1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বেকারত্ব সমাজের বিষফোঁড়া -মুহাম্মদ মুহিউদ্দীন ইবনে মোস্তাফিজ সুরধ্বনি মিউজিক একাডেমি’র শাস্ত্রীয় সংগীতানুষ্ঠান সম্পন্ন। কবিতাঃ অপেক্ষার নীল কাব্য  -মোঃ ফেরদাউস আলম  হালিশহরে মনির আহাম্মদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাফেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে পবিত্র কোরআন শরীফ বিতরণ জাতীয় ছাত্রশক্তির সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ শাখার আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন। ত্রিতরঙ্গ আবৃত্তি দলের “চিরদিনের সখা” অনুষ্ঠান সম্পন্ন মা দিবসে শিশুদের প্রাণবন্ত আয়োজনে মুখর ফ্লোরেট প্লে স্কুল এন্ড ডে কেয়ার আকবরশাহে হত্যাচেষ্টা মামলা, আতঙ্কে এলাকাবাসী গ্রেফতার একজন চট্টগ্রামে ‘চাটগাঁইয়্যা নওজোয়ান’-এর বৈশাখী কনসার্ট: সুরের মূর্ছনায় মাতল বন্দরনগরী পটিয়া, চট্টগ্রাম জুড়ে প্রতিদিন চলছে জমজমাট মেজবানী ও ওরশ বিরানী।

সাংবাদিক রোজিনাকে হেনস্থা করেছিল যারা!

  • সময় বুধবার, ১৯ মে, ২০২১
  • ৯৫৩ পঠিত

গতকাল স্বাস্থ্য সেবা সচিবের অফিসে লাঞ্ছিত হন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম। একটি কক্ষে পাঁচ ঘন্টা আটকে রেখে তার ওপর চালানো হয় নির্যাতন। তাকে হেনস্থা করা হয়। একজন অতিরিক্ত সচিব তার গলা চিপে ধরেছে, সেই ছবিও প্রকাশিত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ৮ জনকে চিহ্নিত করেছেন। এই ঘটনার বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতেও এই ৮ জনকে দেখা গেছে। আসুন এদের চিনে রাখি:

১. কাজী জেবুন্নেছা বেগম, অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে কাজী জেবুন্নেছা রোজিনা ইসলামের গলা চিপে ধরছেন।

২. মিজানুর রহমান, পুলিশ সদস্য। এই পুলিশ সদস্যই রোজিনাকে সচিবের একান্ত সচিবের কক্ষে বসতে বলেন।

৩. জাকিয়া পারভীন, উপ সচিব, ঘটনার পরপরই জাকিয়া পারভীন এসে রোজিনার মোবাইল কেড়ে নেন এবং তার দেহ তল্লাশি করেন।

৪. শারমিন সুলতানা, সিনিয়র সহকারী সচিব, ঘটনাস্থলে রোজিনাকে হেনস্থা করেন।

৫. সাইফুল ইসলাম ভুইঞা, সচিবের একান্ত সচিব, এই ঘটনা ঘটেছে তার কক্ষে। তিনি ঘটনার অন্যতম আয়োজক বলে অভিযোগ রয়েছে।

৬. মোসাদ্দেক মেহেদী ইমাম, সিনিয়র সহকারী সচিব, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তিনি দরজা বন্ধ করে দাঁড়ান, কাউকে এমনকি সাংবাদিকদের ঢুকতে দেননি।

৭. মোহাম্মদ মাহফুজুল ইসলাম, অফিস সহায়ক, তিনি রোজিনাকে আটকে সবাইকে ডাকেন।

৮. সোহরাব হোসেন, অফিস সহায়ক, ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও দুজন:-

১. লোকমান হোসেন মিয়া, সচিব স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ, তার অফিস এলাকায় ঘটনা ঘটে। তিনি ঘটনার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেন নি, কথাও বলেন নি। এই ঘটনার দায় তিনি এড়াতে পারেন না।

২. মাইদুল ইসলাম, জনসংযোগ কর্মকর্তা, ঘটনার পর রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে তথ্য চুরির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ সাংবাদিকদের জানান।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট