1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আন্দোলন সংগ্রামের দল আওয়ামী লীগ কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে -তসলিম উদ্দীন রানা ঘাসিয়ার পাড়া মডেল মহল্লা কমিটির কার্যকরী পরিষদের শপথ গ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন বিশ্ববন্ধু ৯৪ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা এস এম তোফাজ্জল হোসেনের জন্মদিন পালিত হালদা, খাদ্যনিরাপত্তা ও আমাদের নৈতিক সংকট -মোহাম্মদ আনাস প্রতি শুক্রবার অসহায় দিনমুজুরদের একবেলা খাবার খাওয়ান পটিয়ার নুরুল আলম সওদাগর। বিএনপি পরিবারকে ফাঁসাতে যুবলীগ নেতার ‘বিষপান নাটক, ১৭ বছরের জমি দখল, ব্ল্যাকমেইল ও অপপ্রচারের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন চিরকুট লেখার আগেই হত্যা করা হয়েছিল শিশু জায়ানকে, ক্ষোভে খুনিদের বাড়ি ঘর ভাংচুর জনতার। বান্দরবানের নীলগিরি অনাথাশ্রমে এপেক্সের যৌথ সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত। পটিয়ায় প্রত্যয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক একাডেমির ১৬ পূর্তি অনুষ্ঠানে গুণীজনের মিলনমেলা পটিয়ার জান্নাতুল নাঈম কবরস্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন।

আন্দোলন সংগ্রামের দল আওয়ামী লীগ কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে -তসলিম উদ্দীন রানা

  • সময় সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬
  • ২৫ পঠিত

 

১৯৪৯ সালে ২৩ জুন কেএম দাস লেন রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা লাভ করেন যা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
২০২৪ সালে ৫ আগষ্ট পরবর্তী কঠিন সময়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আস্থায় ৭৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।
এবার ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত ও মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আদর্শের রাজনীতিক দল আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করে যে ঘোলাটে সৃষ্টি করেছে তা অনেক বেদনার ও দু:খজনক। বাংলার আশা আকাঙ্খার প্রতীক জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় স্বাধীনতা আন্দোলন সংগ্রামের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।
উপ-মহাদেশের রাজনীতিতে প্রায় ৭ দশকেরও সময় ধরে আভিজাত্যে ও অবিচ্ছেদ্য স্বত্ব হিসেবে নিজেদের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম নেওয়া এই দলটি।এদেশের প্রতিটি লড়াই,আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের ভূমিকা উজ্জ্বল।আওয়ামী লীগ মানেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলধারা।আওয়ামী লীগ মানে বঙ্গবন্ধু,আওয়ামী লীগ মানে স্বাধীনতা,আওয়ামী লীগ মানে ইতিহাস।
৫২র ভাষা আন্দোলন,৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন ৬২র ছাত্র আন্দোলন,৬৬ এর ছয় দফা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০এর নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলন,৭৫ এর পর নিঃশেষ হয়ে পুনরায় উজ্জীবিত,৯০ এর স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন,৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন,২০০১ এর বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলন,২০০৭সালে ১/১১ এর ফখরুদ্দীন -মঈনুদ্দীন তত্ত্ববধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন,অগ্রতান্ত্রিক ইউনুস সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সহ বর্তমানে অত্যন্ত কঠিন দু:সময়ে আন্দোলন সব লড়াই সংগ্রাম,গনতান্ত্রিক,
অসম্প্রাদায়িক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে আওয়ামী লীগ।সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে আজও মানুষের নিকট জনপ্রিয় ও আদর্শিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। আর এসবের প্রতিটি আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে আওয়ামী লীগের উপর বর্তায়।এদলটির উপর সব ঝড়জঞ্জা গেছে যা বলার উপেক্ষা রাখেনা তবুও সব কিছু উত্তরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় আওয়ামী লীগ।বর্তমানে এই দলের উপর যে স্টিম রোলার চলছে আর নিষিদ্ধ করে যে ঘোলাটে পরিবেশ সৃষ্টি করেছে তার মধ্যে হাজার হাজার নেতাকর্মীদের লাশের উপর দাঁড়িয়ে আছে এই দল।এমনকি ২০২৪ সালে ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের বাড়িঘর,
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জ্বালিয়ে দেওয়া সহ বিভিন্ন ভাবে যেভাবে জেল,জুলুম, নির্যাতন শিকার হয়ে আজও বট বৃক্ষের মত দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

১৯৪৯ সালে দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরু করেন।১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার কেএম দাসলেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে ততকালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।যা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগে রুপান্তরিত লাভ করেন।
প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শামসুল হককে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। তখন টগবগে তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কারাগারে বন্দী। বন্দী অবস্থায় তাকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রথম কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।১৯৫৩ সালে ময়মনসিংহে দলের দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে দলের তৃতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক সংগঠনে পরিণত হয়। ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে দলের নতুন নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।পরে কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন। ৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে দলের আন্তর্জাতিক নীতির প্রশ্নে সোহরাওয়ার্দী-ভাসানীর মতপার্থক্যের কারণে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ ভেঙে যায়। ভাসানীর নেতৃত্বে গঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। আর মূল দল আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন।১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হলে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়।১৯৬৪ সালে দলটির কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাওলানা তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান অপরিবর্তিত থাকেন।
১৯৬৬ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান,তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তাজউদ্দীন আহমদ।এর পরে ১৯৬৮ ও ১৯৭০ সালের কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অপরিবর্তিত থাকেন। এই কমিটির মাধ্যমেই পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ।দেশ স্বাধীনতা লাভ করেন।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রথম কাউন্সিলে সভাপতি হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্বেচ্ছায় সভাপতির পদ ছেড়ে দিলে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় পঁচাত্তরে কারাগারে ঘাতকদের হাতে নিহত জাতীয় নেতাদের অন্যতম এএইচএম কামরুজ্জামানকে ও সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন মো. জিল্লুর রহমান।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আসে আওয়ামী লীগের ওপর মরণাঘাত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি আবারও স্থগিত করা হয়।১৯৭৬ সালে ঘরোয়া রাজনীতি চালু হলে আওয়ামী লীগকেও পুনরুজ্জীবিত করা হয়।এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় যথাক্রমে মহিউদ্দিন আহমেদ ও বর্তমান সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে।১৯৭৭ সালে এই কমিটি ভেঙ্গে করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। এতে দলের আহ্বায়ক করা হয় সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনকে। ১৯৭৮ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি করা হয় আবদুল মালেক উকিল এবং সাধারণ সম্পাদক হন জননেতা আব্দুর রাজ্জাক।

এরপরই শুরু হয় আওয়ামী লীগের উত্থানপর্ব, উপমহাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে তোলার মূল প্রক্রিয়া। সঠিক নেতৃত্বের অভাবে দলের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে নির্বাসনে থাকা বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দেশে ফেরার আগেই ১৯৮১ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয় এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন আবদুর রাজ্জাক।
পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী নির্বাচিত হয়।এরপরে ১৯৯২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।এরপরে ২০০২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও আব্দুল জলিল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।
এরপরে ২০০৯ ও ১২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।এরপরে২০১৬ ১৮, ২২ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা সভাপতি ও ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক, সাধারণ মানুষের ভাত, ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন, স্বৈরচ্চার ও স্বৈরচ্চারীনী নেতৃত্বদানের সুমহান গৌরব অর্জন করেছে।আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর এ ভূখণ্ডে যা কিছু বিশাল অর্জন তা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাসের সঙ্গে এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।বাঙালি জাতির প্রতিটি মহত এবং শুভ অর্জনে আওয়ামী লীগের সংগ্রামী ও ত্যাগী ভূমিকা রয়েছে অতুলনীয়।বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি অত্যন্ত দুর্বিষহ পার করছে।বর্তমানে দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীদের হত্যা করেছে,লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মীদের মামলা আর হামলা করেছে।অনেককের বাড়িঘর সহ সব কিছু হারিয়ে নি:র্স্ব আর অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, অনেকে বছরের পর বছর জেলখানায় বন্দী আছে। অনেক নেতারা বিদেশে পলাতক অবস্থায় আছে।
অনেকে বাড়ি ঘরে যেতে পারছে না।মধ্যযুগীয় প্রদেশে প্রবেশ করেছে আওয়ামী লীগ। তবুও এই কঠিন দু:সময়ে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগকে বাচিয়ে রেখেছে। এদেশের সাধারণ মানুষের পাশে আজও প্রবাহমান। কেউ এই দলকে নিষিদ্ধ করে টাই পাবে না।
প্রতিটি লড়াই সংগ্রাম ও আন্দোলনে নেতৃত্ব ভুমিকা অতুলনীয়।৭৫ এর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যার মধ্যে দিয়ে যে রাজনীতি শুরু হয়েছিল তার বিরুদ্ধে অনেক অকুতোভয় দুঃসাহসী লোক মৃত্যুবরন করেন ও অনেকে সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়,অনেকে জেল জুলুম শিকার করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করেছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাদের ত্যাগ তিতিক্ষা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে আজ এদল ঠিকে আছে।সেই সময় খন্দকার মোস্তাক,জিয়া,
এরশাদ,খালেদা গং,ড. ইউনুস গং সহ বর্তমান সরকার এর বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে অনেকের জীবন চলে যায় আর অনেকে নির্যাতিত হয়ে যায়।লক্ষ লক্ষ নেতা কর্মী মামলা,হামলা শিকার হয়ে অনেকে কারাগারে ছিলেন।
দেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করবে আর মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় দল আওয়ামী লীগ। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আধুনিক বাংলা গঠনে সুগম উন্নয়ন করে যাচ্ছে এমনকি দেশের বড় প্রজেক্ট তথা পদ্ম সেতু নিজ অর্থায়নে করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল দেশরত্ন শেখ হাসিনা।দেশকে নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বে দাড় করিয়ে দিয়েছে যা ইতিহাসের মাইলফলক।২০২১ -২২সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হবে।বিশ্ব আজ বাংলাদেশের উন্নয়নের ভুয়সী প্রশংসা করেন।যা আমাদের জন্য শুভ ও গর্বের বিষয়। এসব কিছুর মুলে আছেন ক্যারিশমাটিক নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

গনতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদকে হটিয়ে ১৯৯১ সালে নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসে আবারো ভোট ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করলে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ভোট ও ভাতের অধিকার বাস্তবায়ন হয়।এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসেন।আবারো বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের নক্সা করে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগকে পরাজিত করে ও ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ অনেক নেতা নিহত ও আহত তার বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করে যায়।এরপরে ১/১১ এর বিরুদ্ধে আবারো আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদেরকে লড়াই সংগ্রাম আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে অসম্প্রাদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও ভোটের অধিকার বাস্তবায়ন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে যা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসে ও আধুনিক বাংলা গঠনে কাজ করে যাচ্ছে সেখানেও দলটির বিরুদ্ধে বহু ষড়যন্ত্রের নক্সা করে যাচ্ছে সব ছিন্নজাল ভেদ করে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় আওয়ামী লীগ।দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ উন্নয়ন শিখরে আরোহন করছে যা বিশ্বের নিকট অনুকরণীয় হয়ে যাচ্ছে। এদেশে যত মেঘা প্রকল্প ও মধ্যম আয়ের দেশ উন্নীত হচ্ছে তা একমাত্র আওয়ামী লীগের মাধ্যমে হচ্ছে।আজ বিশ্বের মডেল দেশ রুপান্তর হওয়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে প্রিয় আওয়ামী লীগ।

দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় উন্নয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সব নেতা কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে।বিশ্বের রোল মডেল হল বাংলাদেশ যার মুলে কাজ করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে আধুনিক বাংলা গঠনে মেধা সম্পন্ন লোক দিয়ে কাজ করেছে যা আমরা জাতি হিসাবে গর্ববোধ করি।উন্নয়নমুলক কাজ গুলো করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বাধার সৃষ্টি করেছে আর এক শ্রেণীর ধর্মান্ধতা লোক ও বিদেশি এজেণ্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে উৎখাত করেছে যার জন্য আমরা ১০০ বছর পিছিয়ে যাচ্ছি। এমনকি তারা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীকে নিষিদ্ধ করে তাদের প্রভুর নির্দেশে দেশে এক তরফা নির্বাচন করে ভাগবাটোয়ার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যায়। যা আমাদের জন্য,দেশের জন্য অশুভ সংকেত।তারা চেয়েছিল জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে কিন্তু রাখে আল্লাহ মারে কে।মানুষের দোয়া ও ভালবাসায় নেত্রী বেচে আছে।

আল্লাহ প্রিয় নেত্রীকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তারা ২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়ে ক্ষমতা নিয়ে দেশকে যেভাবে নৈরাজ্য,জুলুম,হত্যা,ধ্বংস করেছে তা ইতিহাস হয়ে রইল।একদিন এসবের বিচার হবে।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের উপর যে স্টিম রোলার হয়েছে তার জবাব বাংলাদেশ দিবে। এগিয়ে যাওয়া দেশকে তারা ধ্বংসের লীলাখেলায় মক্ত।বিশ্বের সব দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে অদুরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে শেখ হাসিনা যার দরুন আজ বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল তার একমাত্র দাবীদার জননেত্রী শেখ হাসিনা। উন্নত বিশ্বের দিকে ধাবিত হওয়ার পিছনে কারিগর ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হাসিনার।যা আমাদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসার দাবীদার। আওয়ামী লীগ পারে পারবে সোনার বাংলা, আধুনিক বাংলা ও স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনে।ইতিহাসের নির্মম নির্যাতন, হত্যা,মামলা হামলা ও ধ্বংসের মধ্যে আজও নদীর স্রোতের মত প্রবহমান সংগঠনের নাম প্রিয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।স্বাধীনতার দল নিয়ে আজীবন বাঙালীরা গর্ব করে যা প্রতিটি বাঙালীর জন্য গৌরব।বাঙালির হৃদয়ের ভালবাসার মাধ্যমে এগিয়ে যাবে, এগিয়ে যেতে হবে বহুদূর প্রিয় আওয়ামী লীগের। যতই ঝড়-ঝঞ্ঝা আসুক তা অতিক্রম করে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।।

লেখক –
সদস্য,অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটি,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
সাবেক ছাত্রনেতা,লেখক, গবেষক ও অধ্যাপক।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট