1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বেকারত্ব সমাজের বিষফোঁড়া -মুহাম্মদ মুহিউদ্দীন ইবনে মোস্তাফিজ সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমি’র শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান সম্পন্ন। কবিতাঃ অপেক্ষার নীল কাব্য  -মোঃ ফেরদাউস আলম  হালিশহরে মনির আহাম্মদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাফেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ জাতীয় ছাত্রশক্তির সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ শাখার আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন। ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের “চিরদিনের সখা” অনুষ্ঠান সম্পন্ন মা দিবসে শিশুদের প্রাণবন্ত আয়োজনে মুখর ফ্লোরেট প্লে স্কুল এন্ড ডে কেয়ার আকবরশাহে হত্যাচেষ্টা মামলা, আতঙ্কে এলাকাবাসী গ্রেফতার একজন চট্টগ্রামে ‘চাটগাঁইয়্যা নওজোয়ান’-এর বৈশাখী কনসার্ট: সুরের মূর্ছনায় মাতল বন্দরনগরী পটিয়া, চট্টগ্রাম জুড়ে প্রতিদিন চলছে জমজমাট মেজবানী ও ওরশ বিরানী।

পটিয়া, চট্টগ্রাম জুড়ে প্রতিদিন চলছে জমজমাট মেজবানী ও ওরশ বিরানী।

  • সময় সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৪৩ পঠিত

 

আলমগীর আলম।

“মেজ্জান হায়লে আইয়োন”
“ওরশ বিরানী হাইলে আইয়োন”
চট্টগ্রাম ও পটিয়া জুড়ে মেজবানী ও ওরশ বিরানীর ব্যবসা এখন তুঙ্গে।
ঐতিহ্যবাহী এই খাবারের স্বাদ নিতে এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় ছুটে যাচ্ছেন খাদ্যরসিক মানুষ।
চট্টগ্রাম নগরীর পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী, মইজ্জারটেক, পটিয়া, আনোয়ারা, বোয়ালখালী, চন্দনাইশ, সাতকানিয়া ও লোহাগড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক মেজবান ও ওরশ বিরানীর দোকান।
দিন-রাত সমানতালে ক্রেতার ভিড় আর দোকানিদের মধ্যে চলছে তীব্র প্রতিযোগিতা।
আলী কদর জীবন নামে ব্যাংকার জানান, এখন দাম কম-বেশির চেয়ে খাবারের স্বাদই ক্রেতা টানার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোন দোকানের বিরানী বেশি সুস্বাদু, কোথায় মেজবানীর ঝোল ঘন—এমন আলোচনাই চলছে চায়ের আড্ডা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যন্ত।
অনেক দোকানেই প্রতিদিন কয়েক শ’ মানুষের খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে।
তবে এই জনপ্রিয়তার আড়ালেই দেখা দিয়েছে উদ্বেগজনক দিক।
অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত স্বাদ আনতে রান্নায় ক্ষতিকর কেমিকেল, কৃত্রিম রঙ ও অস্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার করছেন।
এতে খাবারের স্বাদ সাময়িকভাবে বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি

চিকিৎসকরা বলছেন, এ ধরনের কেমিকেল মিশ্রিত খাবার নিয়মিত খেলে গ্যাস্ট্রিক, লিভার ও কিডনি জটিলতা, এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়তে পারে।
বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও ভয়াবহ হতে পারে।
ভোক্তারা বলছেন, প্রশাসনের নিয়মিত তদারকি কম থাকায় অনেকেই নির্বিঘ্নে এসব অনিয়ম করে যাচ্ছেন। তারা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে খাদ্য নিরাপত্তা আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মান যাচাই কার্যক্রম জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানী ও ওরশ বিরানী যেন স্বাদে যেমন অনন্য থাকে, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকিমুক্ত হয়—এটাই এখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা সবাই সচেতন হলে এই জনপ্রিয় খাবারের সুনাম আরও অটুট থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
শফিকুল ইসলাম বলেন সাপ্তাহে প্রায় বাচ্চাদের নিয়ে মেজবান অথবা ওরশ বিরানী খাওয়া হয় খাবারের মান নির্নয় করা অনেক কঠিন সংশ্লিষ্টরা যদি সঠিক তদারকির মাধ্যমে কাজ করেন তাহলে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য মেজবান ও ওরশ বিরানী সারাদেশের সেরা খাবার হিসাবে খ্যাতি লাভ করবে তিনি পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নভাবে রান্না করা এ খাবারের মান ধরে রাখার আহবান জানান।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট