1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নবরূপে যাত্রায় মূ্র্চ্ছনা সংগীত একাডেমি। “মানবতাই পৃথিবীর সকল ধর্মের মূলমন্ত্র” বাগীশিক-এর অনুষ্ঠানে অতিঃ জেলা প্রশাসক দুর্যোগ মোকাবিলায় ইপসার কর্মীদের সক্ষমতা বাড়াতে দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল আজিম আর নেই! বোয়ালখালীতে রেললাইনের ক্লিপ চুরি, হাতেনাতে যুবক আটক পটিয়ায় জৈব সার উৎপাদনে  সফল গৃহবধূ রুমা আকতার পটিয়ায় সোনালী লাইফ ইনসুরেন্সের বিজনেস সম্মেলন অনুষ্ঠিত বোয়ালখালীতে জেলি মেশানো চিংড়ি ধ্বংস, ব্যবসায়ীকে জরিমানা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল চট্টগ্রাম মহানগরী কমিটি অনুমোদন চট্টগ্রামে হাজী মোস্তফা বেগম স্মৃতি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত: অংশ নিল ২ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী

যে জাতি ইতিহাস ভুলে যায়, তার অস্তিত্ব টিকে থাকেনা: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

  • সময় মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯২ পঠিত

 

মোঃ কায়সার , চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি। যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায়, সে জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকতে পারে না। তাই মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও বীরত্বগাথা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
২৪ মার্চ(মঙ্গলবার) দুপুরে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি সর্বজনীন জনযুদ্ধ, যার মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে। এই স্বাধীনতার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস—১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনের সূচনা, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচন। এসব আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি স্বাধীনতার চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছে।
তিনি আরও বলেন, ২৫ মার্চের কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বর আক্রমণের পর সারা দেশে যখন নেতৃত্বশূন্যতা ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছিল, তখন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান করেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে নতুন গতি সঞ্চার হয় এবং জনগণের মধ্যে সাহস ও উদ্দীপনা ফিরে আসে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও শহীদ জিয়ার স্মৃতি সংরক্ষণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র এবং জিয়ার স্মৃতি জাদুঘরকে সমন্বিতভাবে একটি ব্যবস্থাপনায় আনার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এখানে একটি আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর স্থাপন, প্রয়োজনে শহীদ জিয়ার ভাস্কর্য নির্মাণ এবং ঐতিহাসিক সম্প্রচারে ব্যবহৃত সরঞ্জাম সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দর্শনার্থীরা যাতে প্রথমে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পরিদর্শন করে পরে সংশ্লিষ্ট জাদুঘরে যেতে পারেন, সে ধরনের একটি সমন্বিত পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে শহীদ জিয়ার নির্মম হত্যাকাণ্ড যেমন জাতির জন্য বেদনাদায়ক অধ্যায়, তেমনি মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান বাঙালির গৌরবের অংশ। এই দুই ঐতিহাসিক দিক যথাযথভাবে উপস্থাপন ও সংরক্ষণের জন্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মফিদুর রহমান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট