1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
এপেক্স বাংলাদেশের ২০২৭ সালের জাতীয় সভাপতি পদপ্রার্থী নুরুল আমিন চৌধুরী আরমান বোয়ালখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়েমুচড়ে গেল প্রাইভেটকার, আহত চালক প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও জীবন-জীবিকা রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব কতটুকু? – মোঃ আবদুল আলী জাতীয় সাংবাদিক সমাবেশ – ২০২৬ অনুষ্ঠিত তিনবারের শ্রেষ্ঠ উপজেলা যুব সংগঠনের স্বীকৃতি পেল আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ স্বামীর পরকীয়ার প্রতিবাদ করায় স্ত্রীকে কেরোসিন ঢেলে হত্যার অভিযোগ, স্বামী গ্রেপ্তার কেবিনেট সভায় আইইবি’র চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম দেশকে এগিয়ে নিতে নি:স্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রয়াস দারুত তাহযীব মডেল মাদরাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও হিফজুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড প্রদান সম্পন্ন চট্টগ্রাম জামেয়া মহিলা কামিল মাদরাসা আলিম পরীক্ষায় ঈর্ষনীয় সাফল্য অব্যাহত ২২ জন A+ মোবাইল টাওয়ারের ব্যাটারি চুরির আন্তঃজেলা চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

কারবালার যুদ্ধ  -মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব)

  • সময় বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০২৪
  • ৩৭৯ পঠিত

কারবালার যুদ্ধ

মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম (খাজা হাবীব)

চতুর্দিকে শত্রুসেনা সজ্জিত
শুরু হল কারবালার যুদ্ধ
ইমাম পরিবার তৃষ্ণা কাতরে
সেনা দলসহ শ্বাসরুদ্ধ।

শত্রুপক্ষের সেনা ওমর বিন সাদ
তীর ছুঁড়ে করল যুদ্ধের সূচনা,
ইমাম পক্ষের ওহাব ইবনে আবদুল্লাহ্
তিন যুদ্ধাকে করল ফানা।

দ্বৈত যুদ্ধে ইমাম সৈন্যের সম্মুখে
শত্রু সেনা টিকল না,
ওমর বিন সাদ যৌথ ভাবে
অতর্কিতে দেয় হানা।

শাহাদাতের নেশায় ইমাম বাহিনী
উন্মাদ হয়ে দেয় হুংকার,
অসংখ্য শত্রু নিপাত করিল
মস্তক হল দ্বি-খণ্ডিত পদাকার।

শত্রু বাহিনীর চতুর্মুখী তীরের আঘাতে
ইমাম দল হলেন অসহায়,
সীমারের হুকুমে প্রচণ্ড যুদ্ধ
শুরু হল সত্য মিথ্যার লড়াই।

সেনাপতি হুর বীর বিক্রমে
সীমারের দলকে করিল অবরোধ,
তাহা দেখিয়া সীমারের
অন্তরে বাড়িল আরো ক্রোধ।

সেনাপতি হুর সিংহ বিক্রমে তরবারীর
আঘাতে অসংখ্য শত্রু করিলেন নিধন,
শত সহস্র সীমার যোদ্ধা তখন
পিছূ হটতে বাধ্য হন।

হঠাৎ এজিদ সেনার হাতে
হুর করলেন শাহাদাৎ বরণ,
সুযোগ পেয়ে এজিদ বাহিনী
ইমামের শিবিরে আগুন ধরালো তখন।

শহীদ মুসলিমের পুত্র জাফর ও আব্দুল্লাহ্
করলেন অস্ত্র ধারন,
অসাধারণ বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে
তারাও করলেন শাহাদাৎ বরণ।

হযরত জয়নব তাঁর দুই কিশোর পুত্র
মুহাম্মদ ও আওয়ালকে পড়ালেন রণের সাজ,
কিশোরদ্বয় শহীদ হয়ে প্রমাণ করলেন
তাঁরাও ছিলেন যুদ্ধবাজ।

প্রাণবায়ু দান করিলেন
ইমাম পক্ষের যুদ্ধে যে গেলেন সেই,
ইমাম দেখলেন কয়েকজন খাদেম আর নিজ সহোদর ছাড়া ধরাতে কেহ নেই।

ইমাম সাহেব যুদ্ধের ফলাফল শেষ করতে
চাইলেন নিজেই অস্ত্র ধরে,
খাদেম ও সহোদরগণ বললেন-আমরাই আগে যাই শাহাদতের পিয়ালা ভোগ করে।

আবু বকর, ওমর,ওসমান,আওয়াল,
জাফর এবং আব্দুল্লাহ্ একে একে হন শহীদ;
হযরত আলীর কনিষ্ঠা স্ত্রীর সন্তান
তাঁরা বীর শ্রেষ্ঠ মুজাহিদ।

ইমাম বাহিনীর পতাকা বাহক
মুসলিমের ভ্রাতা আব্বাস পানি আনিবার কারণ,
মশক নিয়ে ফুরাতের দিকে
শত্রুর হাতে করলেন শাহাদাৎ বরণ।

সৌজন্যেঃ মোজাদ্দেদীয়া দরবার শরীফ,মোজাদ্দেদপুর, জালালাবাদ,বায়েজিদ বোস্তামী, চট্টগ্রাম।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট