1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সাতকানিয়ায় মারফলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিষেক ও কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়ি জনকল্যাণ পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পার্কভিউ হসপিটালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম “শানে আউলিয়া ও বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জীবন ও কর্ম ” -মাহমুদা মুশতারী বেকারত্ব দিন দিন যুব সমাজকে ছুরি-ছিনতাইয়ের পথে ঠেলে দিচ্ছে কৃষক, ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রামীণ উদ্যোক্তা: কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’: সাঁওতাল জীবন ও প্রতিবাদের গল্প নিয়ে নাটক পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের ফাঁদ: ঘুষের টাকাসহ সাব-রেজিস্ট্রারসহ গ্রেফতার ৩ বোয়ালখালীতে মাদক সেবনের দায়ে ৩ জনের কারাদণ্ড র‍্যাগিং নয়, সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্ক হোক সম্মান, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া

ক্ষুদি রামের জন্মদিনে বিনম্র চিত্রে স্মরণ করি এই মহান বীরকে।

  • সময় শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৬৭২ পঠিত

পলাশ সেনঃ

আমায় একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি।” যে ফাসির মঞ্চে দাড়িয়ে একথা বলতে পারে সে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু। ফাসিতে ঝোলানোর আগে কারা কর্তৃপক্ষ শেষ ইচ্ছা জানতে চাইলে নির্ভিক চিত্তে সেই মহান বিপ্লবী বলেছিলেন আমি ভালো বোমা বানাতে পারি, মৃত্যুর আগে সারা ভারতবাসীকে শিখিয়ে দিয়ে যেতে চাই।অগ্নিযুগের সেই মহান বিপ্লবী ৩ ডিসেম্বর ১৯৮৯ সালে জন্মগ্রহন করেন।

খুব ছোটবেলায় মা-বাবাকে হারান ক্ষুদিরাম। শোনা যায় তার দিদি অপরূপা দেবী তিন মুট খুদ দিয়ে কিনেছিলেন তার ভাই। এই কারনে নাম হয়েছিল ক্ষুদিরাম।ছেলাবেলা থেকেই সেবামূলক বিভিন্ন কাজে জড়িয়ে পড়েন। এক বন্ধুর মাধ্যমে পরিচয় পরিচিত হয়েছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ বসুর সঙ্গে। এখানে থেকেই যুগান্তর দলের সদস্য হন। দলের কাজকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য তাতশালা স্থাপন করেন। এই তাতশালার পিছনে লাঠিখেলা, তরবারী চালান, বোমা তৈরী, পিস্তল বন্দুক ছোড়ার শিক্ষা হত। দ্রুত এসব বিদ্যায় পারদর্শী হয়ে উঠেন ক্ষুদিরাম। দিদির বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন। রাজনৈতিক নিষিদ্ধ পত্র-পত্রিকা বিলি করার জন্য পুলিশ ধরতে গেলে তাদের হাত পালিয়ে যান পড়া ধরা পড়লে অল্প বয়সের কারনে পুলিশ মামলা প্রত্যাহার করে। দলের প্রয়োজনে ডাক হরকরার টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেন।বিপ্লবীদের শাস্তি দেওয়ায় মরিয়া হয়ে উঠেন চিফ পেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ড। দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত হয় কিংসফোর্ডকে হত্যা করতে হবে। দায়িত্ব দেওয়া হয় ক্ষদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকীকে। দুই তরুন বিপ্লবী রওনা হন মজফফরপুর আশ্রয় নেন কিংসফোর্ডের বাসভবনের পাশের একটি হোটেলে। ১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল রাত আটটার দিকে ইউরোপিয়ান ক্লাব থেকে খেলা করে একই রকম গাড়িতে গেট পার হচ্ছে অন্য দুই বিট্রিশ নাগরিক। দুই বিপ্লবীর ছোড়া বোমায় তারা ঘটনাস্থলে মারা যান আর যে কিংসফোর্ডকে মারার জন্য এ প্রচেষ্টা তার গাড়ি কয়েক হাত দূরে দাড়িয়ে।পালানরত পথে রেলস্টেশনে ধরা পড়েন ক্ষুদিরাম আর প্রফুল্ল চাকী। এই ক্ষুদিরাম বসুর বিচার নিয়ে সরকার আস্তে আস্তে বিপাকে পড়তে থাকে আর মানুষের মুখে প্রচারিত হতে থাকে একবার বিদায় দেমা ঘুরে আসি। ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট ৩০২ ধারা মোতাবেক ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যুদন্ডের রায় কার্যকর হয়।

আজ ৩ ডিসেম্বর, ক্ষুদি রামের জন্মদিনে বিনম্র চিত্রে স্মরণ করি এই মহান বীরকে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট