1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিজয়নগর ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জহুর আহমেদ ফাউন্ডেশনের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ পটিয়ায় আগুনে পুড়ে দুই ওয়ার্কশপ, ক্ষতি ৭০ লাখ টাকা। একটি সুন্দর রাউজান বিনির্মানে সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করে যাব : গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি পটিয়া সচেতন নাগরিক ফোরামের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত। পাকা সেতুর অভাবে পটিয়া ও বোয়ালখালীর হাজারো মানুষের দুর্ভোগ চরমে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সমন্বিত উন্নয়নের রূপরেখা: দৃঢ় অবস্থানে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন অর্থপাচার রোধে আইন নয়, চাই কার্যকর সচেতনতা লেখক ও গবেষক জসীম উদ্দিন খন্দকার রচিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনু‌ষ্ঠিত বান্দরবানে এপেক্স ক্লাবের উদ্যোগে মাতৃভাষা দিবসে চিত্রাঙ্কন ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা। বাঘাইছড়িতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

অর্থপাচার রোধে আইন নয়, চাই কার্যকর সচেতনতা

  • সময় শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪১ পঠিত

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। মোবাইল ব্যাংকিং ও অনলাইন লেনদেন যেমন আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়িয়েছে, তেমনি অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের ঝুঁকিও বাড়িয়েছে। এএমএল (Anti-Money Laundering) চর্চা তাই এখন কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়—এটি জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সুশাসনের প্রশ্ন।

বিভিন্ন গবেষণা ও বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে। ওভার-ইনভয়েসিং ও আন্ডার-ইনভয়েসিংয়ের মতো বাণিজ্যভিত্তিক অর্থপাচার এবং হুন্ডি চ্যানেলের মাধ্যমে এই অর্থ দেশের বাইরে চলে গেছে। এই বিপুল অঙ্কের অর্থ দেশীয় বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন ব্যয়ের ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
অর্থপাচার প্রতিরোধে রয়েছে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এবং তদারকিতে কাজ করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। KYC, CDD ও সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্টিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু আইন থাকলেই যথেষ্ট নয়—কার্যকর প্রয়োগ ও সর্বস্তরের সচেতনতা জরুরি।
বাস্তবে দেখা যায়, অনেক গ্রাহক অজ্ঞতাবশত নিজের ব্যাংক হিসাব অন্যকে ব্যবহার করতে দেন বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করেন। অথচ এ ধরনের কাজ আইনত দণ্ডনীয় এবং অর্থপাচারের ঝুঁকি বাড়ায়। ডিজিটাল যুগে ওটিপি, পিন ও পাসওয়ার্ড গোপন রাখা, অচেনা লেনদেন এড়িয়ে চলা এবং সন্দেহজনক কার্যক্রম দ্রুত ব্যাংককে জানানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থপাচার রোধে কেবল নিয়ন্ত্রক কঠোরতা নয়, প্রয়োজন সচেতন নাগরিক অংশগ্রহণ। আইন, ব্যাংক ও গ্রাহক—তিন পক্ষের সমন্বিত দায়িত্ববোধেই গড়ে উঠবে স্বচ্ছ ও টেকসই ব্যাংকিং ব্যবস্থা।
লেখক:
সৈয়দ মিয়া হাসান
সার্টিফাইড AML & CFT প্রফেশনাল
আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পি এল সি

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট