1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৩:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ওমানে কৃষি ক্ষেত্রে অবদান রাখায় সম্মাননা পুরস্কারে ভূষিত হলেন পটিয়ার নাজিম উদ্দিন। চন্দনাইশে মাইক্রোবাসে এসে গরু চুরি,ধরা খেয়ে গুলি করে পালালো  চক্রের সদস্যরা;নেপথ্যে রহস্য কী! রমজানে দ্রব্যমূল্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি প্রদান রাহাত্তারপুল ফ্লাইওভারের সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের উদ্বোধন করলেন সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী বেওয়ারিশ সেবা ফাউন্ডেশন আয়োজন করছে সারা বাংলাদেশের অন্ধ হাফেজ দের নিয়ে হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৪ ‘বিতর্ক চর্চার মাধ্যমে দক্ষ ও মেধাবী মানবসম্পদ তৈরি হয়’ সাফ অনূর্ধ্ব -১৯ নারী দলের খেলোয়াড় কানুন রানী বাহাদুর কে সংবর্ধনা দিয়েছে টিম জিকেএসপি নারায়ণগঞ্জ টনি খান ও লেডিস লাউঞ্জ ইনস্টিটিউট মৌলভীবাজার শাখার উদ্বোধন সি‌লে‌টে কবি আবুল বশর আনসারী’র লেখা কবিতা পবিত্র সিলেট ভূমি ফলক উন্মোচন ও জীবনী নি‌য়ে আলোচনা। বাংলাদেশ পথ নাটক পরিষদ চট্টগ্রামের ‘একুশে পথ নাট্যোৎসব-২০২৪’ অনুষ্ঠিত

জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা আজ উন্নয়নের রোল মডেল -তসলিম উদ্দিন রানা

  • সময় মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২১০ পঠিত

আধুনিক বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে বাঙালী জাতির আস্থার প্রতীক জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা।১৯৪৭ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলা টুঙ্গিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর পাচ ছেলেমেয়ের মধ্যে তিনি সবার বড়।বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য হিসাবে তিনি দেশ স্বাধীনতার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন।১৯৭৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বাতক ডিগ্রি লাভ করেন।বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্যানেল থেকে বাংলা ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি,পরবর্তী ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন।ছাত্র জীবন থেকে তিনি সকল আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দেন।আন্দোলন-সংগ্রাম,সংকট,

সংশয়,নির্যাতন,জেল জুলুম মোকাবিলা করে অদ্যম সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পরে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন।তার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।পাচ বছরের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে আমাদের দেশকে সম্পুর্ন একটা সুখী সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন।কিন্তু ২০০১ সালে কিছু ষড়যন্ত্রকারীর জন্য আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারেনি বিধায় দেশ আবার পিছিয়ে যায়।
মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য আবারও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রাম করেন।গনতান্ত্রিক সরকারের ব্যবস্থা কায়েম করতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নিকট নতজানু হয়ে ততকালীন বিএনপি -জামাত জোট সরকার বাধ্য হয়ে ক্ষমতা ছাড়েন আর ফখরুদ্দীন -মমঈনুদ্দিনের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ১/১১ সময়ে অগনতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতা নিয়ে টালবাহানা করলে আবারও জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক সরকারের ব্যবস্থা কায়েম হয়।এমনকি সেই সময়ে গ্রেফতার করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কারাগারে প্রেরণ করেন।নেত্রী অনড় ছিলেন বলে ততকালীন সরকার বাধ্য হয়ে নেত্রীকে মুক্তি দেন পরবর্তী নির্বাচন দেন সেই ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠন করেন যা ইতিহাসের অংশ।তারপরে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের পর পর তিনবার নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্যারিসমেটিক রাজনীতির কারণে বিশ্বে আজ আমরা গর্বিত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
১৯৮১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।১৯৮১ সালে ১৭ মে দেশে আসলে লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের ভালবাসায় সিক্ত হয়ে মাতৃভুমি আসেন। এরপরে জিয়া,এরশাদ ও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বহুবার জেল জুলুম নির্যাতনের শিকার হন।১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বিরোধীদলের নেতা হন।৯০ এর গণ আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরচ্ছার এরশাদকে হটিয়ে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা গড়ে তুলেন।
১৯৯১ সালের তিনি আবারও বিরোধীদলের নেতা নির্বাচিত হন। পরবর্তী ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন ও তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
২০০১ সালে তিনি আবারও বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন।বিএনপি – জামাত জোট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম নেতৃত্ব দিয়ে ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
সেই সময় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য ও অতুলনীয়।২০০৭ সালে বিএনপি- জামাতের ভোটবিহীন নির্বাচন বর্জন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ক্ষমতা দিতে বাধ্য করেন গণতন্ত্রের মানস কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।
২০০৭ সালে আবারও তাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে ২৬ জুলাই গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করেন।জনতার স্রোতে সেদিন মমঈনুদ্দিন – ফখরুদ্দীন সরকার বাধ্য হয়ে ২০০৭ সালে ১১জুন মুক্তি দেন ও নির্বাচন দিতে বাধ্য হন।২০০৮ সালে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ বিপুল জয়লাভের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন ও জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরপর ২০১৬ ও ২০১৮ সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন দেশরত্ন শেখ হাসিনা।অদম্য সাহসের সাথে দেশ পরিচালনা করেন ও বিশ্বের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত লাভ করেন।আজ বাংলাদেশ বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল।
বিশ্ব দরবারে জননেত্রী শেখ হাসিনা একজন ক্যারিসম্যাটিক নেতা।এদেশের মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তনের জন্য তিনি রাতদিন নিজেকে উজাড় করে কাজ করেছেন। সেজন্য বাংলাদেশ আজ বিশ্বে সমাদৃত।নিজ অর্থায়নে পদ্ম সেতুর মত বড় প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন।
জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা অদ্যম গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে যাচ্ছি।শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে দেশের সাধারণ মানুষ সুখে শান্তিতে বসবাস করছে। বিদ্যুৎ স্বয়ংসম্পুর্ন উতপাদনে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় বাংলাদেশ।অজপাড়া গ্রামে আজ বিদ্যুৎ ব্যবহার করেছে ও সব জায়গায় বিদ্যুৎ পৌছে গেছে। মহেশখালী ও বাশখালী এস আলম পাউয়ার প্যালান্ট দেশের অন্যতম বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে।পটুয়াখালী পায়রা বন্দর নির্মাণ,কর্নফুলি টানেল,
ঢাকা-চট্রগ্রাম বে টার্নিমাল,ফ্লাইওভার নির্মাণ,ঢাকার যানজটের দুর্ভোগ পোহাতে মেট্রোরেল নির্মাণ,ঢাকা চট্রগ্রাম রোড ৮ লাইন উন্নতিকরন সহ দেশের মেঘা প্রকল্পের কাজ করতে একমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সম্ভব হয়েছে। এছাড়া দেশের আমুল পরিবর্তনে ও আধুনিক বাংলা গঠনের জন্য তার অবদান অনস্বীকার্য। গ্রামে বসে শহরের সেবার পাচ্ছে দ্ররিদ্র জনগোষ্ঠী আইসিটির প্রভুত উন্নয়নের জন্য।গ্রাম হবে শহর এই শ্লোগান আজ আমাদের নিকট স্বপ্নের নয় বাস্তবে রুপ লাভ করেছে।
ভুমিহীন মানুষের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বাড়ি নির্মাণ করে দিয়েছে।বিধবা ভাতা,মুক্তিযোদ্ধা ভাতা,বয়স্ক ভাতার ব্যবস্থা নেওয়া আজ দেশের প্রান্তিক মানুষ আজ সুখে শান্তিতে বসবাস করছে।

মানবিক নেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পাশ্ববর্তী দেশ বার্মা থেকে ১২ লক্ষ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া বিশ্বের ইতিহাসে বিরলতম মানবিক ঘটনা।

তাদের জন্য আশ্রয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন বিশ্ব মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা।কারো সাথে বৈরিতা নয় সবার সাথে সুসস্পর্ক বজায় রেখে বৈদেশিক নীতি প্রণয়নের মাধ্যমে বিশ্ব আজ আমরা গর্বিত জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত তার অবদান একমাত্র শেখ হাসিনা।

১৯৮৫ সালে ১৫ ফ্রেব্রুয়ারী স্বৈরচ্ছার এরশাদ সরকারের আমলে ১৫ দিনের কারাগারে অভ্যন্তরে রাখেন। ১৯৮৪ সালে দু’বার বন্দী করে গৃহবন্দী করেন।১৯৮৫ সালে ২ মার্চ প্রায় তিন মাস গৃহবন্দী করে রাখা হয়।১৯৮৬ সালে ১৫ অক্টোবর প্রায় ১৫ দিন গৃহবন্দী ছিলেন। ১৯৮৭ সালে নভেম্বর মাসে প্রায় ১মাস কারা অভ্যন্তরীণ রাখা হয়।১৯৮৯ সালে ফ্রেব্রুয়ারী মাসে গ্রেফতার করে ১মাস গৃহবন্দী ছিলেন।১৯৯০ সালে নভেম্বর মাসে বঙ্গবন্ধু ভবনে বন্দী করে রাখা হয়।
২০০৪ সালে ২১ শে আগস্ট বিএনপি জামাতের জোট সরকার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে করে প্রায় ১ শতের উপরে গ্রেনেড হামলা করেন বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মিটিংএ।ভাগ্যেক্রমে বেচে যায় জনতার নেত্রী। সেদিন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেত্রী আইভী রহমান সহ ২৪ জন গ্রেনেড হামলায় মৃত্যবরণ করেন ও অসংখ্য নেতাকর্মী আজও পঙ্গুত্ব বরণ করে বেচে আছে।শেখ হাসিনা কানে আজও শুনতে পায়না,সেদিন তার কানের শ্রবণশক্তি চলে যায়।

শান্তির প্রতিষ্ঠা,আর্থসামাজিক উন্নয়ন,মানবতার মুর্ত প্রতীক,শিক্ষার প্রসার,স্বাস্থ্যসেবা
মান উন্নয়ন,গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের কথা স্বীকার করে বিশ্বের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা তাকে ডক্টর ডিগ্রী ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করেন।বাঙালী জাতি সত্তার চেতনার উন্মেষ হয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য। তার স্বপ্ন ছিল ক্ষুধা, দ্রারিদ্রমুক্ত,,দুর্নীতিমুক্ত,মানবিক,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর,উন্নত সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা।বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা। বর্তমানে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আধুনিক বাংলা সারা বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল।তার সুযোগ্য নেতৃত্বে উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা,প্রযুক্তিগত ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।

জাতি হিসেবে আমরা সৌভাগ্য যে বঙ্গবন্ধুর মত আদর্শিক পিতার কন্যা শেখ হাসিনাকে নেতা হিসেবে পেয়েছি। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আজ উদাহরণ হিসেবে পেয়েছে এক দক্ষ নেতার গুনাবলী।কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি চক্রান্ত করে দেশকে পিছিয়ে নিতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের নক্সা তৈরি করছে যা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। এমনকি জননেত্রী শেখ হাসিনাকে বিভিন্ন সময় হত্যা করতে গ্রেনেড হামলা সহ বিভিন্ন সময় হামলা করেছে আর বর্তমানে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র করে চলছে। এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমাদের সজাগ থাকতে হবে।কেননা আমরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়ে আজও শোকে কাতর আর তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনাকে হারাতে দেওয়া যাবেনা।বঙ্গবন্ধুর হত্যার কারণে দেশ যখন অনেক পিছিয়ে যাচ্ছে
তখন জননেত্রী শেখ হাসিনা আশীর্বাদ রুপে আমাদের মাঝে ফিরে আসে যার জন্য আমরা আজ গর্বিত ও সৌভাগ্যের অধিকারী। শেখ হাসিনাকে সকল অপশক্তির কাছ থেকে বাচিয়ে রাখতে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।বঙ্গবন্ধুর মত বিশাল মানুষকে হারিয়ে আজও শোকে কাতর হয়ে আছি। এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে স্বাধীন করেছে যা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।তার ত্যাগ,তিতীক্ষার কথা আজীবন মানুষ স্মরণ করবে। কিছু উচ্চভিলাষী কুচক্রী মহলের দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের কারণে বঙ্গবন্ধু ও তার স্বপরিবার নির্মমভাবে ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট হত্যাকান্ড ঘটে। ইতিহাসের বর্বরতম ঘটনা। আর সেদিন ভাগ্যিস জননেত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে ছিল বলে প্রানে বেঁচে যায়।সেজন্য বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ,তিতিক্ষা,
আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস, স্বাধীনতার ইতিহাস ও ঐতিহ্য গুলো ধরে রাখতে হবে যে কোন মুল্যে।বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে জাতি যে অন্ধকারে নিমজ্জিত ছিল তা থেকে উত্তোরনের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্যারিসমেটিক নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিশ্বে আজ আমরা উন্নয়নের রোল মডেল। আমাদের দেশে খনিজ ও প্রাকৃতিক সম্পদ খুবই সীমিত কিন্তু জনসংখ্যা বিশাল। এই বিশাল জনসংখ্যাকে জন সম্পদে রুপান্তরিত করতে রাতদিন নিজেকে উজাড় করে কাজ করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। দেশ ও তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে দক্ষ নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বের দরবারে বাঙালী জাতি আজ মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে।
স্বাধীন বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্বয়ং সম্পুর্ন এক দেশে পরিণত হয়েছে। দেশের তরুণ প্রজন্ম আজ প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করে দেশের সুনাম ও খ্যাতি উজ্জ্বল করেছে। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার সদিচ্ছা এবং অদুরদর্শিতার কারণে।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ক্যারিসমেটিক নেতৃত্বে আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য উন্নত এক দেশ গঠনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

জয়তু শেখ হাসিনা
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।।

লেখক – তসলিম উদ্দিন রানা
সদস্য,অর্থ ও পরিকল্পনা উপকমিটি,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
সাবেক ছাত্রনেতা ও কলামিস্ট।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট