বর্ষীয়ান আলেমে দ্বীন, প্রখ্যাত লেখক, গবেষক, ইসলামী চিন্তাবিদ এবং আলোকিত বক্তা এ যুগের শুদ্ধস্বর, নীতি-নৈতিকতার প্রতীক ও সুন্নীয়তধারার এক বলিষ্ঠ প্রহরী,দার্শনিক আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান আল-কাদেরী (মুজিআ) উপমহাদেশে একজন
চট্টগ্রামের হৃদয়ে অবস্থিত সিআরবি- যা শুধু একটি ভৌগোলিক স্থান নয়, বরং একটি ইতিহাস, একটি সংস্কৃতি, একটি প্রাণের স্পন্দন। সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলপথ-এর উদ্যোগে এই এলাকায় হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ নির্মাণের পরিকল্পনা
বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের এক দৃশ্যমান গতিপথে এগিয়ে চলেছে। অর্থনীতি, অবকাঠামো ও প্রযুক্তির প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্জন আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে। তবে এই অগ্রযাত্রার মাঝেও একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা অস্বীকার করার সুযোগ নেই—আমরা
চট্টগ্রাম—বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরনির্ভর বাণিজ্যের হৃৎপিণ্ড। আমদানি-রপ্তানির সিংহভাগ কার্যক্রম, শিল্প-কারখানার বিস্তার, ব্যবসা-বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু—সব মিলিয়ে এই নগরী দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার অন্যতম চালিকাশক্তি। কিন্তু পরিহাসের বিষয়, যে শহর দেশের
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নগরজীবনে এক নীরব অথচ গভীর আতঙ্ক হিসেবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ‘কিশোর গ্যাং’ সংস্কৃতি। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, ঢাকা ও সিলেটসহ বড় শহরগুলোর অলিগলি আজ যেন এক অদৃশ্য
বাংলা নববর্ষ: পহেলা বৈশাখ আমাদের জীবনচক্রে এক নব প্রভাতের নাম। এটি কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা বদলের দিন নয়; বরং বাঙালির আত্মপরিচয়, সংস্কৃতি ও চেতনার গভীরে প্রোথিত ঐতিহ্যের এক উজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ। বছরের
ডিজিটাল প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের এই সময়ে মোবাইল ফোন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। শিক্ষা, যোগাযোগ, বিনোদন—সবকিছুই এখন হাতের মুঠোয়। কিন্তু এই সুবিধার আড়ালে একটি গভীর সংকট নীরবে বিস্তার লাভ
বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতার মুখোমুখি—পেট্রোল ও অকটেন সংকট, যা শুধু অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে না, বরং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকেও কঠিন করে তুলছে। রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে
তিনি ছিলেন বাংলা কবিগানের অন্যতম রূপকার। কবিগানের লোকায়ত ঐতিহ্যের সাথে আধুনিক সমাজ সচেতনতার সার্থক মেলবন্ধন ঘটিয়ে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। তিনি ছিলেন মাইজভান্ডারী গানের কিংবদন্তি সাধক। জনপ্রিয় এই
পটিয়ায় কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবটি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার দাবি নয়, বরং এটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের সামগ্রিক অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানবসম্পদ উন্নয়নের একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বাস্তবতা, ইতিহাস,