
চন্দনাইশ প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ কানাইমাদারী প্রজ্ঞালোক কমপ্লেক্সে প্রয়াত প্রজ্ঞালোক মহাথেরোর স্মরণে স্মৃতিসভা, গুণীজন সংবর্ধনা, বৌদ্ধ সম্মেলন এবং চন্দনাইশ সাতকানিয়া (আংশিক) নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন বৌদ্ধ গ্রামের প্রচারবিমুখ নীরব কর্মযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ ২৭ মার্চ (শুক্রবার) উপজেলার বরকল কানাইমাদারী প্রজ্ঞালোক কমপ্লেক্সে প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রজ্ঞালোক কমপ্লেক্সের প্রধান উপদেষ্টা কানন চৌধুরী‘র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন আহমেদ। উদ্বোধক ছিলেন জাতীয় বৌদ্ধ নেতা রাখাল চন্দ্র বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রজ্ঞালোক কমপ্লেক্সের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি নিবু বড়ুয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ হাশেম রাজু, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রুবেল বড়ুয়া হৃদয়, সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রঞ্জিত বড়ুয়া, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আমিনুল হক চৌধুরী। সংবর্ধিত অতিথিদের মধ্যে রয়েছেন চন্দনাইশ বৌদ্ধ পরিষদের সভাপতি অশোক বড়ুয়া, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর মানুমিত্র বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জয়দত্ত বড়ুয়া। এছাড়া সম্মানিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম পলিটিক্যাল কলেজের সাবেক সভাপতি প্রফেসর মজিবুর রহমান মুজিব, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মনজুরুল আলম তালুকদার, বরকল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাছির উদ্দিন সিকদার, সাবেক ইউপি সদস্য যথাক্রমে নাছির উদ্দিন, সেলিম উদ্দিন।
অনুষ্টানে প্রধান অতিথি বলেন, একটা মানবিক ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশে ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সবাই যেন স্বাধীনভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতে পারে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী অত্যান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। মানুষকে সেবা দেয়ার জন্য, অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। আমিও আপনাদের ভাই হিসেবে, সংসদ সদস্য হিসেবে এই চন্দনাইশের বিভিন্ন এলাকায় এই নির্বাচনের পর থেকে প্রতিনিয়ত যেতে হচ্ছে। কারণ চট্টগ্রাম- ১৪ চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক একটি অবহেলিত এলাকা। যেখানে হাত দিচ্ছি, দেখা যাচ্ছে সেখানেই ভঙ্গুর অবস্থা। আপনারা ডিসি অফিস থেকে খবর নিয়ে দেখবেন উত্তর ও দক্ষিণ জেলার মধ্যে প্রত্যেক উপজেলায় ৭৫ থেকে ৮০ ভাগ পর্যন্ত পাকা সড়ক হয়েছে। অথচ আমার এই চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক এলাকায় মাত্র ৩৪% পাকা সড়ক হয়েছে। আমরা উন্নয়নের দিক থেকে অনেক পিছিয়ে। অথচ বৃহত্তর চট্টগ্রামের মধ্যে চন্দনাইশের অনেক সুনাম রয়েছে। কারণ এখানে কোন চর নাই, দখল-বেদখল নাই, শীর্ষ কোন সন্ত্রাসী নাই, ভূমি দস্যুরা নাই। সবকিছু মিলিয়ে এই চন্দনাইশের একটা বিশাল সুনাম রয়েছে সারাদেশ ব্যাপী।
Leave a Reply