1. news@dainikchattogramerkhabor.com : Admin Admin : Admin Admin
  2. info@dainikchattogramerkhabor.com : admin :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আনজুমান এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট বোর্ডের ঝটিকা পরিদর্শন চন্দনাইশের সাতবাড়িয়ায় আহলে বাইতে রাসূল (দ:)’র স্মরণে সুলতানে কারবালা মাহফিল ২৫ ও ২৬ জুন কারাবন্দি পটিয়ার সাবেক মেয়র আইয়ুব বাবুলের মায়ের ইন্তেকাল, প্যারোলে মুক্তির আবেদন। এলইডি স্কিন উপহার সিআইপি হাজী আবুল বশরের। পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশ্বকাপ ফুটবল উন্মাদনা। পটিয়ার উন্নয়নের দাবি সংসদে উত্থাপন করে প্রশংসায় ভাসছেন এমপি এনামুল হক। আন্দোলন সংগ্রামের দল আওয়ামী লীগ কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে -তসলিম উদ্দীন রানা ঘাসিয়ার পাড়া মডেল মহল্লা কমিটির কার্যকরী পরিষদের শপথ গ্রহণ ও অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন বিশ্ববন্ধু ৯৪ পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা এস এম তোফাজ্জল হোসেনের জন্মদিন পালিত হালদা, খাদ্যনিরাপত্তা ও আমাদের নৈতিক সংকট -মোহাম্মদ আনাস প্রতি শুক্রবার অসহায় দিনমুজুরদের একবেলা খাবার খাওয়ান পটিয়ার নুরুল আলম সওদাগর।

পটিয়ায় চাঞ্চল্যকর দশ মাসের অন্ত্বসত্তা গৃহবধূ মহুয়া হত্যা প্ররোচনাদানকারী হিসাবে অভিযুক্ত প্রধান আসামী ফায়াদ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর

  • সময় বুধবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩০৩ পঠিত

পটিয়া উপজেলা হাঁইদগাও গ্রামের মেয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ’র, শিক্ষার্থী, দশ মাসের অন্ত্বসত্তা শাহনাজ কামরুন নাহার মহুয়া হত্যা প্ররোচনাদানকারীর হিসাবে অভিযুক্ত প্রধান আসামী আজ গ্রেপ্তার হয়েছে।গত ১৬ অক্টোবর ২০২৪ সালে রাতে মৃত্যু ঘটে মহুয়ার।মহুয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়,অন্ত্বসত্তা মহুয়াকে তার স্বামী শাশুড়ী ননদ রা সম্মিলিত ভাবে আত্নহত্যার প্ররোচনা করে আত্নহত্যা করতে বাধ্য করেছিলেন।

উল্লেখ্য ২০২৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহুয়া ও ফায়াদের প্রেমের সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়ে দুই পরিবার ধুমধাম করে তাদের বিয়ে দেয়। ইতোমধ্যে সন্তানসম্ভবা হন শাহনাজ। আর মাত্র ১০/১২দিন পরই তার প্রথম সন্তান পৃথিবীতে আসার কথা ছিলো । কিন্তু তার আগেই সব শেষ হয়ে যায়।

ঘটনার পরপর শোকাহত বড় ভাই শাহনেওয়াজ সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছিলেন- আমার বোনকে বিয়ের পর থেকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল। আমরা তাদেরকে যৌতুক হিসেবে টিভি, ফ্রিজ, আসবাবপত্রসহ নানা কিছু দিয়েছি। তাদেরকে খুশি করার জন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করতাম। কিন্তু আমরা যেটাই দিই না কেন, সেটা তাদের পছন্দ হয় না। এগুলো নিয়ে সবসময় আমার বোনকে খোঁটা দেওয়া হতো। মানসিক নির্যাতন করা হতো। পান থেকে চুন খসলেই তার গায়ে হাত তুলতো। ঘরের ছোটখাটো কাজেও ভুল ধরে অত্যাচার করতো। আমার বোনের সঙ্গে ওইদিন রাত ১টা পর্যন্ত আমি নিজেই কথা বলেছি। এর আগে তার স্বামী আমাকে কল দিয়ে বিচার দিয়েছে। আমি বোনের সঙ্গে কথা বলার আধাঘণ্টা পর রাত দেড়টার দিকে তার শাশুড়ি আমার স্ত্রীকে ফোন দিয়ে জানিয়েছেন যে আমার বোন অজ্ঞান হয়ে গেছে।’ বিষয়টি রহস্যজনক, এটা স্রেফ মার্ডার। আমার বোনকে তারা নির্যাতন করে হত্যা করেছে।

ঘটনার দিন শাহনাজ মহুয়ার নিথর দেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ঘটনার ব্যাপারে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় ফায়াদ ও তার মা চেমন আরা রফিক কে প্রধান আসামী করে ৩০৬ ধারায় মামলা করেছিলেন ভিকটিম শাহনাজের বড় ভাই মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। মামলার অন্য আসামিরা হলেন, নিহত শাহনাজের স্বামীর বড় বোন তাসলিমা আফরোজ (৪৪) ও তার স্বামী মো. লোকমান (৪২), শাহনাজের স্বামীর মেজো বোন খাদিজা আফরোজ (৩৭), স্বামীর সেজো বোন তাহমিনা আফরোজ (৩২) এবং স্বামীর ছোট বোন নাজিফা সালসাবিন (৩০)।
ঘটনার পরপর দুই ননদ সহ তিন জন গ্রেপ্তার হলেও প্রধান দুই আসামী পলাতক ছিলেন।
অবশেষে প্রশাসন কে ফাঁকি দিয়ে দীর্গ দিন পলাতক থাকলেও আজ আদালতে জামিন চাইতে গেলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জামিন নামঞ্জুর করে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।আসামী ফায়াদ গ্রেপ্তারের পর নিহত মহুয়ার ভাই শাহনেওয়াজ এর কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।তিনি বলেন-অপরাধী ধরা পড়ায় আমার বোনের আত্না শান্তি পেয়েছে।এবং আসামীর সর্বোচ্চ বিচার দাবি করেন এবং প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
কপিরাইট © ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট