1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
 HSC এর পর দ্বিধাদ্বন্দ্ব: দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নাকি Study Abroad? চট্টগ্রামে ‘Talent Hunt 2026’:১০০-এর অধিক যুবকের কারিগরি প্রশিক্ষণে এনরোলমেন্ট ও প্রশিক্ষণ শেষে চাকরির উদ্যোগ শিমুল বড়ুয়ার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসার আহ্বান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন পটিয়ার সন্তান সাজ্জাদ হোসেন মৃত্যুঞ্জয়ী মৌলভী সৈয়দ শুধু বীরের নাম নয় ইতিহাস- তসলিম উদ্দীন রানা জাতীয় পর্যায়ের মার্শাল আর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ন্যাশনাল ইংলিশ স্কুল চিটাগং চকরিয়ায় পাহরচাঁদা মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় শতভাগ পাসের রেকর্ড অক্ষুণ্ণ, জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই শিক্ষার্থী ‘ভূজপুর ট্রাজেডি’র মামলা প্রত্যাহারে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়েছে ভূজপুর মজলুম ঐক্য পরিষদ পটিয়ায় শাহ্ আমির উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা আমিনুল হক তালুকদারের তৃতীয় মৃত্যু বার্ষিকী আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জামেয়া মহিলা কামিল মাদরাসার দাখিল-২৬ পরীক্ষায় ঈর্ষনীয় সাফল্য অব্যাহত ৬১ জন A+

একুশে ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির প্রথম সিড়ি

  • সময় বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ২৫৭ পঠিত

তোষাদ রায়হানঃ

ভাষা আন্দোলনকেই বাংলাদেশ রাষ্ট্র সৃষ্টির পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে মনে করা হয়।এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরির পেছনে রয়েছে আরও অনেক সংগ্রামের ইতিহাস।১৯৪৭ এর দেশভাগের পর “প্রথম লড়াইটা প্রধানত ছিল সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনেই সীমাবদ্ধ”।সেসময় বাঙালী মুসলমান সাহিত্যিক, শিক্ষক, রাজনীতিবিদদের মধ্যে বাংলা, উর্দু, ভাষার পক্ষ-বিপক্ষে নানান মত ছিল।১৯৪৭ সালে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর জিয়াউদ্দিন আহমেদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম প্রস্তাব করেছিলেন।এবং এর কয়েক মাসের মধ্যেই ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের প্রথম মুদ্রা, ডাকটিকেট, ট্রেনের টিকেট, পোস্টকার্ড ইত্যাদি থেকে বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দু ও ইংরেজি ভাষা ব্যবহার করা হয়।এতে ভাষা নিয়ে বিতর্ক আবারো জেগে উঠেছিলো।তৎকালীন পাকিস্তান রাষ্ট্রে বাংলাভাষীরা উর্দুভাষীদের চেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকার পরও ১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ পূর্ব পাকিস্তান সফরে এসে রেসকোর্স ময়দানে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এক সমাবেশে স্পষ্ট ঘোষণা করেছিলেন যে ‘উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা’।
সেই সমাবেশেই উপস্থিত অনেকেই সাথে সাথে প্রতিবাদ করে ওঠেন। এরপর থেকে চারিদিকে স্লোগান ওঠে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’

উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার পেছনে বাঙালীদের উপর রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক প্রভুত্ব কায়েম করা ও শোষণের অভিসন্ধি বলে মনে করা হয়েছিল। বাঙালীদের মনে পাকিস্তানের প্রতি অবিশ্বাসের ভীত তৈরি হয়েছিল।এ আন্দোলন সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রূপ নেয় যখন ১৯৫২সালের ২৬শে জানুয়ারি পাকিস্তানের অ্যাসেম্বলিতে উর্দুকেই একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। পূর্ব-বঙ্গের অধিবাসী হওয়া সত্ত্বে খাজা নাজিমুদ্দিন এর বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কারণে সে সময় আন্দোলন আরো জোরদার হয়ে উঠেছিলো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট ও বিক্ষোভ মিছিল করে খাজা নাজিমুদ্দিনের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছিলো। ছাত্রদের সাথে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, সংস্কৃতিকর্মী এবং পেশাজীবী মানুষজন আন্দোলনে অংশ নেন। ২১শে ফেব্রুয়ারি সাধারণ ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়। ধর্মঘট ঠেকাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও তার আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছিলো। আন্দোলনকারীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল শুরু করলে পুলিশ আন্দোলনকারি দের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ শুরু করেন। পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার এবং শফিউর ছাড়াও আরো অনেকে শহীদ হয়। এই হত্যাকাণ্ড মাতৃভাষার অধিকারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনকে দমাতে পারেনি।
আর এই আন্দোলনেই বীজ বপন হয়েছিল পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট