1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
স্টেশন পরিস্কার করে দিন চলত বুবির, ছিনতাইকারীর হামলায় মর্মান্তিক মৃত্যু ভূজপুরে সদর দপ্তর রেখে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলার গেজেট প্রকাশ প্রয়াস উপদেষ্টা রোটারিয়ান সৈয়দা কামরুন নাহার প্লাটিনাম প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন লন্ডন বাংলা বই মেলা পর্ষদ ও সৃষ্টি বিশ্বময়ের দুইদিন ব্যাপী উৎসব সম্পন্ন পটিয়া পৌরসভায় টানা বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা পরিদর্শন করলেন মেয়র পদপ্রার্থী হাজী আবুল বশর সিআইপি। প্রথম বারের মতো আসামে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছে চট্টগ্রামের স্বনামধন্য সনাতনী ব্যান্ড টিম বৃষ্টি চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সকল জেলার ইংরেজি ২য় পত্র পরীক্ষা স্থগিত ব্রাজিলের জার্সি গায়ে যাচ্ছিলেন বড় পর্দায় খেলা দেখতে ফ্লাই ওভারে শেষ হয়ে গেল সব ২০৩০ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করলো আর্জেন্টিনাসহ ৬ দেশ টানা বৃষ্টিতে পটিয়াজুড়ে জলাবদ্ধতা,জনজীবনে দুর্ভোগ।

বাবার মৃত্যুর পর ১৪ বছর বয়সেই সিএনজি চালিয়ে সংসারের হাল ধরেছে মিনহাজ।

  • সময় মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬
  • ১৯৩ পঠিত

 

আলমগীর আলম।

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ১৪ বছর বয়সী মিনহাজুল ইসলাম এখন পরিবারের একমাত্র ভরসা।
যে বয়সে তার স্কুলে বসে পড়াশোনা করার কথা, সে বয়সেই বাবার রেখে যাওয়া সিএনজি চালিয়ে সংসারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছে সে।
জানা গেছে, মিনহাজুল ইসলাম স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করছিল। কিন্তু হঠাৎ করে তার বাবা স্ট্রোকজনিত কারণে মারা গেলে পরিবারের ওপর নেমে আসে চরম আর্থিক সংকট। পরিবারের উপার্জনক্ষম একমাত্র ব্যক্তি ছিলেন তার বাবা।
বাবার মৃত্যুর পর সংসারে অভাব-অনটন দেখা দিলে বাধ্য হয়ে পড়াশোনা ছেড়ে জীবিকার সন্ধানে নামতে হয় একমাত্র সন্তান মিনহাজকে।
পরিবারের দুঃখ-কষ্ট লাঘব করতে বাবার রেখে যাওয়া সিএনজি অটোরিকশাটি চালানো শুরু করে সে।
অল্প বয়সেই রাস্তায় নেমে যাত্রী পরিবহন করে যা আয় হয়, তা দিয়েই কোনোমতে চলছে তাদের সংসার।
স্থানীয়রা জানান, মিনহাজ অত্যন্ত শান্ত ও পরিশ্রমী ছেলে।
প্রতিদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সিএনজি চালিয়ে পরিবারের খরচ জোগাড় করে।
তবে তার চোখে এখনো স্বপ্ন আছে—সুযোগ পেলে আবারও পড়াশোনায় ফিরে যেতে চায় সে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল বলছেন, মিনহাজের মতো শিশুদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের সকলের দায়িত্ব। তার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে সে ভবিষ্যতে দেশের জন্য সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।
এদিকে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান এলাকার লোকজন যেন তারা মিনহাজের পাশে দাঁড়িয়ে তার শিক্ষাজীবন পুনরায় শুরু করার ব্যবস্থা করেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট