
আলমগীর আলম,পটিয়া।
পটিয়া উপজেলার শ্রীমাই এলাকায় অবস্থিত খ্রিস্টান ধর্মীয় কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যাপটিষ্ট চার্চ দীর্ঘ ৪০ বছরেও সরকারি কিংবা বেসরকারি কোনো উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের সুযোগ পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক প্রদীপ দে।
শনিবার (১৮ জুলাই) চার্চ প্রাঙ্গণে প্রায় ১০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক সুজিত হালধার এর পরিচালনায়
প্রদীপ দে আরও বলেন, চার দশক ধরে এই চার্চটি ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আজ পর্যন্ত সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সহযোগিতা কিংবা অবকাঠামোগত উন্নয়নের ছোঁয়া আমরা পাইনি। সীমিত সামর্থ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক ও মানসম্মত পরিবেশ গড়ে তুলতে নতুন ভবন, শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষা উপকরণ এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
প্রশিক্ষণ কর্মশালায় চার্চের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিভিন্ন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা, অভিভাবক এবং স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারী ১০০ শিক্ষার্থীর হাতে সনদপত্র ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
স্থানীয়রা জানান, পটিয়ার শ্রীমাই এলাকার ব্যাপটিষ্ট চার্চটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় ও ১৫০ জন শিশুদের পড়ালেখা, সামাজিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
তবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আর্থিক সহযোগিতার অভাবে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তারা চার্চটির উন্নয়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর, জনপ্রতিনিধি এবং বিত্তবান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
Leave a Reply