1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্মরণসভা: ঐক্য, ইতিহাস ও সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যাশা -সৈয়দ মিয়া হাসান হারিয়ে গেছে গ্রামীণ ঐতিহ্য: পালকিতে বরের আগমনের সেই উৎসবমুখর দিনগুলো -আলমগীর আলম। পাঁচ গুণ বড় হবে চট্টগ্রাম মহানগরী শবে কদরঃ হাজার মাসের শ্রেষ্ট রজনী ও করণীয় -মাওলানা মুহাম্মদ বোরহান উদ্দীন সামাজিক উদ্যোগ জোরদারে চট্টগ্রামে ‘সোশ্যাল অ্যান্টিসিপেশন অ্যান্ড ফোরকাস্ট এন্টারপ্রাইজ কমিটি’ গঠন ও কর্মশালা সাজেকে পর্যটকবাহী সিএনজি উল্টে দুর্ঘটনা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রমজান শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে রমজানের আত্মশুদ্ধি ও মানবাধিকার জাগরণে আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিল। বোয়ালখালী ঘাসফুল মুক্ত স্কাউট গ্রুপের ইফতার মাহফিল যাত্রী আন্দোলনের প্রবক্তা মোজাম্মেল হক চৌধুরীর জন্মদিন আগামীকাল।

পুঁজিবাজারে এক মাসে ১৭ হাজার কোটি টাকা ‘হাওয়া’

  • সময় বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩২৩ পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেয়ার বাজারের পরিস্থিতি উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপই কাজে আসছে না। চলতি মাসের ১৮ কার্যদিবসের মধ্যে ১৫ দিনই কমেছে ডিএসইর প্রধান সূচক। এ মাসেই ডিএসইএক্স কমেছে ৩০০ পয়েন্টের বেশি। গেল এক মাসে বিনিয়োগকারীরা হারিয়েছেন ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। তারল্য সংকট আর ধারাবাহিক পতনে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিষ্ক্রিয়তাই বাজারের এ অবস্থার জন্য দায়ী।
শেয়ার বাজারে চলছে ধারাবাহিক দরপতন। এর ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আনা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। নানা উদ্যোগেও কার্যকর ফলাফল পাওয়া যায়নি। প্রতিদিন সূচকের পতনের সাথে মূলধন হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।
প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এপ্রিল মাসে বেশিরভাগ কার্যদিবসেই সূচকের পতন ছিল ডিএসইতে। ঈদের ছুটি শেষে মাসের শুরুতে ডিএসইএক্সের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ২১৯ পয়েন্ট। মাস শেষে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯১৭ পয়েন্ট। ১৮ কাযদিবসে সূচক হারিয়েছে ৩০২ পয়েন্ট।
শুধু সূচকের পতন নয়। এসময় বাজার মূলধনও কমেছে। গেল এক মাসে বিনিয়োগকারীরা হারিয়েছেন ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি।   এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কার্যক্রমে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। বাজারের প্রতি তাদের আস্থা নেমে এসেছে তলানিতে।
পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের সদস্য এ এফ এম নেসারউদ্দীন বলেন, ‘মাঝখানে যারা কাজ করবে পরিচালক, ডেপুটি পরিচালক এই স্তরে লোক খুবই কম। লোক আছে নিচের লেভেলে অফিসার, তারা কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। তারা কেবল নোট লিখতে পারে, ফাইল নিয়ে দৌঁড়াতে পারে। এই যে সংস্থার কাঠামোটা হয়েছে, সেটা আসলে প্রত্যাশার না।’
বাজারের এই অবস্থার জন্য বিএসইসির নেতৃত্বের দুর্বলতাই দায়ী বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট