1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সাতকানিয়ায় মারফলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিষেক ও কৃতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ফটিকছড়ি জনকল্যাণ পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পার্কভিউ হসপিটালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম “শানে আউলিয়া ও বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জীবন ও কর্ম ” -মাহমুদা মুশতারী বেকারত্ব দিন দিন যুব সমাজকে ছুরি-ছিনতাইয়ের পথে ঠেলে দিচ্ছে কৃষক, ক্ষুদ্রঋণ ও গ্রামীণ উদ্যোক্তা: কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ব্যাংকিং খাতের ভূমিকা ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’: সাঁওতাল জীবন ও প্রতিবাদের গল্প নিয়ে নাটক পাহাড়তলী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুদকের ফাঁদ: ঘুষের টাকাসহ সাব-রেজিস্ট্রারসহ গ্রেফতার ৩ বোয়ালখালীতে মাদক সেবনের দায়ে ৩ জনের কারাদণ্ড র‍্যাগিং নয়, সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্ক হোক সম্মান, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যের – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া

পুঁজিবাজারে এক মাসে ১৭ হাজার কোটি টাকা ‘হাওয়া’

  • সময় বুধবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৪২৩ পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শেয়ার বাজারের পরিস্থিতি উন্নয়নে কোনো পদক্ষেপই কাজে আসছে না। চলতি মাসের ১৮ কার্যদিবসের মধ্যে ১৫ দিনই কমেছে ডিএসইর প্রধান সূচক। এ মাসেই ডিএসইএক্স কমেছে ৩০০ পয়েন্টের বেশি। গেল এক মাসে বিনিয়োগকারীরা হারিয়েছেন ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি। তারল্য সংকট আর ধারাবাহিক পতনে দিশেহারা বিনিয়োগকারীরা। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিষ্ক্রিয়তাই বাজারের এ অবস্থার জন্য দায়ী।
শেয়ার বাজারে চলছে ধারাবাহিক দরপতন। এর ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আনা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে। নানা উদ্যোগেও কার্যকর ফলাফল পাওয়া যায়নি। প্রতিদিন সূচকের পতনের সাথে মূলধন হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।
প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এপ্রিল মাসে বেশিরভাগ কার্যদিবসেই সূচকের পতন ছিল ডিএসইতে। ঈদের ছুটি শেষে মাসের শুরুতে ডিএসইএক্সের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ২১৯ পয়েন্ট। মাস শেষে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৯১৭ পয়েন্ট। ১৮ কাযদিবসে সূচক হারিয়েছে ৩০২ পয়েন্ট।
শুধু সূচকের পতন নয়। এসময় বাজার মূলধনও কমেছে। গেল এক মাসে বিনিয়োগকারীরা হারিয়েছেন ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি।   এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির কার্যক্রমে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিনিয়োগকারীরা। বাজারের প্রতি তাদের আস্থা নেমে এসেছে তলানিতে।
পুঁজিবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের সদস্য এ এফ এম নেসারউদ্দীন বলেন, ‘মাঝখানে যারা কাজ করবে পরিচালক, ডেপুটি পরিচালক এই স্তরে লোক খুবই কম। লোক আছে নিচের লেভেলে অফিসার, তারা কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। তারা কেবল নোট লিখতে পারে, ফাইল নিয়ে দৌঁড়াতে পারে। এই যে সংস্থার কাঠামোটা হয়েছে, সেটা আসলে প্রত্যাশার না।’
বাজারের এই অবস্থার জন্য বিএসইসির নেতৃত্বের দুর্বলতাই দায়ী বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট