1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পটিয়ায় ড. ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হোসেনকে সংবর্ধনা বাইশে শ্রাবণ: মানুষের হৃদয়ে চিরজাগরূক রবীন্দ্রনাথ – লায়ন উজ্জল কান্তি বড়ুয়া প্রয়াস এর আজীবন সদস্য রোটারিয়ান সুবর্ণা দে পিএইচএফ রোটারী ক্লাব অব রেইনবো’র সভাপতি নির্বাচিত তোমার গানে জাগবে জুলাই’ প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হন জাসাস চট্টগ্রাম মহানগর সদস‌্য স‌চিব মামুনুর রশিদ শিপন। পটিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে তিন কোটি টাকার ইয়াবাসহ মোটরসাইকেল গ্যাংয়ের ৬ সদস্য আটক বোয়ালখালীতে পুকুরে মিলল বৃদ্ধের মরদেহ চন্দনাইশে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ বিএনপির সমাবেশ-র‌্যালি নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ সভাপতির দেওয়া লাইভ বক্তব্যের ইংরেজি থেকে বাংলা অনুবাদ। পটিয়ায় মনির আহমদ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে কোরআন শরীফ, আমপারা ও নুরানী কায়দা বিতরণ এরাবিয়ান লিডারশীপ মাদরাসায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন

মেলার আমেজে নব সাজ মিয়ার হাট

  • সময় রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৩৩ পঠিত

মিতা পোদ্দার।

বৈশাখী মেলা বা পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন এদেশের সর্বস্তরের মানুষের চিত্তবিনােদন ও অনাবিল আনন্দ উৎসবস্থল।
কর্মব্যস্ত মানুষ একঘেয়েমি দূর করতে মেলায় আসে। বিভিন্ন পরিচিত অপরিচিত মানুষের সাক্ষাৎ মেলে মেলায়।
সবার মধ্যে এক অদৃশ্য ভ্রাতৃত্ব বন্ধন গড়ে ওঠে। জাতীয় ঐক্য ও সংহতি দৃঢ় হয়। বৈশাখী মেলার দৃশ্য বড় মনাে মুগ্ধকর। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের মিয়ারহাটে অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখী মেলা। প্রতি বছর অনেক জাঁকজমকভাবে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়।স্থানীয় লোকজনের তথ্যসূত্রে জানা যায় প্রায় ২০০ বছর ধরে এই বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
আর এই মেলার বিশেষত্ব হলো পরিবার পরিজন সবাই একত্রিত হওয়া।
বাড়ির বিবাহিত মেয়েরা অনেক আনন্দ উৎসাহ মনে বাবার বাড়ির এই মেলায় ছুটে আসে। যারা দূরদূরান্তে থাকেন তাঁরাও আসার চেষ্টা করেন। গ্রামে মেলার সময় পরিবারগুলোতে ঘরে ঘরে ভাজা হয় মুড়ি, মুড়কি ও বিন্নি ধানের খই। তৈরি করা হয় বিভিন্ন পিঠাপুলি। ফলে বড়উঠান ইউনিয়নসহ আশপাশের এলাকার বিভিন্ন বাড়ি যেন ভরে ওঠে আত্মীয়স্বজনে।
বৈশাখী মেলা বাঙালি সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান লোকজ উৎসব, যা বাংলা নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখে আয়োজিত হয়।গ্রামীণ মেলায় মাটির শিল্প, বাঁশ ও বেতের সামগ্রী, রকমারি মিষ্টি, জিলাপি, বাতাসা এবং খেলনার দোকান থাকে। এই মেলায় শিশুদের কেনাকাটার ভীড় জমে সবচেয়ে বেশি। চারদিকে পে পো শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে। কেনাকাটার যেন বিরাম নেই এই মেলায়। এ যেন বাঙালির প্রাণের মেলা।
জাতি-ধর্ম, ছােট-বড় নির্বিশেষে সব শ্রেণীর মানুষ মনের টানে এ মেলায় আসে এবং আনন্দ উল্লাস করে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট