেহে পুষে রাখেন প্রাণঘাতী রোগ আর এভাবেই নীরবে নিজেকে নিয়ে যান মৃত্যুর কাছাকাছি।

জরায়ুমুখ ক্যান্সার এমনই একটি মারাত্মক প্রাণঘাতী রোগ। অনেক নারীই এই রোগের চিকিৎসা করান না। এবং সবচাইতে ভয়াবহ ব্যাপার হলো অনেকেই শুধুমাত্র লজ্জা পাবার কারণে এই রোগের লক্ষণ দেখা দিলেও তা নিয়ে কোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হন না। আমাদের দেশে এই রোগটির প্রকোপ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। অথচ সামান্য সতর্কতা এবং সঠিক শিক্ষা নারীদের এই প্রাণঘাতী রোগের কবল থেকে মুক্তি দিতে পারে খুব সহজেই।

লক্ষণ

১) মাসিকের পাশাপাশি অনিয়মিত রক্তক্ষরণ যেটাকে অনেকেই অনিয়মিত মাসিক হিসেবে ভুল করে থাকেন।
২) তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়া।
৩) সাদা ও ঘন অথবা বাদামি রঙের দুর্গন্ধযুক্ত তরল স্রাব নিঃসরণ।
৪) কোনো ধরণের মারাত্মক ইনফেকশন দেখা দেয়া।
৫) প্রতিবার যৌন মিলনের পর রক্তপাত হওয়া।
৬) বয়স্ক মহিলাদের মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও রক্তক্ষরণ হওয়া।

কারণ

১) হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা এইচপিভি এই জরায়ুমুখ ক্যান্সারের জন্য দায়ী থাকে প্রায় ৯৯%। এই ভাইরাসটি সাধারণত পুরুষের মাধ্যমে নারীদেহে প্রবেশ করে।
২) ধূমপান, তামাক পাতা ব্যবহার, দীর্ঘমেয়াদী জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল ও অনিয়ন্ত্রিত সন্তান ধারনের কারণে জরায়ুমুখ ক্যান্সার হয়।
৩) অপরিষ্কার থাকা ও মাসিকের সময় সঠিকভাবে নিজের যত্ন না নেয়ার কারণে হয়ে থাকে এই মারাত্মক রোগটি।
৪) অপুষ্টি, দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে সামান্য ইনফেকশন থেকেও এই রোগটি হতে পারে।

প্রতিরোধ

১) ৯ বছর বয়সের পর সকল মেয়েদের এইচপিভি (HPV) টিকা নেয়া উচিত। তবে, অ্যামেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির জার্নাল অনুযায়ী, এই টিকা ৯-১৫ বছর বয়সের মধ্যে নিয়ে নেয়া ভালো। ৩ টি ডোজের এই টিকা জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। যদি ১৫ বছরের পর এই টিকা নেয়া হয় তাহলে প্রথমে একজন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষা করিয়ে টিকা নেয়া উচিত। ১৯-২৫ বছরের নারীদের বিশেষ সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।
২) যেহেতু এই রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটি পুরুষের মাধ্যমে নারীদেহে প্রবেশ করে তাই যৌন মিলনের সময় সতর্ক থাকুন। এবং কনডম ব্যবহার করুন।
৩) ধূমপান ও তামাক জাতীয় দ্রব্য থেকে দূরে থাকুন।
৪) সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করুন এবং মাসিক চলাকালীন সময়ে বিশেষ যত্ন নিন।
৫) পুষ্টিকর খাবার গ্রহন করুন এবং দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করুন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট