
আমিনুল হক রিপন, চট্টগ্রামঃ
গত ১৩ মে ২৬ রোজ বুধবার বিকাল ৫ – রাত ৯ টা “নান্দনিক চট্টলা ” কর্তৃক আয়োজিত মা দিবস ম্মরণে, আলোকিত মা সম্মাননা প্রদান, গুণীজন সংবর্ধনা, ও আলোচনা সভা সম্পন্ন হয়।
চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য এই ‘চট্টগ্রাম মা সম্মানা উৎসব ২০২৬। নান্দনিক চট্টলা কর্তৃক আয়োজিত এই উৎসবে ৪জন আলোকিত
মাকে,৩ জন প্রতিবন্ধী মা সহ সমাজ সেবায় বিশেষ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে ৩জন গুণীজনদের কে সম্মাননা প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় ছিলেন নান্দনিক চট্টলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ইলিয়াছ রিপন।সম্মাননা উদযাপন কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু তাহেরের সভাপতিত্বে
মেহেজাবিন মারজিয়ার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উদযাপন বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান উপদেষ্টা লেখক ও সমাজ চিন্তক মোঃ কামরুল ইসলাম।
পবিত্র কোরান হতে তেলওয়াত করেন হাজী শহিদুর
রহমান খোকন।
উদ্বোধক ছিলেন চিটাগাং উইম্যান চেম্বারের সুলতানা নুরজাহান রোজী।এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ শেখ ফজলে রাব্বী।
প্রধান অতিথি ডাঃ ফজলে রাব্বি,র কাছ থেকে আলোকিত মা জিকরের জাহান (মরোনত্তর) সম্মাননা গ্রহন করেন তাঁর সন্তান লেখক ও সমাজ চিন্তক মোঃ কামরুল ইসলাম।
প্রধান অতিথি ডাঃ ফজলে রাব্বি বলেন, চট্টগ্রাম সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র ,এখান কার শিল্প, সাহিত্য ও সামাজিক উদ্যোগ সারাদেশে অনুপ্রেরণা জোগায়। নান্দনিক চট্টলার এই আয়োজন সেই ঐতিহ্যকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিল।নান্দনিক চট্টলা বাংলাদেশের ঐতিহ্য,সাহিত্য,সংস্কৃতিকে প্রকৃত অর্থে লালন করে তা প্রমানিত হল। আলোকিত মা,দের সম্মাননা এটি নতুন
ভাবে সমাজকে আলোকিত করবে।
মো.কামরুল ইসলাম বলেন,মায়ের অপর নাম অকৃত্রিম মমতা, চিরন্তর নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, মা মানেই শান্তির নীড়। সন্তানের জন্য মায়ের ত্যাগের কোনো তুলনা হয় না। মায়ের হাসিতেই লুকিয়ে থাকে পৃথিবীর প্রতিটি সন্তানের সব সুখ।সাগরের তলদেশ খোঁজা সম্ভব হলেও মায়ের ভালোবাসার গভীরতা কখনও পরিমাপ করা যায় না। সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় প্রেরণাদাত্রী নিরাপত্তা প্রতীক হচ্ছে তার মা। আব্রাহাম লিংকনের মতে, “যার মা আছে, সে কখনই গরীব নয়”।
তিনি বিখ্যাত একটি উর্দু, শের বলেন, সরো পে আপনে বাচ্ছো কে রাদায়ে ছোর যাতি হ্যায়,কে মায়েঁ মার ভি যায়েঁ তো দুয়ায়েঁ ছোর যাতি হ্যায়। ম্যায় জিস সাহারা ভি জাঁউ মুঝে ঘর লাগতা হ্যায়,য়ে সব আল্লাহ কি রহমত কে বাদ মেরি মা কি দুয়ো কা আসার লাগতা হ্যায় বা মায়েরা তাদের সন্তানদের জন্য দোয়া রেখে যান, মা মারা গেলেও তাদের দোয়া, ছায়া হিসেবে থেকে যায়,আমি যে মরু ভূমি তেই যাই না কেন, আমার ঘর মনে হয়; এটা আল্লাহর রহমতের পর আমার মায়ের দোয়ার প্রভাব।
গুণীজন হিসেবে সংবর্ধিতরা হলেন,মোহাম্মদ আব্দুল নুর,আসাদুজ্জামান,আমিনুল হক রিপন।বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এসোসিয়েশন অব এলায়েন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনালের ডিস্ট্রিক গর্ভনর রোটারীয়ান এম এআজিজ,মোহাম্মদীয় কাফেলা ঐক্য পরিষদের প্রধান খাদেম এ আর কামরুল ইসলাম,পীচ ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস,র চেয়ারম্যান কামরুল কায়েস চৌধুরী এডিশনাল এসপি কাজী সাহাব উদ্দিন, রেড সিক্রেন্ট সোসাইটির সেক্রেটারী জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ রাবার গার্ডেন ওনার্স এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, নান্দনিক চট্টলার উপদেষ্টা আব্দুর রাজ্জাক, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ মীর শোয়েব। সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী লায়ন ডাঃ আর কে রুবেল, শারমিন হোসেন, মম দাশ সহ প্রমুখ।পাহাড়ী ও বাঙ্গালী বিভিন্ন নৃত্য গোষ্ঠি বিভিন্ন নৃত্য পরিবেশন করেন। সভাপতি সুন্দর আয়োজনে সকলের সার্বিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
Leave a Reply