1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ০৪:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দুবাইয়ে বোয়ালখালীর এক প্রবাসীর মৃত্যু স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার অঙ্গীকারে বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস পালন করল চট্টগ্রাম জেলা প্রেস ক্লাব অভিযাত্রী পত্রিকার উদ্যোগে মে মাসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সাতকানিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুবেল, সম্পাদক তারেক। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রামে আলোচনা সভা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ রোধে পটিয়ায় সচেতনতামূলক কর্মসূচি। মহান মে দিবসে পটিয়ায় শ্রমিকদের মাঝে গামছা ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নুরুল আলম সওদাগরের। লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস-এর ২০২৬-২৭ সেবা বর্ষের কেবিনেট ঘোষণা ওষখাইনীরি নূরীয়া বিষু দরবার শরীফে ‘খাইমাতু রুফাইদা (রা.)’ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত

সৌদি আরবের জিয়া ট্রি বা জিয়া গাছের ইতিহাস।

  • সময় শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৫৯৩ পঠিত

 

মাঈনুদ্দীন মালেকি
সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে

১৯৭৭ সালে বাদশাহ ফাহদের আমন্ত্রণে সৌদি আরব যান বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং উপহার হিসেবে সাথে নিয়ে যান বেশ কিছু নিম গাছের চারা। বাদশাহকে উপহার দেয়ার সময় বলেন- “গরিব মানুষের দেশের গরিব রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে আপনার জন্য এই সামান্য উপহার।” বাদশাহ্ ফাহদ বহু দেশ থেকে বহু মূল্যবান উপহার তৎকালীন সময় থেকে এখন পর্যন্ত পেয়ে আসছেন; কিন্তু এমন মূল্যবান উপহার তিনি পাননি। আবেগে আপ্লুত বাদশাহ জড়িয়ে ধরেন রাষ্ট্রপতি জিয়াকে। তিনি বলেন, আজ থেকে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ পরস্পর অকৃতিম বন্ধু। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য অর্থ সাহায্য দিতে চান। কিন্তু এ সময় জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের দেশের মানুষ গরিব, কিন্তু তারা পরিশ্রম করতে জানে। আপনার দেশের উন্নয়ন কাজের জন্য হাজার হাজার শ্রমিক দরকার।
একটি নব্য স্বাধীন মুসলিম দেশের জন্য যদি আন্তরিকভাবে সাহায্য করতে চান, তবে আমার দেশের বেকার মানুষদের কাজ দিন। বাদশাহ ফাহদ রাজি হলেন। উন্মোচিত হলো এক নতুন দিগন্ত। তখন থেকে বাংলাদেশ থেকে লাখ লাখ মানুষ সৌদি আরব গিয়ে নিজেদের ভাগ্য বদল সহ স্বাবলম্বী হয়ে ফিরেছেন বাংলাদেশে।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেয়া সেই নিমের চারাগুলো আজ মহীরূহ ছড়িয়ে পড়েছে সাড়া সৌদি জুড়ে! মরুভূমিতে যেন টিকে গেছে বাংলাদেশের স্মৃতি উঁচু করে। আরাফাতের ময়দানে সবুজ শীতল ছায়া দিয়ে চলেছে অসংখ্য নিম গাছ। সৌদি আরবে ১৯৭৭ সাল থেকে নামকরণ করা হয় ‘জিয়া ট্রি’ বাংলায় বলা হয় ‘জিয়া গাছ’ নামে। আরবিতে কেউ কেউ বলেন- ‘জিয়া সাজারাহ’। সৌদি সরকার দেখল খেজুরগাছ নয়, নিম গাছেই মরুভূমিতে শীতল ছায়া ছড়ানোর উপযোগী। এ গাছ কম পানিতে দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে, গাছের পাতায় প্রচুর পানি ধরে রাখে। বৃষ্টির জন্যও নিম গাছ যথেষ্ট সহায়ক। দেখা গেছে, যে এলাকায় নিম গাছ আছে সেখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং মানুষের অসুখ-বিসুখও কম হচ্ছে। তখন থেকে তাঁরা ব্যাপকভাবে নিমের চারা রোপণের কাজে হাত দেন। ১৯৮৩-৮৪ সালে সৌদি সরকার সর্বপ্রথম আরাফাত ময়দানে ব্যাপকভাবে নিমের চারা রোপণ করে। আরাফাত ময়দানে আজ তাই রয়েছে হাজার হাজার নিম গাছ। হাজীরা এই নিম গাছের শীতল ছায়ায় হজ পালন করেন। প্রচ- গরমে নিম গাছের বাতাস তাদের প্রাণ জুড়িয়ে দেয়।
আরাফাতের ময়দানের জাবালে রহমতে (রহমতের পাহাড়) উঠে চার দিকে তাকালে দেখা যায়, পাহাড় ঘেরা বিশাল এলাকাজুড়ে শুধু নিম গাছ আর নিম গাছ।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট