1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঐক্যের পথে এপেক্স বাংলাদেশ: নতুন প্রত্যাশার এক ঐতিহাসিক অধ্যায় বাংলাদেশ হজ্জে বাইতুল্লাহর হজ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ” উপকূল সাংস্কৃতিক ফোরামের ” উদ্দ্যোগে সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা সম্পন্ন। কলাউজান নিজতালুকে মহোৎসব পরিষদের অভিষেক ও সম্মাননা প্রদান আনোয়ারায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে স্বপ্নছোঁয়া ফাউন্ডেশনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং প্রগ্রেসিভ ওয়েস্ট’র ২০২৬-২৭ সেবাবর্ষের কমিটি গঠন কনজিউমার রাইটস বাংলাদেশ (সিআরবি)-এর কেন্দ্রীয় জাতীয় প্রোগ্রাম সমন্বয়ক হলেন সংগঠক মোহাম্মদ আলী শিশু মৃত্যুতে আমাদের কোনো দায় নেই:- সাজিনাজ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পটিয়ার মানবিক চিকিৎসক ডা. পুলক আইচের পরলোকগমন। গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের ১৪ বছরে নাগরিক ঐক্য: মোস্তানছিরুল হক চৌধুরী

ঐক্যের পথে এপেক্স বাংলাদেশ: নতুন প্রত্যাশার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়

  • সময় শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬
  • ২১ পঠিত

ফাউন্ডার অ্যান্ড চার্টার প্রেসিডেন্ট, এপেক্স ক্লাব অব পটিয়া
২৬ জুন ২০২৬—এপেক্স বাংলাদেশের জন্য দিনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। দীর্ঘদিনের বিভাজন, মতপার্থক্য ও সাংগঠনিক অস্থিরতার পর ঢাকায় অনুষ্ঠিত জাতীয় কনভেনশনের সমাপনী পর্বে বিভিন্ন ধারার জাতীয় নেতৃবৃন্দ, অতীত জাতীয় সভাপতি, জেলা গভর্নর, ক্লাব নেতাসহ অসংখ্য এপেক্সিয়ানের উপস্থিতি সাধারণ সদস্যদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
এপেক্স বাংলাদেশ একটি অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক জাতীয় সেবামূলক সংগঠন, যা ১৯ জুলাই ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি Apex Global এবং WOCO (World Council of Young Men’s Service Clubs) Foundation-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী পেশাজীবী ও সচেতন নাগরিকদের নিয়ে গঠিত এ সংগঠনের মূল দর্শন—Service, Citizenship and Fellowship। সমাজের কম ভাগ্যবান মানুষের পাশে দাঁড়ানো, নেতৃত্বের বিকাশ এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করাই এর প্রধান লক্ষ্য।
গত কয়েক বছরে এপেক্স বাংলাদেশের বিভিন্ন মতপার্থক্য ও সাংগঠনিক বিভাজন শুধু সংগঠনের অভ্যন্তরেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এর ভাবমূর্তিকে প্রভাবিত করেছে। একই নামে একাধিক ক্লাব, পৃথক কর্মসূচি এবং বিভক্ত নেতৃত্ব সাধারণ সদস্যদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। ফলে অনেক সম্ভাবনাময় নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগও সীমিত হয়েছে।
তবে সাম্প্রতিক সংলাপ ও অংশগ্রহণের পরিবেশ নতুন করে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। অনেক এপেক্সিয়ানের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তি আরও সুদৃঢ় করবে। বিভিন্ন ধারার ক্লাব ও নেতারা একে অপরের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন, প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করবেন এবং গণতান্ত্রিক ও অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবেন।
একটি ঐক্যবদ্ধ এপেক্স বাংলাদেশ শুধু সংগঠনের জন্য নয়, দেশের মানুষের জন্যও ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে। অধিক সমন্বিত সেবামূলক কার্যক্রম, দক্ষ নেতৃত্বের বিকাশ, তরুণ সদস্যদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা সুদৃঢ় করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এপেক্সের শক্তি কোনো ব্যক্তি, পদ বা গ্রুপে নয়; এর প্রকৃত শক্তি সদস্যদের ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সেবার আদর্শে। তাই মতপার্থক্য থাকলেও সংলাপ, সহনশীলতা এবং বৃহত্তর স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়াই হওয়া উচিত ভবিষ্যতের পথ।
২০২৬ সালকে যদি পুনর্গঠন, আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সমন্বয়ের বছর হিসেবে কাজে লাগানো যায়, তবে আগামী বছরগুলোতে একটি আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও ঐক্যবদ্ধ এপেক্স বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে। সেই এপেক্স বাংলাদেশই দেশ, সমাজ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও উজ্জ্বল অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
আসুন, আমরা সবাই ব্যক্তি ও গ্রুপের ঊর্ধ্বে উঠে একটি শক্তিশালী, সেবামুখী ও ঐক্যবদ্ধ এপেক্স বাংলাদেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখি। কারণ একটি সংগঠনের প্রকৃত সাফল্য নেতৃত্বের পরিবর্তনে নয়, বরং তার আদর্শ, ঐক্য এবং মানবসেবার ধারাবাহিকতায় নিহিত।

এপেক্সিয়ান সৈয়দ মিয়া হাসান

সদ্য অতীত জেলা গভর্নর–৩, এপেক্স বাংলাদেশ

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট