
চট্টগ্রামের পটিয়ার দুই কীর্তিমান বীরকন্যা প্রীতিলতা ও মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদের কর্ম ও কীর্তিগাথা নিয়ে প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমি উদ্যোগে আয়োজিন করা হয় ‘কীর্তিমান স্মরণ’ অনুষ্ঠান।
গত ২৩ অক্টোবর শুক্রবার বিকাল ৪টায় একাডেমির মিলনায়তনে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরষ্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
একাডেমির নির্বাহী পরিচালক আবদুল্লাহ ফারুক রবির সভাপতিত্বে ও একাডেমির সদস্য নীহারিকা পাল এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনা ও কথামালায় অংশ নেন পটিয়া প্রেস ক্লাব এর সভাপতি আবদুল হাকিম রানা, বোধন আবৃত্তি পরিষদ এর সাধারণ সম্পাদক আবৃত্তি শিল্পী প্রণব চৌধুরী, মাবিলা এন্ড সৈয়দ ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান এস এম হারুনুর রশীদ, গীতিকার ও সংগঠক সাইফুল ইসলাম সোহেল, চিত্রশিল্পী হামেদ হাসান, সঙ্গীতশিল্পী শিবু মল্লিক, নৃত্যশিল্পী হৈমন্তী দে। বক্তারা বলেন, বীরকন্যা প্রীতিলতা ও মুন্সি আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ ক্ষণজন্মা কীর্তিমান। তাঁদের অবদান দেশ ছাড়িয়ে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত। পটিয়ার মেয়ে বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে নিজেকে আন্তবিসর্জন দিয়ে প্রমান করেছেন দেশপ্রেমের উর্ধে কিছু নাই। দেশের মুক্তি সংগ্রাম ও দেশ গড়ার কাজে নারী-পুরুষের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকা চলবেনা। পটিয়ার আরেক কৃতি সন্তান আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ আড়াই সহস্রাধিক পুঁথির পান্ডুলিপি সংগ্রহ করেন এবং ছয় শতাধিক গবেষণামূলক মেীলিক প্রবন্ধ রচনা করেন।
প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির নির্বাহী পরিচালক আবদুল্লাহ ফারুক রবি বলেন, প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমি শুরু থেকেই শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। পটিয়া ইতিহাস ও ঐতিহ্য সবার মাঝে তুলে ধরার জন্য কাজ করছে। আজকের কীর্তিমান স্মরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রীরা পটিয়ার এই দুই কিংবদন্তি সম্পর্কে জানতে পারবে। তাঁদের কর্ম ও জীবন সম্পর্কে জানানোর জন্য আয়োজন করা হয়েছে চিত্রাঙ্কন ও সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা।
পরে অতিথিরা রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির শিক্ষার্থীরা দলীয় সঙ্গীত ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন।
Leave a Reply